ফাঁসির বিকল্প হিসেবে যন্ত্রণাহীন পন্থার খোঁজ, কেন্দ্রকে নোটিশ সর্বোচ্চ আদালতের
মৃত্যুদণ্ড হিসেবে ফাঁসি কতটা যথাযথ তা নিয়ে প্রশ্ন তুলল সুপ্রিম কোর্ট। ফাঁসির পরিবর্তে মৃত্যুদণ্ড হিসেবে অন্য কিছু ভাবা যায় কিনা তা নিয়ে কেন্দ্রকে বলেছে সর্বোচ্চ আদালত।
মৃত্যুদণ্ড হিসেবে ফাঁসি কতটা যথাযথ তা নিয়ে প্রশ্ন তুলল সুপ্রিম কোর্ট। ফাঁসির পরিবর্তে মৃত্যুদণ্ড হিসেবে অন্য কিছু ভাবা যায় কিনা তা নিয়ে কেন্দ্রকে বলেছে সর্বোচ্চ আদালত। এক্ষেত্রে অ্যাটর্নি জেনারেলকে দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে।

প্রধান বিচারপতি দীপক মিশ্র, বিচারপতি এএম খানউইলকর এবং ডিওয়াই চন্দ্রচূড় জানিয়েছেন, ফাঁসির সাজা যথেষ্ট যন্ত্রণাদায়ক। তাই সরকার এবং সংসদ বিষয়টি নিয়ে ভেবে দেখুক। কেন্দ্রকে নোটিশ দিয়ে বিষয়টি নিয়ে ৩ সপ্তাহ দিয়েছে সর্বোচ্চ আদালত।
আইনজীবী ঋষি মালহোত্রা ফাঁসি নিয়ে একটি জনস্বার্থ মামলা দায়ের করেছিলেন। যেখানে ফাঁসির সাজাকে যন্ত্রণাদায়ক হিসেবে বর্ণনা করে, এর থেকে আরও সহজ উপায়ে মৃত্যুদণ্ড কার্যকর করা যায় কিনা, আবেদনে তাও বলা হয়েছিল। আবেদনে আইন কমিশনের রিপোর্টও তুলে ধরেছিলেন আবেদনকারী। যেখানে কমিশন মৃত্যুদণ্ডের অন্য উপায় ভাবতে বলেছিল। তিনি জানান, বহু দেশ ইতিমধ্যেই ফাঁসি সাজা তুলে দিয়ে, বিষ ইনজেকশন, গ্যাস চেম্বার, ইলেকট্রিক শক কিংবা গুলির মতো পদ্ধতি অবলম্বন করে।
মৃত্যুদণ্ড হিসেবে ফাঁসির সাজা তুলে দিতে আবেদনকারীর সঙ্গে সহমত পোষণ করেছেন বিচারপতিরা। সংবিধানের ৩৫৩ নং ধারা অনুযায়ী, ফাঁসির মাধ্যমে মৃত্যুদণ্ডকেই সুপ্রিমকোর্ট স্বীকৃতি দিয়েছিল এবং বাধ্যতামূলক করেছিল। কিন্তু কালের বিবর্তনের সঙ্গে বিজ্ঞানও কম কষ্টে মৃত্যুদণ্ডের দিকটি খুলে দিয়েছে। সেই দিকগুলিও পরীক্ষা করে দেখা উচিৎ বলে মন্তব্য করেছে সুপ্রিমকোর্টের ডিভিশন বেঞ্চ।
শুনানিতে প্রধান বিচারপতি বলেছেন, আমাদের দেশের সংবিধান দয়াশীল, যা মানুষের জীবনের পরিত্রতাকে রক্ষা করে। অন্যদিকে, বিচারপতি চন্দ্রচূড় জানান, আমেরিকায় মৃত্যুদণ্ডের ক্ষেত্রে ইনজেকশন ব্যবহার করা হয়, সেক্ষেত্রে অন্তত ৪৫ মিনিট যন্ত্রণা পেতে হয় সাজাপ্রাপ্ত আসামিকে।












Click it and Unblock the Notifications