বর্ধমানে অমিত শাহ, বিজেপির সভা জমজমাটি

বর্ধমান, ২০ জানুয়ারি: বর্ধমানে বিজেপির সভায় ভিড় হল ভালোই। বড়নীলপুরের ফুটবল ময়দান ভরে গেল শুধু কালো-কালো মাথায়। বর্ধমান ছাড়াও বীরভূম, বাঁকুড়া, পুরুলিয়া, হুগলী থেকেও ভিড় জমান বিজেপি কর্মী-সমর্থকরা।

বর্ধমান একদা ছিল লাল দুর্গ। পরে তার রং বদলে হয় সবুজ। সেই সবুজ যে এ বার ক্রমশ গেরুয়ায় বদলে যাচ্ছে, তার ইঙ্গিত পাওয়া গিয়েছে এ দিনের সভায়। রাজ্যের রাজনীতিক ইতিহাসে তাই আবার গুরুত্বপূর্ণ জায়গা করে নিতে চলেছে বর্ধমান।

ততত


বিকেল ০৩-৫০:

ভাষণ শেষ করলেন অমিত শাহ।

বিকেল ০৩-৪৫:

যত বেশি জুলুম করবেন, তত বেশি মাটি শক্ত হবে বিজেপির। মমতাকে হুঁশিয়ারি অমিত শাহের।

বিকেল ০৩-৪৩:

দেশের সুরক্ষা থেকে ভোটব্যাঙ্কের রাজনীতি মমতাদির কাছে বেশি প্রিয়। এটাই দেশের সবচেয়ে ক্ষতি করছে। তাই পরিবর্তন করতেই হবে। বাংলার ভবিষ্যৎ বাংলার মানুষকে ঠিক করতে হবে: অমিত শাহ

বিকেল ০৩-৪১:
এ বার পরিবর্তন হোক ভারতীয় জনতা পার্টির পক্ষে। বললেন অমিত শাহ।

বিকেল ০৩-৪০:

আমরাও অনেক কিছু করতে চাই বাংলার জন্য। কিন্ত মমতাদি আমাদের সাহায্য করছেন না। ওঁর মনোযোগ কর্মসংস্থানে নেই, চিটফান্ডে জড়িত সঙ্গীসাথীদের বাঁচাতে সব তৎপরতা: অমিত শাহ

বিকেল ০৩-৩৬:
নরেন্দ্র মোদী শুধু দেশে নয়, বিদেশেও সমান জনপ্রিয়। তিনি সারা বিশ্বে ভারতের সম্মান বাড়িয়েছেন। বলছেন অমিত শাহ।

বিকেল ০৩-৩৫:

সাত মাসে পেট্রোল-ডিজেলের দাম কমিয়েছে বিজেপি। তাই কমেছে মূল্যবৃদ্ধি। দশ বছরে এটা কংগ্রেস পারেনি: অমিত শাহ

বিকেল ০৩-৩২:

২০১৪-র ভোটে নরেন্দ্র মোদীকে বিপুলভাবে সমর্থন জানানোয় বাংলার মানুষকে ধন্যবাদ: অমিত শাহ

বিকেল ০৩-৩০:

ভাষণ দেওয়া শুরু করলেন অমিত শাহ।

দুপুর ০৩-২৫:

পুলিশকে বলছি, আজ হোক বা কাল হোক, সরকার বদলাবে। যারা উর্দি পরে দলদাসের কাজ করছেন, তাদের থেকে হিসাব বুঝে নেবে বিজেপি: রাহুল সিনহা

দুপুর ০৩-২০:

বিজেপির সঙ্গে সামনাসামনি লড়াইয়ে না পেরে এক মহিলার গায়ে তোরা বিছুটিপাতা দিলি। হিজড়ে পুলিশ, হিজরে দল। তোপ রাহুল সিনহার।

দুপুর ০৩-১৮:

অমিত শাহকে পাইলট কার দেয়নি পুলিশ। কিন্তু তা বলে আমাদের ২০১৬ সালের পাইলট প্রজেক্ট ব্যর্থ হবে না: রাহুল সিনহা

দুপুর ০৩-১৭:

ভাষণ দেওয়া শুরু করলেন রাহুল সিনহা।

দুপুর ০৩-১৫:

ঘটা করে আলিপুর জেলে রং করলেন, ঘর বানালেন কেন? আপনি কি জানতেন দলের অমূল্য রতনরা এক-এক করে ভিতরে যাবে? যতই রাষ্ট্রবিরোধী শক্তিদের মদত দিন, দিল্লিতে একজন বসে দেশকে আগলাচ্ছে। তিনি হলেন নরেন্দ্র মোদী। আমি বলে যাচ্ছি, ২০১৬-তে ভাগ মমতা ভাগ হবেই। আপনি দেশবিরোধী শক্তিদের নিয়েও কিছু করতে পারবেন না: সিদ্ধার্থনাথ সিং

দুপুর ০৩-১২:

পশ্চিমবঙ্গে চাকরির কারখানা নেই, কিন্তু বোমার কারখানা হয়েছে। লাল রং কি এ কারণেই সরিয়েছিল বাংলার মানুষ: সিদ্ধার্থনাথ

দুপুর ০৩-১০:
বর্ধমানে বিস্ফোরণ হয়েছিল, কেন্দ্র চিন্তিত হয়েছিল। কারণ বিষয়টা ছিল রাষ্ট্র সুরক্ষার। কিন্তু তৃণমূলের নেতাদের নাম উঠে আসছিল বলেই কি এনআইএ-কে তদন্তভার দেওয়া হচ্ছিল না? মুর্শিদাবাদের বেলডাঙাতে রকেট লঞ্চারের পরীক্ষামূলক ব্যবহার করেছিল জঙ্গিরা। কেন মমতা চুপ? প্রশ্ন তুললেন সিদ্ধার্থনাথ সিং।

দুপুর ০৩-০৫:

ভাষণ দেওয়া শুরু করলেন সিদ্ধার্থনাথ সিং। সবাইকে সম্বোধন করলেন বাংলায়।

দুপুর ০৩-০০:

মঞ্চে উপস্থিত তৃণমূল ছেড়ে আসা মঞ্জুলকৃষ্ণ ঠাকুর। অমিত শাহ তাঁকে পুষ্পস্তবক দিয়ে স্বাগত জানালেন।

দুপুর ০৩-০০:

সভাস্থলে পৌঁছলেন অমিত শাহ

দুপুর ০২-৫৫:
খাগড়াগড় বিস্ফোরণের তদন্ত যাতে ঠিকঠাক না হয়, সেই জন্য মমতার পুলিশ প্রমাণ লোপাট করেছে: তথাগত

দুপুর ০২-৫০:
সারদায় কে চোর, আমরা ঠিক করছি না। মুখ্যমন্ত্রীই ক্ষুদিরাম অনুশীলন কেন্দ্রে নামগুলো বলেছিলেন: তথাগত

দুপুর ০২-৪৫:
জনসভায় বক্তব্য রাখা শুরু করলেন তথাগত রায়।

দুপুর ০২-৪০: ভাষণ দেওয়া শুরু করলেন বিজেপির বর্ধমান জেলা সভাপতি দেবীপ্রসাদ মল্লিক।

দুপুর ০২-৩০:
বাংলায় বিজেপি আসছে, তৃণমূল যাচ্ছে। বললেন চন্দন মিত্র।

দুপুর ০২-২৫:
জনসভায় ভাষণ দেওয়া শুরু করলেন বিজেপির রাজ্যসভার সাংসদ চন্দন মিত্র।

দুপুর ০২-১৫:

বড়নীলপুরের চৌরঙ্গি ফুটবল ময়দানে পৌঁছলেন বিজেপি রাজ্য সভাপতি রাহুল সিনহা, আসানসোলের সাংসদ বাবুল সুপ্রিয়, দার্জিলিংয়ের সাংসদ সুরিন্দর সিং আলুওয়ালিয়া, সিদ্ধার্থনাথ সিং, শমীক ভট্টাচার্য প্রমুখ।
Notifications
Settings
Clear Notifications
Notifications
Use the toggle to switch on notifications
  • Block for 8 hours
  • Block for 12 hours
  • Block for 24 hours
  • Don't block
Gender
Select your Gender
  • Male
  • Female
  • Others
Age
Select your Age Range
  • Under 18
  • 18 to 25
  • 26 to 35
  • 36 to 45
  • 45 to 55
  • 55+