ইডির সমন এড়িয়ে মধ্যপ্রদেশ যাচ্ছেন কেজরিওয়াল! নোটিশ প্রত্যাহারের দাবিতে চিঠি
অর্থ তছরুপের মামলায় ইডির সমনে হাজিরা দিচ্ছেন না দিল্লির মুখ্যমন্ত্রী অরবিন্দ কেজরিওয়াল। তার পরিবর্তে পঞ্জাবের মুখ্যমন্ত্রী ভগবন্ত মানের সঙ্গে মধ্যপ্রদেশ রোড শোতে অংশ নেবেন বলে জানিয়েছে সংবাদ সংস্থা এএনআই। সংবাদ সংস্থার তরফে আরও জানানো হয়েছে, কেজরিওয়াল ইডিকে একটি চিঠি লিখে তাঁকে পাঠানো নোটিশকে বেআইনি এবং রাজনৈতিক উদ্দেশ্যপ্রণোদিত বলে অভিহিত করেছেন।
প্রসঙ্গত ইডি ৩০ অক্টোবর দিল্লির মুখ্যমন্ত্রী অরবিন্দ কেজরিওয়ালকে নোটিশ জারি করে তাঁকে ২ নভেম্বর সকাল ১১ টায় ইডির দফতরের উপস্থিত থাকতে বলে। যদিও এব্যাপারে আপের তরফে বলা হয়েছে, কেজরিওয়াল ইডির কাছে যাবেন কিনা সেব্যাপারে কোনও বিবৃতি দেননি।

একদিন আগে আপ নেতারা বলেছিলেন, তাদের কাছে তথ্য রয়েছে কেজরিওয়ালকে গ্রেফতার করা হবে। আপ নেতা সৌরভ ভরদ্বাজ বলেছিলেন, কেজরিওয়ালের গ্রেফতারের ক্ষেত্রে সরকার ও দল জেলা থাকবে। এদিন কেজরিওয়ালের ইডির অফিসে আসার সম্ভাবনায় সেখানে কড়া নিরাপত্তারও বন্দোবস্ত করা হয়।
এদিকে বৃহস্পতিবার কেজরিওয়ালের ইডির সদর দফতরে হাজির হওয়ার কয়েকঘন্টা আগে ইডির সমনের বৈধতা নিয়ে প্রশ্ন করে কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থাকে একটি চিঠি লেখেন কেজরিওয়াল। সেখানে তিনি সমনের নোটিশকে বেআইনি এবং রাজনৈতিক উদ্দেশ্যপ্রণোদিত বলে উল্লেখ করেন। নোটিশটি বিজেপির নির্দেশে পাঠানো হয়েছিল বলেও মন্তব্য করেন তিনি।
কেজরিওয়াল দাবি করেছেন, চার রাজ্যে নির্বাচনী প্রচারে বাধা দিতেই এই নোটিশ পাঠানো হয়েছিল। অবিলম্বে ইডির এই নোটিশ প্রত্যাহার করা উচিত বলেও মন্তব্য করেন তিনি। শেষ মুহূর্তের এই চিঠিই স্পষ্ট করে দেয় যে কেজরিওয়ালের সমন এড়িয়ে যাওয়ার পরিকল্পনাটি গোপন রাখা হয়েছিল। তবে কেজরিওয়াল ইডির সমন এড়িয়ে যাওয়া বা মধ্যপ্রদেশে যাওয়ার বিষয়ে কিছু জানাননি।
বিজেপির মুখপাত্র শেহজাদ পুনাওয়ালা বলেছেন, এটি কেজরিওয়ালের নাটকের সময় নয়। তবে মুখ্যমন্ত্রীকে ইডির জিজ্ঞাসাবাদের মুখোমুখি হওয়া উচিত। কেজরিয়ালের প্রতি বিজেপির প্রশ্ন আদালত কি তাঁর বিরুদ্ধে, সুপ্রিম কোর্ট কি তাঁর বিরুদ্ধে প্রতিহিংসা করছে? পাশাপাশি কংগ্রেসও কি কেজরিওয়ালের প্রতি প্রতিহিংসাপরায়ণ কিনা সেই প্রশ্ন তুলেছে বিজেপি।
কেজরিওয়ালকে ইডির সমন প্রশ্নে, বিজেপির তরফে বলা হয়েছে, আইন তার কাজ করেছে। ইডি তাকে আইনের অধীনে তলব করেছে। দিন দুই আগে মণীশ সিসোদিয়ার জামিন প্রসঙ্গে সুপ্রিম কোর্ট বলেছিল ৩৩৮ কোটি টাকার মানি ট্রেল রয়েছে। এব্যাপারে কেজরিওয়ালকেই উত্তর দিতে হবে। কারণ অর্থ তছরুপ হয়েছে আর তিনি এব্যাপারে কিছু জানেন না, তা হতে পারে না।












Click it and Unblock the Notifications