'বিজেপির লুকোনোর কিছু নেই', কংগ্রেসকে চ্যালেঞ্জ ছুড়ে আদানি ইস্যুতে মুখ খুললেন অমিত শাহ
আদানি ইস্যুতে বিরোধীদের চ্যালেঞ্জ ছুড়ে দিয়েছেন অমিত শাহ
আদানি ইস্যুতে এবার প্রকাশ্যে মুখ খুললেন কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ। তিনি দাবি করেছেন আদানি ইস্যুতে লুকোনোর কিছু নেই বিজেপির। প্রমাণ থাকলে বিরোধীরা আদালতে যান। প্রসঙ্গত উল্লেখ্য মোদীর পর বন্ধু আদানিদের বিরুদ্ধে হিন্ডুনবার্গ রিপোর্টে চাঞ্চল্যকর তথ্য প্রকাশ করা হয়েছে। তাঁদের বিরুদ্ধে বেআইনি ভাবে শেয়ার বাজােরর দর বাড়ানোর অভিযোগ উঠেছে।

আদানিদের নিয়ে মুখ খুললেন অমিত শাহ
ত্রিপুরা ভোটের ঠিক আগে এএনআইকে দেওয়া সাক্ষাৎকারে আদানি ইস্যুতে মুখ খুললেন কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ। তিনি বলেছেন আদানিদের হিন্ডেনবার্গ যে রিপোর্ট প্রকাশ করেছে তাতে বিজেপি ভাবিত নয়। বিজেপির লুকোনোরও কিছু নেই। এমনকি এই নিয়ে বিজেপি ভয়ও পাচ্ছে না। অত্যন্ত ক্ষিপ্রতার সঙ্গে কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ এই কথাগুলি বলেছেন। ত্রিপুরায় ভোটের আগে অমিত শাহের এই মন্তব্য বেশ তাৎপর্যপূর্ণ বলে মনে করছে রাজনৈতিক মহল।

বিরোধীদের চ্যালেঞ্জ
আদানিদের নিয়ে হিন্ডেনবার্গ রিপোর্ট প্রকাশ্যে আসার পরেই সংসদে আলোচনার দাবিতে সরব হয়েছিল কংগ্রেস। এমনকী এই নিয়ে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদর বিবৃতি দাবি করেছিলেন তাঁরা। কংগ্রেস নেতা রাহুল গান্ধী সংসদে প্রকাশ্যে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীর সঙ্গে গৌতম আদানির সুসম্পর্কের দাবি করে তাদের সম্পত্তির অস্বাভাবিক বৃদ্ধি নিয়ে সওয়াল করেছিলেন। কংগ্রেসকে এদিন পাল্টা চ্যালেঞ্জ ছুড়ে দিয়েছেন অমিত শাহ। তিিন বলেছেন আদানিদের সঙ্গে বিজেপির কোনও যোগই নেই। বিরোধীদের কাছে প্রমাণ থাকলে তারা সুপ্রিম কোর্টে যেতে পারে।

পাল্টা তোপ অধীরের
অমিত শাহের চ্যালেঞ্জের পাল্টা তোপ দেগেছেন কংগ্রেস নেতা অধীর চৌধুরী। তিনি বলেছেন যদি আদানিদের সঙ্গে মোদীর কোনও যোগাযোগই না থাকে তাহলে কেন সংসদে আলোচনা করতে ভয় পাচ্ছে তারা। সুপ্রিম কোর্টে কমিটি গড়ে ঘটনার তদন্তের আর্জি জানিয়েছে কংগ্রেস। তাতেও কেন রাজি হচ্ছে না মোদী সরকার এই নিয়ে সওয়াল করেছেন প্রদেশ কংগ্রেস সভাপতি। মোদীর সঙ্গে সুসম্পর্কের কারণের গত কয়েক বছরে প্রতিরক্ষা থেকে শুরু করে একাধিক সরকারি পণ্যের বরাত পেয়েছে আদানিরা। কয়েকশো কোটি টাকার সম্পত্তি বৃদ্ধি হয়েছে তাদের।

আদানিদের দুর্নীতি ফাঁস
লোকসভার বাজেট অধিবেশন শুরুর আগেই হিন্ডেনবার্গ রিপোর্টে ফাঁস হয় আদানিদের দুর্নীতির কীর্তি। সেই রিপোর্টে উল্লেখ করা হয়েছে ভারতের এক নম্বর শিল্পপতি আদানিরা বেআইনি ভাবে কারচুপি করে শেয়ার বাজারে নিজেদের সংস্থার শেয়ারের দর বাড়িয়েছে। এমনকী আদানি গোষ্ঠীর সঙ্গে চিনা নাগরিকের যোগাযোগও পাওয়া গিয়েছে। আদানি গোষ্ঠী সেই অভিযোগ অস্বীকার করলেও বিতর্ক মেটেনি। কারণ আদানি গোষ্ঠী এসবিআই সহ একাধিক সংস্থার কাছ থেকে কোটি কোটি টাকা ঋণ নিয়েছে। তারপরেই রিজার্ভ ব্যাঙ্ক সেই ব্যাঙ্কগুলির কাছে রিপোর্ট তলব করে।












Click it and Unblock the Notifications