কালো ছত্রাকের করাল থাবা চওড়া হচ্ছে দিল্লি, জীবনদায়ী এই ওষুধের ঘাটতিই আরও বাড়াচ্ছে উদ্বেগ
দিল্লিতে ব্ল্যাক ফাঙ্গাসের ব্যাপক সংক্রমণ, উদ্বেগ বাড়াচ্ছে অ্যামফোটারিকিন বি-র ঘাটতি
মহারাষ্ট্রের পর এবার গোটা দিল্লি জুড়েই উদ্বেগ বাড়াচ্ছে ব্ল্যাক ফাঙ্গাস। ইতিমধ্যেই তিনশোর বেশি আক্রান্তের খোঁজও মিলেছে বলে জানা যাচ্ছে। যদিও বর্তমানে কার্যত করোনার দ্বিতীয় ঢেউ ঠেকিয়ে অনেকটাই সুস্থ হয়ে উঠছে রাজধানী। কিন্তু নতুন করোনাজয়ীদের মধ্যেই এই কালো ছত্রাকের প্রকোপ বাড়তে থাকায় নতুন করে বাড়ছে উদ্বেগ। আতঙ্ক বাড়ছে করোনার কবল থেকে সুস্থ হয়ে ওঠা মানুষদের মধ্যেও।

কালো ছত্রাকের করাল থাবা আটকাতে এখনও পর্যন্ত অ্যান্টি-ফাঙ্গাল ওষুধ লাইপোসোমাল অ্যামফোটারিকিন বি-কেই সর্বাধিক নির্ভরযোগ্য ওষুধ বলে মনে করা হচ্ছে। কালো ছত্রাকের থাবা চওড়া হতেই অন্যান্য রাজ্যের পাশাপাশি দিল্লিতে দেখা দিয়েছে ঘাটতি. এদিকে চাহিদা উঠেছে তুঙ্গে। ভাঁড়ারে টান পড়ায় আতঙ্কে প্রহর গুনছে দিল্লির একাধিক বেসরকারি হাসপাতাল।
পাশাপশি লাইপোসোমাল অ্যাম্ফোটেরিসিন বি ইঞ্জেকশনের চাহিদাও আগের থেকে কয়েকগুণ বেড়ে গিয়েছে বলে জানা যাচ্ছে। অন্যদিকে শুধুমাত্র মিউকরমাইকোসিস বা কালো ছত্রাকের চিকিৎসার জন্য আলাদা পরিষেবাও দেওয়া হচ্ছে একাধিক জায়গায়। খোলা হয়েছে ভিন্ন স্বাস্থ্য কেন্দ্র। পাশাপাশি রাজধানীতে বর্তমানে ১৫টি হাসপাতালেও এই রোগের আলাদা করে চিকিৎসার ব্যবস্থা করা হয়েছে।
এদিকে দিল্লি সরকার পরিচালিত লোক নায়ক জয় প্রকাশ নারায়ণ হাসপাতাল ও শাহদারার গুরু তেগ বাহাদুর হাসপাতালে গত একদিনে কালো ছত্রাকে আক্রান্ত আরও ৩৬ জন রোগীর খোঁজ মিলেছে বলে জানা যাচ্ছে।এদিকে পরিসংখ্যান বলছে লোক নায়ক জয় প্রকাশ নারায়ণ হাসপাতালে বর্তমানে ৩৬ জন ব্ল্যাক ফাঙ্গাসে আক্রান্ত রোগী ভর্তি আছে। যাদের মধ্যে ৩০ জনই কোভিড পজিটিভ। এমনটাই জানিয়েছেন হাসপাতালের মেডিকেল ডাইরেক্টর সুরেশ কুমার।












Click it and Unblock the Notifications