পুলিশের গুলিতে নিহত অ্যাপেল কর্তা! বাংলার পর যোগী রাজ্যেও কাঠগড়ায় প্রশাসন
উত্তর প্রদেশের রাজধানী লখনৌর গোমতী নগরে পুলিশের গুলিতে খুন অ্যাপেল ইন্ডিয়ার প্রেসিডেন্ট বিবেক তিওয়ারি। রাজ্য পুলিশ তাঁকে গুলি করে খুন করেছে বলে অভিযোগ।এখনও পর্যন্ত এই ঘটনায় ২ পুলিশকর্মী গ্রেফতার।
উত্তর প্রদেশের রাজধানী লখনৌর গোমতী নগরে পুলিশের গুলিতে খুন অ্যাপেল ইন্ডিয়ার প্রেসিডেন্ট বিবেক তিওয়ারি। রাজ্য পুলিশ তাঁকে গুলি করে খুন করেছে বলে অভিযোগ। এখনও পর্যন্ত এই ঘটনায় দুই পুলিশকর্মীকে গ্রেফতার করা হয়েছে।

সন্দেহজনকভাবে গাড়ি চালিয়ে যাওয়ার অভিযোগে, থামাতে বলা হয়েছিল অ্যাপেল ইন্ডিয়ার কর্মী বিবেক তিওয়ারিকে। এই সময়ই এক পুলিশ কনস্টেবল তাঁর গাড়ি লক্ষ্য করে গুলি চালায় বলে অভিযোগ। গুরুতর আহত অবস্থায় লোহিয়া হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হলে, বিবেককে মৃত বলে ঘোষণা করেন চিকিৎসকরা।
পুলিশ সূত্রে দাবি করা হয়েছে, পুলিশের বাইকে চাপা দিতে গিয়েছিলেন বিবেক তিওয়ারি। গাড়ি এবং বিবেক তিওয়ারির গায়ে বুলেট লাগার পর গাড়িটি দুর্ঘটনাতেও পড়ে।
অভিযুক্তের বিরুদ্ধে ভারতীয় দণ্ডবিধির ৩০২ ধারায় মামলা দায়ের করা হয়েছে। যদি ময়নাতদন্তের আগে কোন আঘাতে বিবেক তিওয়ারির মৃত্যু হয়েছে, তা জানাতে রাজি হননি এসএসপি কালানিধি নৈথানি। এক্ষেত্রে দুর্ঘটনা কিংবা বুলেটের আঘাত, কোন আঘাতে মৃত্যু, তা নিয়ে নাকি প্রশ্ন রয়েছে প্রশাসনের অন্দরে।
অভিযুক্ত কনস্টেবল প্রশান্ত চৌধুরী এবং তাঁর সহযোগী সন্দীপকে হেফাজতে নেওয়া হয়েছে বলে জানিয়েছেন এসএসপি।
উত্তর প্রদেশের মুখ্যমন্ত্রী যোগী আদিত্যনাথের কাছে অপরাধ স্বীকারের দাবি জানিয়েছেন মৃত বিবেক তিওয়ারির স্ত্রী কল্পনা তিওয়ারি। তাঁর স্বামীকে হত্যার কোনও অধিকার পুলিশের নেই বলে দাবি করেছেন কল্পনা। মুখ্যমন্ত্রী যোগী আদিত্যনাথের উচিত তাঁর সঙ্গে গিয়ে কথা বলা, এমনটাও দাবি করেছেন কল্পনা তিওয়ারি।
অন্যদিকে উত্তর প্রদেশের উপ মুখ্যমন্ত্রী কেশবপ্রসাদ মৌর্য বলেছেন, বিষয়টি বিচারাধীন। পুলিশের গুলিতে যদি নিরাপরাধ ব্যক্তির মৃত্যু হয়ে থাকে, তাহলে পুলিশি তদন্ত হবে। ঘটনায় যিনিই অভিযুক্ত হবেন, তার বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া হবে বলে আশ্বাস দিয়েছেন উপমুখ্যমন্ত্রী।












Click it and Unblock the Notifications