অক্সিজেন সিলিন্ডার থেকে নেবুলাইজার, সব নিয়ে তিহাড়ের সায়গল হোসেনের পাশের সেলেই ঠাঁই হয়েছে কেষ্টর
তিহাড় জেলে সায়গল হোসেনের পাশের সেলেই ঠাঁই হয়েছে অনুব্রত মণ্ডলের। ৭ নম্বর সেলে রাখা হয়েছে তাঁকে। অনুব্রত মণ্ডলের দেহরক্ষী ছিলেন সায়গল হোসেন। শেষবেলায় দিল্লিতে ইডির জেরার মুখে সায়গল হোসেনের উপরেই সব দায় চাপিয়ে দেওয়ার চেষ্টা করেছেন কেষ্ট। এদিকে কেষ্ট তিহাড়ে ঢুকতেই বীরভূমে সুর চড়াতে শুরু করেছেন কাজল শেখ।

তিহাড় জেলে অনুব্রত
শারীরিক অসুস্থতা নিয়েই শেষ পর্যন্ত তিহাড় জেলে যেতে হল অনুব্রত মণ্ডলকে। দিল্লির রাউস অ্যাভিনিউ আদালত গতকাল তাঁকে ১৩ দিনের জেল হেফাজতের নির্দেশ দিয়েছে। সেই নির্দেশ মেনেই কেষ্টকে দিল্লির দুর্ভেদ্য তিহাড় জেলে নিয়ে যাওয়া হয়। সেখানে একেবারে তাঁর দেহরক্ষী সায়গল হোসেনের পাশে ৭ নম্বর সেলে ঠাঁই হয়েছে। অক্সিজেন িসলিন্ডার থেকে শুরু করে নেবুলাইজার সব বন্দোবস্তই সেলে রাখা হয়েছে। বুধবার তাঁর আইনজীবী সেখানে িগয়ে খোঁজ খবর নেন। তাঁকে ঠিক মত মেডিকেল পরিষেবা দেওয়া হচ্ছে িকনা তার খোঁজ খবর নেন।

প্রথম রাতেই বিস্তর অভিযোগ কেষ্টর
তিহাড় জেলে প্রথম রাত একেবারেই ভাল কাটেনি অনুব্রত মণ্ডলের। প্রথম রাতেই বেশ অসুস্থ হয়ে পড়েছিলেন তিনি। কারণ প্রেসক্রিপশন অনুযায়ী ওষুধ দেওয়া হলেও পরিচিকত ওষুধের পাতা না দেখতে পেয়ে বেশ সমস্যায় পড়েছিলেন কেষ্ট। রাতে রুটি সবজি দেওয়া হলেও তিনি সেটা খাননি। পরে ডাল-ভাত-সবজি খেয়েছেন। সূত্রের খবর তিহাড় জেলে প্রথম রাতে ভাল ঘুমও হয়নি অনুব্রত মণ্ডলের। মোটের উপর তিহাড় জেলে প্রথম রাত একেবারেই ভাল কাটেনি অনুব্রত মণ্ডলের।

বীরভূমে সুর চড়াচ্ছেন কাজল শেখ
অনুব্রত মণ্ডল তিহাড় জেলে ঢুকতেই নানুরের তৃণমূল কংগ্রেস নেতা কাজল শেখের সুর বদলে গিয়েছে। গতকাল বীরভূমের একটি কর্মিসভায় বেশ দাপুটে সুর শোনা গিয়েছে কাজল শেখের কণ্ঠে। অনুব্রত মতই খেলা হবে বলে হুঁশিয়ারি দিয়েছেন। কেষ্ট তিহাড় জেলে ঢুকতেই কেষ্ট ঘনিষ্ঠ অনেক নেতাকেই সরিয়ে দিয়েছে তৃণমূল কংগ্রেস নেতৃত্ব। তাতে দলের ভালই হয়েছে বলে ইঙ্গিত দিয়েছেন কাজল শেখ। তিনি বলেছেন যাঁরা দলে লুটে পুটে খাচ্ছিলেন তাঁদের সরিয়ে দিয়ে অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায় ভালই সিদ্ধান্ত নিয়েছেন।

কেষ্টকে কি ঝেড়ে ফেলতে চাইছে তৃণমূল
কেষ্টকে তিহাড়ে নিয়ে যাওয়ার দিনেই সাংবাদিক বৈঠকে শশী পাঁজা যে মন্তব্য করেছেন তাতে নতুন জল্পনা তৈরি হয়েছে। কেষ্টকে ছোট খাট জেলা সভাপতি বলেছেন শশী পাঁজা। তারপর থেকেই জল্পনা শুরু হয়ে গিয়েছে। এবার কি তাহলে কেষ্টকে ঝেড়ে ফেলতে চাইছে শাসক দল। যদিও কয়েকদিন আগে বীরভূমে গিয়ে কেষ্টর পাশে থাকার বার্তাই দিয়েছিলেন সুপ্রিমো মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়।












Click it and Unblock the Notifications