দিল্লির জাহাঙ্গিরপুরী সংঘর্ষ নিয়ন্ত্রণে পুলিশকে কড়া নির্দেশ শাহের, শান্তি রক্ষায় ব্যর্থ কেন্দ্র কটাক্ষ কেজরিও
দিল্লির জাহাঙ্গিরপুরী সংঘর্ষ নিয়ন্ত্রণে পুলিশকে কড়া নির্দেশ শাহের, শান্তি রক্ষায় ব্যর্থ কেন্দ্র কটাক্ষ কেজরিওয়ালের
দিল্লির জাহাঙ্গিরপুরীর সংঘাত কড়া হাতে দমনের নির্দেশ দিলেন কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ। হিংসা নিয়ন্ত্রণের জন্য সবরকম পদক্ষেপ পুলিশ করতে পারে বলে ছাড়পত্র দিয়েছেন তিনি। দিল্লির জাহাঙ্গিরপুরীতে হনুমান জয়ন্তীর শোভাযাত্রাকে কেন্দ্র করে দুই গোষ্ঠির মধ্যে সংঘাত বাধে। ক্রমে তা বড় আকার নেয়। সংঘর্ষ নিয়ন্ত্রণে আনতে গিয়ে আক্রান্ত হয়েছেন একাধিক পুলিশকর্মী। একাধিক গাড়িতে আগুন ধরানো হয়েছে। গোটা এলাকা থমথমে হয়ে রয়েছে।

গতকাল হনুমান জয়ন্তীকে কেন্দ্র করে উত্তপ্ত হয়ে উঠেছিল দিল্লির জাহাঙ্গিরপুরী এলাকা। দুই গোষ্ঠির মধ্যে তুমুল সংঘাত তৈরি হয়। শোভাযাত্রাকে লক্ষ্য করে পাথর ছোড়া হয় বলে অভিযোগ। তারপরেই দুই গোষ্ঠীর মধ্যে সংঘর্ষে উত্তাল হয়ে ওঠে গোটা এলাকা। বেশ কয়েকজন পুলিশকর্মী সংঘর্ষে আহত হয়েছেন বলে খবর। বেশ কয়েকটি গাড়িতে অগ্নিসংযোগ করা হয়েছে। যদিও দিল্লির স্থানীয় পুলিশ অফিসার জানিেয়ছেন পরিস্থিতি এখনও নিয়ন্ত্রণে রয়েছে। গোটা এলাকায় পুিলশি নজরদারি বাড়ানো হয়েছে।

এদিকে দিল্লির জাহাঙ্গিরপুরীর ঘটনা নিয়ে কেন্দ্রকে নিশানা করেছেন মুখ্যমন্ত্রী অরবিন্দ কেজরিওয়াল। তিনি কটাক্ষ করে বলেছেন কেন্দ্র শান্তি রক্ষায় সম্পূর্ণ ব্যর্থ। কেন্দ্রের দায়িত্ব ছিল হনুমান জয়ন্তীর দিন শান্তি বজায় রাখা। কিন্তু দিল্লিপুলিশ শান্তি রক্ষা করতে পারেনি। তার জেরেই জাহাঙ্গিরপুরীতে এই হিংসার ঘটনা ঘটেছে। মুখ্যমন্ত্রী নিজে টুইটে দিল্লিবাসীকে শান্তি রক্ষার আবেদন জানিয়েছেন।
এদিকে কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ কথা বলেছেন দিল্লির পুলিশ কমিশনারের সঙ্গে। রাতেই তিনি জাহাঙ্গিরপুরীর পরিস্থিতি নিয়ে কথা বলেছেন। স্পর্শকাতর এলাকায় অতিরিক্ত পুলিশ মোতায়েন করার নির্দেশ দিয়েছেন তিনি। গোটা এলাকায় রাতভর পুলিশি টহল চলেছে। জাহাঙ্গিরপুরী সংলগ্ন এলাকা গুলিতেও পুলিশ মোতায়েন করা হয়েছে। রাত থেকেই সেই সব এলাকায় চলছে পুলিশি টহল। দিল্লিতে গোষ্ঠী সংঘর্ষের ঘটনা নতুন নয়। এর আগে এনআরসি এবং সিএএ-কে কেন্দ্র করে উত্তাল হয়ে উঠেছিল দিল্লি। প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীর বাসভবন সংলগ্ন এলাকাতেও অশান্তি ছড়িয়ে পড়েছিল। প্রায় ১ মাস ধরে চলেছিল সংই সংঘর্ষ। তারপরে ফের হনুমান জয়ন্তীকে কেন্দ্র করে সংঘর্ষের ঘটনা ঘটল।












Click it and Unblock the Notifications