CAA-র আইন প্রণয়ন! অষ্টমবারের জন্য সময়সীমা বাড়াতে আবেদন অমিত শাহের স্বরাষ্ট্রমন্ত্রকের
চার বছর আগে সংসদে পাশ হওয়ার পর থেকে অকার্যকর রয়ে গিয়েছে নাগরিকত্ব সংশোধনী আইন ২০১৯। নিয়ম তৈরি করতে আরও একটি এক্সটেনশন চেয়েছে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রক। যা এনিয়ে অষ্টমবার। পাকিস্তান, আফগানিস্তান এবং বাংলাদেশ থেকে আসা অ-মুসলিমদের দ্রুত নাগরিকত্ব দিতে এই আইন তৈরি করা হয়।
স্বরাষ্ট্রমন্ত্রকের তরফে আইন প্রণয়ন সংক্রান্ত সংসদীয় কমিটির কাছে চিঠি লিখে সিএএ বিধি প্রণয়নের জন্য সেপ্টেম্বরের শেষ পর্যন্ত সময় চেয়েছে। এক সরকারি আধিকারিক জানিয়েছেন কমিটি সময় বাড়াতে মত দিয়েছে। এর আগে ৩০ জুন পর্যন্ত সময়সীমা বাড়াতে জানুয়ারিতে অনুরোধ করেছিল স্বরাষ্ট্রমন্ত্রক।

প্রসঙ্গত উল্লেখ্য আইনটি ২০১৯-এর ১১ ডিসেম্বর পাশ করানো হয়েছিল। সেই বছরের ১২ ডিসেম্বর তা রাষ্ট্রপতির সম্মতি পেয়েও যায়। সেই সময় সরকারি বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়েছিল আইনটি ২০২০-র ১০ জানুয়ারি থেকে কার্যকর করা হবে।
সংসদীয় কাজের ম্যানুয়ালে উল্লেখ রয়েছে যদি কোনও মন্ত্রক আইন পাশ করানোর পরে ছয় মাসের মধ্যে আইন প্রণয়নের নিয়ম তৈরি করতে না পারে, তাহলে অধস্তন আইন সংক্রান্ত কমিটির কাছে সময় বাড়াতে অনুরোধ করতে পারে।
সিএএ-তে বলা হয়েছে পাকিস্তান, আফগানিস্তান ও বাংলাদেশ থেকে ২০১৪-র ৩১ ডিসেম্বরের আগে আগত হিন্দু, শিখ, পার্সি, খ্রিস্টান, বুদ্ধিস্ট এবং জৈন সম্প্রদায়ভুক্তরা ভারতের নাগরিকত্ব পাবেন। সিএএ থেকে বাদ দেওয়া হয়েছিল উত্তর-পূর্বের অধিকাংশ এলাকাকে।
সংবিধানের ষষ্ঠ তপশিলে অন্তর্ভুক্ত অসম, মেঘালয় ও ত্রিপুরার উপজাতি এলাকা এবং অরুণাচল প্রদেশ, মিজোরাম, নাগাল্যান্ড, মণিপুরকে সিএএ-র বাইরে রাখা হয়েছে। অন্যদিকে সিএএ পাশ হওয়ার পরে অসম, উত্তরপ্রদেশ, কর্নাটক, মেঘালয় ও দিল্লিতে ২০১৯-এর ডিসেম্বর থেকে ২০২০-র মার্চের মধ্যে বিক্ষোভ ও হিংসায় ৮৩ জনের মৃত্যু হয়।












Click it and Unblock the Notifications