চিন আরও এক বিপর্যয় ডেকে আনছে ভারতের জন্য়! আইসিএমআর এর কোন সতর্কবার্তা
চিন আরও এক বিপর্যয় ডেকে আনছে ভারতের জন্য়! আইসিএমআর এর কোন সতর্কবার্তা
বিশ্বের তাবড় দেশগুলি করোনার আঁতুরঘর হিসাবে চিনকে কাঠগড়ায় তুলেছে। সরাসরি আমেরিকা এই নিয়ে চিনের বিরুদ্ধে তোপ দেগেছে। এদিকে, করোনায় যখন ভারত কার্যত পর্যুদস্ত তখন চিন লাদাখে হামলা চালিয়েছে। আর এমন অক পরিস্থিতিতে চিন ভারতের বুকে আরও সর্বনাশ ঘটাতে পারে বলে আশঙ্কা। এবার আশঙ্কা নতুন এক ভাইরাস ঘিরে।

ক্যাট ক্যু ভাইরাস ও তথ্য
ইন্ডিয়ান কাউন্সিল অফ মেডিক্যাল রিসার্চ জানিয়েছে, চিন থেকে আরও এক নতুন ভাইরাস ভারতের নয়া রোগের সঞ্চার ঘটাতে পারে। গোটা চিন ও ভিয়েৎনাম জুড়ে এই ভাইরাস ছাড়ানোর পর তা ভারতে মাথাব্যাথার কারণ হয়ে উঠছে।

কীভাবে ছড়ায়?
মূলত, মশা শুয়োরের থেকে এই ধরনের ভাইরাস ছড়িয়ে যায়। এছাড়াও শালিকের দেহ থেকে এই ভাইরাস ছড়াতে পারে বলে । পুনেতে ইনস্টিটিউট অফ ভাইরোলজির পরীক্ষাগারে দেখা গিয়েছে, এই ভাইরাস ভারতে ২০১৪ ও ২০১৭ সালে এসেছিল। ৮৮৩ টি নমুনা পরীক্ষা করে প্রতিষ্ঠান দেখেছে , এই ভাইরাস আগে কর্ণাটকে দংশন করে গিয়েছে।

কেন ভারতের জন্য আশঙ্কা
দেখা গিয়েছে, ভারতে মশার যে প্রজাতি রয়েছে তার ৩ টি প্রজাতি থেকেই সহজে ১৩০ কোটি জনমানসে এই রোগ ছড়াতে পারে। আপাতত দেশের তিনটি বিশেষ ধরনের মশার প্রজাতির ওপর পরীক্ষা নীরিক্ষা চালাচ্ছে পুনের ভাইরোলজি ইনস্টিটিউট।

অ্যান্টিবডি কোথা থেকে পাওয়া যাচ্ছে?
জানা গিয়েছে, মশার দেহ বাহিত এই রোগের জন্য অ্যান্টিবডি পাওয়া গিয়েছে শুয়োরের দেহ থেকে। চিনে এমন অ্যান্টিবডির খোঁজ শুয়োরের দেহ থেকে মিলেছে।












Click it and Unblock the Notifications