Anna Bhagya: FCI-কে নির্দেশ মোদী সরকারের! কর্নাটক সরকারের 'আন্না ভাগ্য' প্রকল্পে ধাক্কা
মোদী সরকার ফুড কর্পোরেশন অফ ইন্ডিয়াকে খোলা বাজারে চাল বিক্রি করতে নিষেধ করায় কর্নাটক সরকার আন্না ভাগ্য (Anna Bhagya) প্রকল্পে কার্যত ধাক্কা খেল। কর্নাটকে কংগ্রেস সরকার সবে ক্ষমতায় এসেছে। কংগ্রেসের অন্যতম প্রতিশ্রুতি ছিল 'আন্না ভাগ্য' প্রকল্প।
কংগ্রেস কর্নাটকবাসীকে যে পাঁচটি প্রতিশ্রুতি দিয়েছিল তার মধ্যে একটি ছিল আন্না ভাগ্য (Anna Bhagya) প্রকল্প। এই প্রকল্পের অধীনে দারিদ্র সীমার নিচে এবং অন্ত্যোদয় কার্ডধারীদের জন্য ১০ কেজি করে চাল দেওয়ার প্রতিশ্রুতি দিয়েছিল। ক্ষমতায় আসার পরেই কর্নাটকের কংগ্রেস সরকার এই প্রকল্প ১ জুলাই থেকে চালু করার কথা ঘোষণা করেছিল।

মুখ্যমন্ত্রী সেই সময় জানিয়েছিলেন, এই প্রকল্প (Anna Bhagya) চালু রাখতে রাজ্য সরকারের প্রতিমাসে ২.২৮ লক্ষ মেট্রিক টন চালের প্রয়োজন হবে। এব্যাপারে ৯ জুন কর্নাটক সরকার এফসিআইৃ-এর সঙ্গে যোগাযোগ করে। এই প্রকল্পের বাস্তবায়নে ৮৪০ কোটি টাকা খরচও ধরা হয়েছিল কর্নাটক সরকারের তরফে।
এফসিআইকে বাইরে চাল বিক্রি না করতে কেন্দ্রীয় সরকারের নির্দেশকে গরিব বিরোধী বলে আক্রমণ করেছেন কর্নাটকের মুখ্যমন্ত্রী সিদ্দারামাইয়া। এটি কর্নাটকের কংগ্রেস সরকারের ওপরে আঘাত বলেও মন্তব্য করেছেন তিনি।
তীব্র ক্ষোভ প্রকাশ করে মুখ্যমন্ত্রী বলেছেন, কেন্দ্রীয় সরকারের উচিত হয়নি এই (Anna Bhagya) প্রকল্পকে রাজনীতিকরণ করা। তিনি বলেন, এফসিআই কর্নাটক সরকারকে প্রয়োজনীয় চাল সরবরাহ করতে সম্মত হওয়ার একদিন পরে এই সিদ্ধান্ত ঘোষণা করে কেন্দ্র গরিব বিরোধী অবস্থান নিয়েছে।

প্রসঙ্গত কেন্দ্রীয় সরকারের তরফে ১৩ জুনের চিঠিতে এফসিআইকে বলা হয়েছে, ক্রবর্ধমান দাম কমাতে ই-নিলামের মাধ্যমে কেন্দ্রীয় স্টক থেকে ১৫ লক্ষ মেট্রিকটন ময়দা মিল ও ব্যক্তিগত ব্যবসায়ী এবং গমের থেকে পণ্য প্রস্তুতকারকদের দেওয়া যেতে পারে।
তবে কেন্দ্রীয় সরকারের নির্দেশের বাইরে রাখা হয় উত্তর-পূর্ব এবং পার্বত্য রাজ্যগুলিকে। বিশেষ করে যেসব জায়গায় আইনশৃঙ্খলাজনিত সমস্যা এবং প্রাকৃতিক দুর্যোগের মুখোমুখি সেইসব রাজ্যগুলিকে এই নির্দেশের বাইরে রাখা হয়েছে।












Click it and Unblock the Notifications