জম্মু ও কাশ্মীরে সেনাবাহিনীর 'নতুন' অভিযান! ঘরে ফিরছে একের পর বিপথগামী যুবক
বিপথে যাওয়া বাড়ির ছেলেকে মায়ের হাতে ফিরিয়ে দেওয়া। এবছরের শুরু থেকে এমনই এক পরিকল্পনা নিয়ে জম্মু ও কাশ্মীরে অভিযানে নামে ভারতীয় সেনা
বিপথে যাওয়া বাড়ির ছেলেকে মায়ের হাতে ফিরিয়ে দেওয়া। এবছরের শুরু থেকে এমনই এক পরিকল্পনা নিয়ে জম্মু ও কাশ্মীরে অভিযানে নামে ভারতীয় সেনা। এখনও পর্যন্ত প্রায় ৫০ যুবককে জঙ্গিদের কবল থেকে স্বাভাবিক জীবনে ফিরিয়ে দেওয়া গিয়েছে বলে জানিয়েছেন ভারতীয় সেনা।

অভিযান শুরু করেছিল সেনাবাহিনী। ১৫ কর্পের লেফটান্যান্ট জেনারেল জিত সিং ধিঁলো এর নেতৃত্ব দেন। প্রথমে পরিবার ছেড়ে চলে যাওয়া যুবকদের খোঁজ চলতে থাকে। ১৫ কর্প আবার চিনার কর্প হিসেবেও পরিচিত। একদিকে যেমন এই বাহিনী উপত্যকায় অনুপ্রবেশের বিরুদ্ধে লড়াই করে, ঠিক অন্যদিকে, তারা লড়াই করে প্রকৃত নিয়ন্ত্রণ রেখায় পাকিস্তানের বিরুদ্ধে।
লেফটান্যান্ট ধিঁলো সংবাদ মাধ্যমকে জানিয়েছেন, ভাল কাজ কর, মায়ের সেবা কর। কোরানে মায়ের গুরুত্ব এভাবেই ব্যাখ্যা করা হয়েছে। আর এই রাস্তাতেই বিপথে যাওয়া যুবকদের মায়ের কাছে ফিরিয়ে নিয়ে যাওয়া সম্ভব হয়েছে।
লেফটেন্যান্ট জেনারেল ধিঁলো পরিচয় গোপন রেখে অনেক অভিভাবকের বার্তা দেখিয়েছেন। আর জানিয়েছেন, উপত্যকার মানুষের সহযোগিতায় অমূল্য উপহার পাওয়া গিয়েছে। তিনি ১৯৮৮ সাল থেকে উপত্যকায় কাজ করছেন। তিনি জানিয়েছেন, অনেক সময়ই মাঝপথে এনকাউন্টার থেমে গিয়েছে, যুবকদের আত্মসমর্পণের রাস্তা তৈরি করার জন্য।
যখনও খবর পাওয়া গিয়েছে, স্থানীয় জঙ্গি এনকাউন্টারে রয়েছে সেখানে চেষ্টা করা হয়, তাঁর মাকে খুঁজে বের করতে। ছেলের সঙ্গে মায়ের কথা বলানো হয়। অনেক সময় এনকাউন্টার থেমে গিয়েছে, মা ও ছেলের কথোকথনে। সেনার কমান্ডার জানিয়েছেন, এইভাবেই ফিরিয়ে আনা গিয়েছে প্রায় ৫০ জন যুবককে।
লেফটেন্যান্ট ধিঁলো জানিয়েছেন, জঙ্গি দলে যোগ দেওয়া সাত শতাংশ যুবক হাতে অস্ত্র তোলার ১০ দিনের মধ্যে মারা যায়। ৯ শতাংশ মারা যায় একমাসের মধ্যেয়। ১৭ শতাংশ ৩ মাসের মধ্যে, ৩৬ শতাংশ ৬ মাস এবং ৬৪ শতাংশ একবছরের মধ্যে।












Click it and Unblock the Notifications