Anubrata Mondal: দিল্লি হাইকোর্টে স্বস্তি অনুব্রত মণ্ডলের! ৯ জানুয়ারি পর্যন্ত কার্যকর নয় ইডির ওয়ারেন্ট
দিল্লি হাইকোর্টে স্বস্তি পেলেন তৃণমূলের বীরভূম জেলা সভাপতি অনুব্রত মণ্ডল। মঙ্গলবার দলীয় কর্মীকে মারধরের ঘটনার অভিযোগে তাঁকে সাতদিনের পুলিশি হেফাজতের নির্দেশ দেয় দুবরাজপুর আদালত। অন্যদিকে অনুব্রত মণ্ডলের আইনজীবীরা দিল
দিল্লি হাইকোর্টে স্বস্তি পেলেন তৃণমূলের বীরভূম জেলা সভাপতি অনুব্রত মণ্ডল। মঙ্গলবার দলীয় কর্মীকে মারধরের ঘটনার অভিযোগে তাঁকে সাতদিনের পুলিশি হেফাজতের নির্দেশ দেয় দুবরাজপুর আদালত।
অন্যদিকে অনুব্রত মণ্ডলের আইনজীবীরা দিল্লি হাইকোর্টে দিল্লিরই রাউস এভিনিউ কোর্টের ইডিকে দেওয়া প্রোডাকশন ওয়ারেন্টের বিরুদ্ধে আবেদন করেন।

প্রোডাকশন ওয়ারেন্ট পাওয়া গিয়েছে
সোমবার রাউস এভিনিউ আদালতের তরফে অনুব্রত মণ্ডলের জন্য প্রোডাকশন ওয়ারেন্ট জারি করা হয়। এব্যাপারে ইডির আবেদন মঞ্জুর করেন বিচারক। এই সময় পর্যন্ত গরুপাচার মামলায় আসানসোল জেরে বন্দি ছিলেন অনুব্রত মণ্ডল। বিশেষ বিচারক রঘুবীর সিং সোমবার আদেশ দিয়ে বলেছিলেন তারা ইডির আবেদন মঞ্জুর করছেন এবং প্রোডাকশন ওয়ারেন্ট জারি করেছেন। ইডি অনুব্রত মণ্ডলকে দিল্লিতে নিয়ে গিয়ে জেরা করতে চেয়েছিল। তাঁকে তিহার জেলে বন্দি থাকা সায়গল হোসেনের মুখোমুখি বসিয়ে জেরার সম্ভাবনাও ছিল। ইডির তরফে অনুব্রত মণ্ডলকে দিল্লি নিয়ে যাওয়ার প্রস্তুতিও শুরু করে দেওয়া হয়েছিল। কিন্তু দিল্লি যাত্রা ঠেকাতে তৎপর হয়ে উঠেছিলেন অনুব্রত মণ্ডল।

ইডি ওয়ারেন্ট কার্য করতে পারে না
এরই মধ্যে অনুব্রত মণ্ডলের আইনজীবী অভিষেক মনু সিংভি রাউস এভিনিউ আদালতের রায়কে চ্যালেঞ্জ করে দিল্লি হাইকোর্টের দ্বারস্থ হন। বুধবার বিষয়টি নিয়ে শুনানি হয়। শুনানিতে ইডির তরফে জানানো হয়, তারা পশ্চিমবঙ্গ পুলিশকে প্রোডাকশন ওয়ারেন্টের কথা জানিয়েছিলেন। তারপরেই তাঁকে পশ্চিমবঙ্গের পুলিশ গ্রেফতার করে হেফাজতে নিয়েছে।

আপাতত প্রোডাকশন ওয়ারেন্ট কার্যকর নয়
এদিনের শুনানিতে অনুব্রত মণ্ডলের আইনজীবীরা ইডির পাওয়া প্রোডাকশন ওয়ারেন্টের বিরোধিতা করেন। সেই সময় ইডির তরফে ৯ জানুয়ারি পর্যন্ত প্রোডাকশন ওয়ারেন্ট কার্যকর করা হবে না বলে জানিয়ে দেওয়া হয়। দিল্লি হাইকোর্টে এই মামলার পরবর্তী শুনানির দিন ধার্য হয়েছে ৯ জানুয়ারি।
এর আগে অবশ্য দিল্লি হাইকোর্ট নির্দেশ দিয়েছিল অনুব্রত মণ্ডলের ব্যাপারে সব সিদ্ধান্ত নেবে রাউস এভিনিউ কোর্ট। তবে মঙ্গলবার সেই আদালতের রায়কেই চ্যালেঞ্জ করে দিল্লি হাইকোর্টে আবেদন করেন অনুব্রত মণ্ডলের আইনজীবী। তবে অনুব্রত মণ্ডলকে দিল্লিতে নিয়ে যাওয়ার ব্যাপারে রাউস এভিনিউ কোর্টে শুনানিতে অনুব্রত মণ্ডলের অপর আইনজীবী কপিল সিবালের সওয়াল ধোপে টেকেনি।

দুবরাজপুর থানায় অনুব্রত মণ্ডল
দলীয় এক কর্মীকে মারধরে অভিযোগে মঙ্গলবার অনুব্রত মণ্ডলকে দুবরাজপুর আদালতে তোলা হয়। আদালতের তরফে অনুব্রত মণ্ডলকে সাতদিনের পুলিশি হেফাজতের নির্দেশ দেওয়া হয়। সূত্রের খবর অনুযায়ী, দুবরাজপুর থানায় থাকলেও অনুব্রত মণ্ডল তাঁর কাছের লোকেদের চোখের দেখা দেখতে পেয়েছেন। যা সম্ভব হয়েছে দলীয় কর্মী শিব ঠাকুরের করা মামলার জেরে।












Click it and Unblock the Notifications