Article 370: ৩৭০ ধারা নিয়ে সুপ্রিম কোর্টের রায়ে অসন্তোষ গুলাম নবীর! লড়াই চলবে, বললেন ওমর আবদুল্লা
Article 370: জম্মু ও কাশ্মীর থেকে ৩৭০ ধারা বিলোপের কেন্দ্রীয় সরকারের সিদ্ধান্তে সমর্থন জানিয়েছে দেশের সর্বোচ্চ আদালত। শুধুমাত্র ভারতীয় সংবিধানই রাজ্যগুলিতে প্রযোজ্য হবে বলে জানিয়েছে সুপ্রিম কোর্ট। এদিন সুপ্রিম কোর্টের এই রায়ের পরে হতাশা ব্যক্ত করেছেন প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী ওমর আবদুল্লা। অপর প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী গোলাম নবী আজাদ অসন্তোষ প্রকাশ করেছেন।
ওমর আবদুল্লা বলেছেন, তিনি হতাশ হলেও নিরুৎসাহিত নন। তিনি বলেছেন, বিজেপি এখানে পৌঁছতে কয়েক দশক লেগেছে। তারাও দীর্ঘ লড়াইয়ের জন্য তৈরি বলে জানিয়েছেন ওমর আবদুল্লা। প্রসঙ্গত রবিবার বারামুলায় জনসভায় ভাষণ দেওয়ার সময় ওমর আবদুল্লা বলেন, জম্মু ও কাশ্মীরের ৩৭০ ধারা পুনরুদ্ধারের জন্য শান্তিপূর্ণভাবে লড়াই চলবে।

অন্যদিকে জম্মু ও কাশ্মীরের প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী তথা ডেমোক্রেটিক প্রগ্রেসিভ আজাদ পার্টির সভাপতি গোলাম নবী আজাদ সর্বোচ্চ আদালতের রায়ে অসন্তোষ প্রকাশ করেছেন। তিনি বলেছেন, ৩৭০ ধারা বাতিল করা ভুল সিদ্ধান্ত ছিল। জম্মু ও কাশ্মীরের রাজনৈতিক দলগুলিকে এব্যাপারে জিজ্ঞাসা করা উচিত ছিল। জম্মু ও কাশ্মীরের মানুষ এই সিদ্ধান্তে খুশি নয় বলেও জানিয়েছেন তিনি।
এদিন রায় দিতে গিয়ে প্রধান বিচারপতি বলেছেন, ৩৭০ ধারা ছিল অস্থায়ী। জম্মু ও কাশ্মীরের সাংবিধানিক পরিষদ অর্থাৎ বিধানসভা ভেঙে দেওয়ার পরে রাষ্ট্রপতির ৩৭০ ধারা অকার্যকর করার সাংবিধানিক অধিকার রয়েছে। সেক্ষেত্রে অনুচ্ছেদ ৩৭০-এর অবলুপ্তি নিয়ে রাষ্ট্রপতির আদেশকে বৈধ বলেই মনে করছে সুপ্রিম কোর্ট।
প্রধান বিচারপতি বলেছেন দেশের সংবিধানের সব বিধান জম্মু ও কাশ্মীরে প্রযোজ্য হতে পারে। এটি অনুচ্ছেদ ৩৭০(১)ডির অধীনে করা যেতে পারে। প্রধান বিচারপতি চন্দ্রচূড় বলেছেন, ৩৭০ ধারা ছিল অস্থায়ী। জম্মু ও কাশ্মীরের সংবিধান ভারতের সংবিধানের অধীন। মহারাজা হরি সিং যখন কাশ্মীরকে ভারতের সঙ্গে সংযুক্তির চুক্তি করেন, সেই সময় জম্মু ও কাশ্মীরের সার্বভোমত্ব শেষ হয়ে গিয়েছে।
প্রধান বিচারপতি বলেছেন, ৩৭০ ধারা ছিল অন্তর্বর্তীকালীন। একটি অন্তর্বর্তী প্রক্রিয়া হিসেবে পরিবেশন করা হয়েছিল। গণপরিষদের সুপারিশ রাষ্ট্রপতির জন্য বাধ্যতামূলক ছিল না। গণপরিষদ ছিল একটি অস্থায়ী সংস্থা। ৩৭০ ধারা বাতিলে রাষ্ট্রপতির সিদ্ধান্ত খারাপ নয়। প্রধান বিচারপতি বলেছেন, শীর্ষ আদালত দেশের রাষ্ট্রপতির সিদ্ধান্তের বিরুদ্ধে আবেদন করতে পারে না।
সুপ্রিম কোর্ট নির্বাচন কমিশনকে ২০২৪-এর ৩০ সেপ্টেম্বরের মধ্যে জম্মু ও কাশ্মীরে বিধানসভা করার নির্দেশ দিয়েছে। যত তাড়াতাড়ি সম্ভব রাজ্যের মর্যাদা পুনরুদ্ধারের কথাও বলেছে সুপ্রিম কোর্ট।












Click it and Unblock the Notifications