শ্রীনগরের লালচকে স্বাধীনতা দিবসে উড়বে তেরঙা, পৌঁছচ্ছেন অমিত শাহ
এবার কেন্দ্রের তরফে জম্মু ও কাশ্মীরেই স্বাধীনতা দিবস উদযাপন করার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।
সংবিধানের ৩৭০ ধারায় কাশ্মীরের বিশেষ অবস্থানের অবলুপ্তি এবং রাজ্যকে দ্বিখণ্ডিত করার সিদ্ধান্ত গ্রহণের পর নতুন এক পরিকল্পনা নিয়েছে কেন্দ্র। এবার কেন্দ্রের তরফে জম্মু ও কাশ্মীরেই স্বাধীনতা দিবস উদযাপন করার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। সূত্রের খবর অনুযায়ী, ৭৩ তম স্বাধীনতা দিবসে শ্রীনগরের লালচকে পতাকা তোলা হবে। এব্যাপারে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহই শ্রীনগরে যেতে চেয়েছেন বলে জানা গিয়েছে। ১৬ ও ১৭ অগাস্ট অমিত শাহের লাদাখে যাওয়ার কথা রয়েছে।

কেন্দ্রের ঐতিহাসিক পদক্ষেপ
সূত্রের খবর অনুযায়ী, ভূস্বর্গে স্বাধীনতা দিবস পালন নিয়ে অন্তবর্তী বৈঠক করেছে কেন্দ্র। সম্প্রতি জাতীয় নিরাপত্তা উপদেষ্টা অজিত দোভালও কাশ্মীরে ছিলেন বেশ কয়েকদিন। তিনি পরিস্থিতি পর্যালোচনা করেছেন।
যদি কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী স্বাধীনতা দিবসে লালচকে জাতীয় পতাকা উত্তোলন করেন, তাহলে তা নরেন্দ্র মোদীর নেতৃত্বাধীন এনডিএ সরকারের অপর একটি
ঐতিহাসিক পদক্ষেপ হবে।

১৯৯২-এ কাশ্মীরে জাতীয় পতাকা তুলেছিলেন মোদী
পাকিস্তান ভিত্তিক জঙ্গি সংগঠনগুলির থেকে হুমকি সত্ত্বেও, তৎকালীন আরএসএস প্রচারক নরেন্দ্র মোদী এবং সেই সময়ের বিজেপি সভাপতি মুরলি মনোহর যোশী ১৯৯২-এর ২৬ অগাস্ট শ্রীনগরের লালচকে জাতীয় পতাকা তুলেছিলেন।
এই লালচকেই ১৯৪৮ সালে জাতীয় পতাকা তুলেছিলেন ভারতের প্রথম প্রধানমন্ত্রী জওহরলাল নেহরু।

কেন্দ্রের সম্ভাব্য পদক্ষেপের বিরোধিতা
কেন্দ্রের সম্ভাব্য পদক্ষেপের বিরোধিতা করেছেন এনসিপি নেতা মজিদ মেমন। তিনি বলেছেন, ৩৭০ ধারা অবলুপ্তির পরে শ্রীনগরে জাতীয় পতাকা তোলার সিদ্ধান্ত ত্যাগ করা উচিত। তিনি বলেছেন, কাশ্মীরিদের ওপর কেন্দ্র তার সিদ্ধান্ত চাপিয়ে দিয়েছে। সেটা তাদের পছন্দ হতে পারে, আবার নাও হতে পারে। অমিত শাহের সবেতেই তাড়াতাড়ি কেন প্রশ্ন তুলেছেন এই এনসিপি নেতা।












Click it and Unblock the Notifications