আর ভ্যালু কমাতেই কমছে সংক্রমণের গ্রাফ? তবে কী পূর্বাভাস মিথ্যে করে তৃতীয় ঢেউ রুখবে ভারত?
আর ভ্যালু কমাতেই কমছে করোনা সংক্রমণের গ্রাফ? কী বলছেন বিশেষজ্ঞরা
অক্টোবরের শুরু থেকে গোটা দেশে আছড়ে পড়তে পারে করোনা ভাইরাসের(Coronavirus) তৃতীয় ঢেউ। সম্প্রতি একাধিকবার এমনই পূর্বাভাস দিয়েছেন বিশেষজ্ঞরা। এমনকী গত কয়েক সপ্তাহে গোটা দেশে সংক্রমণও বেড়েছে অনেকটাই। যদিও সংক্রমণের গতি ছিল অনেটাই মন্থর।আর এর পিছনে আর ভ্যালুর পরিসংখ্যানের কথাই বলছেন বিশেষজ্ঞরা। স্বাস্থ্যমন্ত্রকের সাম্প্রতিকতম পরিসংখ্যান অনুযায়ী, গত ২৪ ঘণ্টায় করোনা ভাইরাসে আক্রান্ত হয়েছেন দেশের ২৬,১১৫ জন। বেশ কয়েকদিন পর দেশের দৈনিক সংক্রমণ এতটা কমল।

দেখা যাচ্ছে নতুন আশার আলো
পরিসংখ্যান বলছে বর্তমানে গোটা দেশে আর ভ্যালু রয়েছে ১-র নীচে। আর এখানেই নতুন আশার আলো দেখছে স্বাস্থ্য মন্ত্রক। এটা থেকেই স্পষ্ট যে ধীরে ধীরে কমছে মহামারির প্রকোপ। আশা করা যায় দ্রুত মৃত্যু হারও নিয়ন্ত্রণের মধ্যে চলে আসবে বলেও মত দিচ্ছেন বিশেষজ্ঞরা। অন্যদিকে আর ভ্যালু পারাপতন থেকে একটা বিষয় স্পষ্ট যে গোটা দেশে ক্রমেই কমছে চিকিৎসাধীন রোগীর সংখ্যা।

কী এই আর ভ্যালু
এদিকে ভাইরাসের প্রজনন সংখ্যাকেই মূলত বলা হয় আর ভ্যালু বা রিপ্রোডাকটিভ ভ্যালু। একজন সংক্রামিত ব্যক্তির দ্বারা গড় সংক্রমণের হিসাব করতেই এই আর ভ্যালু যাচাই করে থাকেন বিশেষজ্ঞরা। এদিকে গত একদিনে ভারতে করোনার কারণে মারা গিয়েছেন ২৫২জন। গত ২৪ ঘণ্টায় মহামারীর কবল থেকে সুস্থ হয়ে উঠেছেন ৩৪,৪৬৯ জন।

এন্ডেমিক পর্যায়ে চলে এসেছে ভারত
অন্যদিকে অগাস্টের শেষের দিকে বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার প্রধান বিজ্ঞানী সৌম্যা স্বামীনাথন জানিয়েছিলেন, ভারতে করোনা এখন এন্ডেমিক পর্যায়ে চলে গেছে। এন্ডেমিক মানে হচ্ছে যখন মানুষ একটা রোগকে সঙ্গে নিয়ে বাঁচতে শিখে যায়। ভারতও এখন সেই পর্যায়ে রয়েছে। সিংহভাগ রোগীরই হয়ে গিয়েছে টিকাকরণ। কোটি কোটি মানুষের মধ্যে তৈরি হয়ে গিয়েছে করোনা অ্যান্টিবডি। আর তাতেই মিলছে করোনা মুক্তি।

একনজরে ভারতের করোনা পরিসংখ্যান
এদিকে গত বেশ কয়েকদিন ৩০ হাজারের বেশি দৈনিক সংক্রমণের পর মঙ্গলবার কোভিড গ্রাফে নতুন করে পতনেই স্পষ্ট, তৃতীয় ঢেউ রুখে দিতে হয়তো পেরে যাবে ভারত, এমনটাই মনে করছেন বিশেষজ্ঞরা। এদিকে বর্তমানে দেশে মোট করোনা আক্রান্তের সংখ্যা ৩ কোটি ৩৫ লক্ষ ৪ হাজার ৫৩৪। এর মধ্যে অবশ্য ৩ কোটি ২৭ লক্ষ ৪৯ হাজার ৫৭৪ জনই সুস্থ হয়ে ঘরে ফিরেছেন বলে জানা যাচ্ছে। যদিও এখও সর্বাধিক সক্রিয় রোগীর সংখ্যা রয়েছে মহারাষ্ট্র আর কেরলেই।












Click it and Unblock the Notifications