GPS-নিয়ন্ত্রিত অস্ত্র কিনছে ভারতীয় সেনা, নির্ভূল আঘাত হানবে লক্ষ্যবস্তুতে
GPS-নিয়ন্ত্রিত অস্ত্র কিনছে ভারতীয় সেনা, নির্ভূল আঘাত হানবে লক্ষ্যবস্তুতে
যুদ্ধক্ষেত্রে আরও নির্ভুল হওয়ার পথে ভারতীয় সেনা। যাতে শুধুমাত্র লক্ষ্যবস্তুকেই নিশানা করা যায়, আশেপাশের অঞ্চলে ক্ষয়ক্ষতি না হয়, তার জন্য ১৫৫মিলিমিটার দৈর্ঘবিশিষ্ট ১৯৬৬ রাউণ্ড আর্টিলারি বন্দুকের গুলি কিনতে চলেছে ভারতীয় সেনা। এই মুহূর্তে এত নিপুণ যুদ্ধাস্ত্র নেই ভারতীয় সেনার কাছে।

জানা গিয়েছে, একটি ভারতীয় অস্ত্রনির্মাণকারী সংস্থার কাছ থেকেই এই যুদ্ধাস্ত্র কিনতে চলেছে সেনা। এমনিতে যে সমস্ত গোলাগুলি ব্যবহার করে থাকে সেনা তা অত্যন্ত কার্যকরি হলেও লক্ষ্যবস্তুর পাশাপাশি ধ্বংস করে আরও বেশ খানিকটা অঞ্চল। এই 'এরিয়া ড্যামেজ' কমানোর লক্ষ্য নিয়েই আরও নিপুণ 'টার্মিনাল গাইডেড' গুলি তথা মিসাইল কিনতে চলেছে ভারতীয় সেনা৷ অর্থাৎ অস্ত্রাগারে এই অস্ত্র থাকলে একমাত্র লক্ষ্যবস্তুই ধ্বংস হবে, আশেপাশের অঞ্চলে তার প্রভাব পড়বে না৷
এর আগে ২০১৯ সালে নিজেদের অস্ত্রাগারে মার্কিন এক্সক্যালিবার সামিল করেছিল সেনাবাহিনী। ১৫৫ মিলিমিটারের হাউইৎজারের জন্য কেনা হয়েছিল এটি৷ মার্কিন এই অস্ত্রটি জিপিএসের মাধ্যমে নিজের লক্ষ্যতে নির্ভুলভাবে আঘাত হানে৷ অবশ্য এরকম আরও অস্ত্র রয়েছে ভারতীয় সেনার কাছে। সাধারণ আর্টিলারি ফায়ারিংয়ের সময় সেগুলি বহুক্ষেত্রেই ব্যবহার করে ভারতীয় সেনা। তবে শুধু গুলি নয়, আর্টিলারি বন্দুকেরও ক্ষমতা বৃদ্ধির পথে হাঁটছে সেনাবাহিনী। শুক্রবার তারা জানিয়েছে, ২০২০ সালের সুরক্ষা অধিগ্রহণ প্রোজেক্টের অন্দরে সেগুলি কেনা হবে৷ সেনার বক্তব্য, এভাবেই ভবিষ্যতের দিকেও পা বাড়াচ্ছে তারা৷ অধিকাংশ আর্টিলারিই এবার থেকে ১৫৫ মি.মির এই গুলি ব্যবহার করবে। দেশীয় সংস্থার কাছ থেকে এই গুলি কিনলে খরচও কম হবে দেশের৷
জানা গিয়েছে, প্রথমে পরীক্ষা করার জন্য ২৫ রাউন্ড গুলির বরাত দেবে সেনা। সফলভাবে সেগুলি প্রয়োগ করা গেলে তবে ১৯৯৬ রাউন্ড গুলি কেনার পথে হাঁটবে তারা৷ এই অত্যাধুনিক গুলির গতিপথও বদলানো যাবে৷ লক্ষ্যবস্তুর অবস্থান বদলালে এটিও নিজের পথ বদল করবে৷ গুলিটি ছোঁড়ার পর স্যাটেলাইট মারফৎ নির্দেশ দেওয়া যাবে।












Click it and Unblock the Notifications