অমিত শাহের নিশানায় দেশের অশিক্ষিতরা! ভাল ও খারাপ দেশবাসীর মধ্যে তফাত করলেন কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী
অমিত শাহের নিশানায় দেশের অশিক্ষিতরা! ভাল ও খারাপ দেশবাসীর মধ্যে তফাত করলেন কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী
অশিক্ষিত (uneducated) মানুষদের দেশের বোঝা (burden) বলে মন্তব্য করলেন কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ(amit shah)। পাশাপাশি তিনি বলেছেন, অশিক্ষিত মানুষের কখনই দেশের ভাল মানুষ হতে পারেন না। ক্ষমতায় নরেন্দ্র মোদীর ২০ বছরের পূর্তি উপলক্ষে তিনি সংসদ টিভিতে এক সাক্ষাৎকার দেন। সেখানেই এই মন্তব্য করেন তিনি।

বর্তমান সময়ে স্কুলে অন্তর্ভুক্তি বেড়েছে
প্রথমে গুজরাতের মুখ্যমন্ত্রী, পরে দেশের প্রধানমন্ত্রী হয়েছে নরেন্দ্র মোদী। কেন্দ্রে বর্তমান সরকারের সাফল্য নিয়ে বলতে গিয়ে অমিত শাহ দাবি করেছেন, স্কুলগুলিতে ছাত্রছাত্রীর অন্তর্ভুক্তির সংখ্যা বেড়েছে। যখন এর পর্যালোচনা করা হবে, তখনই বোঝা যাবে দেশের অগ্রগতিতে এর ভূমিকা কী।

দেশের বোঝা
প্রকাশিত খবর অনুযায়ী, এরপরেই কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, একজন অশিক্ষিত ব্যক্তি দেশের পক্ষে বোঝা। তিনি জানেনই না দেশের সংবিধান তাঁকে কী অধিকার দিয়েছে কিংবা তিনি জানেনই না সংবিধানের দ্বারা প্রত্যাশিত কর্তব্য কী। কীভাবে এই ধরনের ব্যক্তি ভাল নাগরিক হতে পারেন, তা নিয়ে প্রশ্ন তুলেছেন অমিত শাহ।

গুজরাতের কাজের বর্ণনা
গুজরাতের মুখ্যমন্ত্রী হিসেবে নরেন্দ্র মোদীর কাজের বর্ণনা দিতে গিয়ে অমিত শাহ বলেছেন, নরেন্দ্র মোদী যখন গুজরাতের মুখ্যমন্ত্রী হন, সেই সময়ে বড় সমস্যা ছিল ড্রপআউট রেট। সেই সময় তিনি (মোদী) নথিভুক্তির এমন পদ্ধতি চালু করেন, যা উৎসবের রূপ নেয় এবং তা পৌঁছে যায় ১০০ শতাংশে। তিনি অভিভাবকদের নিয়ে কমিটি তৈরি করেছিলেন। যদি কোনও শিশু স্কুলে না আসে, তাহলে সেই দায় গিয়ে পড়ত অভিভাবকদের ওপরেই। শিক্ষক-শিক্ষিকাদের দায়বদ্ধতাও নির্দিষ্ট করে দেওয়া হয়েছিল। যার জেরে ড্রপআউট রেট ৩৭ শতাংশ থেকে কমে ১ শতাংশে গিয়ে দাঁড়ায়।

গণতান্ত্রিক নেতা
সাক্ষাৎকারে প্রধানমন্ত্রী মোদীকে গণতান্ত্রিক নেতা বলে বর্ণনা করেন অমিত শাহ। তিনি দাবি করেন, তাঁর (মোদী) সমালোচকরা পর্যন্ত একমত হবেন, যেভাবে কেন্দ্রীয় ক্যাবিনেট যেভাবে চলেছে, আগে সেভাবে চলেনি। মোদী একনায়কের মতো আচরণ করেন, সেই অভিযোগও উড়িয়ে দিয়েছেন অমিত শাহ। তিনি (অমিত শাহ) আরও দাবি করেছেন, প্রধানমন্ত্রী যেকোনও যোগ্য পরামর্শকে গুরুত্ব দিয়েছেন। পাশাপাশি জাতীয় স্বার্থে কোনও সিদ্ধান্ত নেওয়ার ক্ষেত্রে প্রধানমন্ত্রী রাজনৈতিক ঝুঁকিও নিয়েছেন।
অমিত শাহ বলেছেন, তিনি খুব কাছ থেকে নরেন্দ্র মোদী এবং তাঁর কাজ পর্যবেক্ষণ করেছেন। তাঁর মতো শ্রোতা তিনি দেখেননি। প্রধানমন্ত্রীর সবার কথা শোনেন এবং সঠিক সিদ্ধান্তই নেন। অমিত শাহ বলেছেন, মোদী শৃঙ্খলা পছন্দর করেন। তাই কোন বৈঠক যা একেবারে প্রাথমিক, তাকে গোপনীয় হিসেবেই রাখা পছন্দ করেন। সম্মিলিত পরামর্শের পরেই প্রতিটি বৈঠকের ব্যাপারে সিদ্ধান্ত নেওয়া হয় বলেও জানিয়েছেন তিনি। দেশের এবং দেশের মানুষের উপযুক্ত হলে, তা যদি দলীয় সমর্থকদের বিরুদ্ধেও হয়, তেমন সিদ্ধান্ত মোদী নেন বলেও দাবি করেছেন অমিত শাহ।












Click it and Unblock the Notifications