আসন্ন বিধানসভা নির্বাচনের আগে বাড়ছে চাপ, মোদী-যোগী বৈঠকে কতটা কাটল দ্বন্দ্বের মেঘ?
আসন্ন বিধানসভা নির্বাচনের আগে বাড়ছে চাপ, মোদী-যোগী বৈঠকে কতটা কাটল দ্বন্দ্বের মেঘ?
আসন্ন বিধানসভা নির্বাচনের আগে হাতে মেরেকেটে এক বছরেরও কম সময়। এদিকে তার আগে যোগী-মোদী একাধিক বিতর্কের জেরে বারবার খবরের শিরোনামে উঠে আসছে উত্তরপ্রদেশ। গতকাল কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহের সঙ্গে দেখা করেছিলেন উত্তরপ্রদেশের মুখ্যমন্ত্রী যোগী আদিত্যনাথ। এমতাবস্থায় এবার শুক্রবার প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীর সঙ্গে সাক্ষাৎ করলেন যোগী।

১ ঘণ্টারও বেশি সময় ধরে চলে বৈঠক
মোদীর বাসভবনে ১ ঘণ্টারও বেশি সময় ধরে বৈঠকটি চলে বলে জানা যায়। এদিকে বৃহস্পতিবার থেকেই তিনি দলের শীর্ষ নেতৃত্বের সঙ্গে একের পর এক বৈঠক করছেন। প্রধানমন্ত্রীর পর বিজেপি-র সর্বভারতীয় সভাপতি জেপি নড্ডার সঙ্গেও সাক্ষাৎ করেন আদিত্যনাথ। আসন্ন নির্বাচনে অন্যান্য দলের সঙ্গে জোট নিয়েও তার নাড্ডা-যোগী দীর্ঘ আলোচনা চলে বলে জানা যায়।

মন্ত্রিসভার সম্প্রসারন নিয়েও চলে আলোচনা
এদিকে যোগী সরকারের বিরুদ্ধে কোভিড নিয়ে নানা বিতর্ক উঠেছে। বিরোধীরা তো বটেই, রাজ্য বিজেপি-র অন্দরেও যোগীর ভূমিকা নিয়ে একটা অসন্তোষ দানা বেঁধেছে বলে সূত্রের খবর। এমনকী মন্ত্রিসভার সম্প্রসারন নিয়েও বিগত কয়েকদিন থেকেই একটানা টানাপোড়েনও চলছে। বুধবারই বিজেপিতে যোগ দিয়েছেন রাহুল গান্ধীর তরুণ ব্রিগেডের অন্যতম সদস্য জিতিন প্রসাদ। উত্তরপ্রদেশের ব্রাহ্মণ নেতা হিসাবে পরিচিতি রয়েছে তাঁর।

জিতিনকেই তুরুপের তাস হিসাবে খেলতে চাইছে বিজেপি
এদিকে জিতিনের যোগদানের পরদিন জরুরি তলব করা হয় যোগী আদিত্যনাথকে। তাঁকে এ বার 'তুরুপের তাস' হিসেবেই ব্যবহার করতে চাইছেন কেন্দ্রীয় নেতৃত্ব। অন্যদিকে মুখ্যমন্ত্রী হিসাবে আগামী নির্বাচনেও যোগী আদিত্যনাথের উপরেই দল ভরসা রাখতে চলেছে। তবে অন্য কয়েকটি জায়গায় পরিবর্তনের ইঙ্গিত মিলেছে দলের তরফে। তবে বর্তমান সমস্ত বিতর্ককে পিছনে ঐক্যবদ্ধ জোটের রাস্তাতেই নির্বাচনী জয়ের রাস্তা সুগম করতে চাইছে পদ্ম শিবির।

জোট সঙ্গীদের উপর বিশেষ নজর শাহের
দিকে উত্তরপ্রদেশ বিজেপির দীর্ঘদিনের দোসর আপনা দলের নেত্রী অনুপ্রিয়া প্যাটেলও সম্প্রতি অমিত শাহের সঙ্গে দেখা করেন বলে জানা যায়। এই অনুপ্রিয়া আবার মোদী সরকারের প্রথম ইনিংসে মন্ত্রীও ছিলেন। এদিকে বাংলার নির্বাচনে বড় ধাক্কা খেয়েছে পদ্ম ব্রিগেড। বড় আশা করেও স্বপ্ন সফল হয়নি গেরুয়া শিবিরের। বাংলা জয় অধরাই থেকেছে। এই আবহে আগামী বছর বিধানসভা নির্বাচন যে কোনও যোগী রাজ্যে কোনও মাটিই ছাড়তে ছাইছে মোদী সেনা, তা তাদের বর্তমান ক্রিয়াকলাপেই স্পষ্ট।












Click it and Unblock the Notifications