উদ্ধব ঠাকরে ঔরঙ্গজেব ভক্ত! অমিত শাহের নিশানায় শরদ পাওয়ার-রাহুল গান্ধীও
মহারাষ্ট্রে বিজেপির অধিবেশন। সেই অধিবেশন থেকেই একসঙ্গে লোকসভার বিরোধী দলনেতা রাহুল গান্ধী, এনসিপি সুপ্রিমো শরদ পাওয়ার এবং শিবসেনা ইউটিবির উদ্ধব ঠাকরেকে তীব্র আক্রমণ করেছেন।
অমিত শাহ উদ্ধার ঠাকরেকে আক্রমণ করতে গিয়ে তাঁকে ঔরঙ্গজেবের ভক্ত বলেছেন। শরদ পাওয়ারকে রাজনৈতিক দুর্নীতির মাস্টারমাইন্ড বলেছেন। রাহুল গান্ধীকে নিশানা করে তিনি বলেছেন, আগামী দিনে তাঁর অহংকার চূর্ণ হবে।

ঔরঙ্গজেব ফ্যান ক্লাবের নেতা উদ্ধব
- অমিত শাহ উদ্ধব ঠাকরেকে ঔরঙ্গজেব ফ্যান ক্লাবের নেতা বলে বর্ণনা করেছেন। তিনি বলেছেন, ঔরঙ্গজেব ফ্যান ক্লাব দেশের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে পারে না। তিনি আরও বলেছেন, পিএফআই সমর্থকদের কোলে বসে রয়েছেন উদ্ধব ঠাকরে। জাকির নায়েককে শান্তির দূত বলে প্রশংসা করা হয়েছে বলেও অভিযোগ করেছেন অমিত শাহ।
- পুনেতে বিজেপির অনুষ্ঠানে অমিত শাহ বলেন, ২৬/১১-র হামলায় দোষী সাব্যস্ত আজমল কাসাবকে বিরিয়ানি পরিবেশনকারীদের সঙ্গে মহারাষ্ট্রে জোট গঠনের জন্য তিনি মহারাষ্ট্রের প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রীর নিন্দা করেন।
- অমিত শাহ বলেন, ঠাকরে এমন লোকেদের সঙ্গে বসেছিলেন, যারা ১৯৯৩-এ মুম্বইয়ে ধারাবাহিক বিস্ফোরণে দোষী ইয়াকুব মেমনের জন্য ক্ষমা চেয়েছিলেন।
দুর্নীতির মাথা শরদ পাওয়ার
- কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ শরদ পাওয়ারকে আক্রমণ করতে গিয়ে বলেন, পাওয়ার সাহেব নতুন বিভ্রম তৈরি করেছেন। তিনি বলেন, মহারাষ্ট্রে যখন বিজেপি ক্ষমতায় আসে, তখন মারাঠারা সংরক্ষণ পায় আর শরদ পাওয়ারের সরকার ক্ষমতায় আসে, তখন মারাঠা সংরক্ষণের অবসান হয়।
- তিনি বলেন, ভারতের রাজনীতিতে দুর্নীতির মাস্টারমাইন্ড হলেন শরদ পাওয়ার। রাজনীতিতে দুর্নীতিকে সাংগঠনিক রূপ দেওয়ার কাজ করেছেন শর পাওয়ার অভিযোগ করেন অমিত শাহ।
অমিত শাহের নিশানায় রাহুল
- রাহুল গান্ধীকে নিশানা করে অমিত শাহ বলেন, মহারাষ্ট্র, ঝাড়খণ্ড ও হরিয়ানায় আসন্ন বিধানসভা নির্বাচনের পরে কংগ্রেস নেতার অহংকার চূর্ণ হবে। কারণ দেশের জনগণ সাম্প্রতিক লোকসভা নির্বাচনে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীকে তাদের অনুমোদনের স্ট্যাম্প করে দিয়েছেন।
বিজেপি কর্মীদের মনোবল বৃদ্ধির চেষ্টা
- রাজ্যের বিজেপি কর্মীদের মনোবল বৃদ্ধির চেষ্টা করতে গিয়ে অমিত শাহ বলেছেন, লোকসভা নির্বাচনে মহারাষ্টচ্রের ফল নিয়ে তাদের হতাশ হওয়া উচিত নয়।
- প্রসঙ্গত, লোকসভায় মহারাষ্ট্রে ৪৮ টি আসন রয়েছে। এর মধ্যে ২০১৯ সালে বিজেপি পেয়েছিল ২৩ টি আসন। আর ২০২৪-এ তা নয়টিতে নেমে এসেছে। সরকারের ভাল কাজ, কল্যাণমূলক প্রকল্প জনগণের কাছে নিয়ে যাওয়ার মাধ্যমে বিধানসভা নির্বাচনে তারা দৃঢ়ভাবে ফিরে আসতে পারে বলেও মন্তব্য করেন তিনি।
- অমিত শাহ বলেন, রাজ্যের প্রতিটি বিজেপি কর্মী দলের জয়ের জন্য চেষ্টা করছে। তিনি দাবি করেন, বিজেপি নেতৃত্বাধীন জোট মহারাষ্ট্র বিধানসভা নির্বাচনে ২০১৪ ও ২০১৯-এর তুলনায় ভাল ফল করবে।












Click it and Unblock the Notifications