লাদাখ সংঘর্ষের মধ্যেই নৌপথে আস্ফালন বাড়ানোর চেষ্টায় চিন! কোন কোন দেশে ঘাঁটি পোক্ত করতে চাইছে বেজিং
লাদাখ সংঘর্ষের মধ্যেই নৌপথে আস্ফালন বাড়ানোর চেষ্টায় চিন! কোন কোন দেশে ঘাঁটি পোক্ত করতে চাইছে বেজিং
এই মুহূর্তে বিশ্বের সবচেয়ে বড় নৌসেনা সাম্রাজ্য় রয়েছে চিনের। আমেরিকার তরফে আগেই জানানো হয়েছিল, চিন ধীরে ধীরে নিজের জলপথ ও সেনা সমরসজ্জা বাড়িয়ে এশিয়ার একাধিক দেশে ঘাঁটি গাড়ার চেষ্টা করবে। আর সেই স্ক্রিপ্টই যেন হুবহু মেনে চলছে বেজিং। একদিকে লাদাখ সংঘাত অন্যদিকে জলপথে চিনের দানবীয় গ্রাস বাড়ানো, অই দুই ঘটনায় উদ্বেগে দক্ষিণ এশিয়া।

ভারতের জলসীমার আশপাশে আগ্রাসন বাড়াচ্ছে চিন
উল্লেখ্য, ভারতের জলসীমার আশপাশে আগ্রাসন বাড়াতে শুরু করে দিয়েছে চিন। বিশ্ব তাবড় শক্তিধর দেশ গুলির থেকেও এখন চিনের নৌসেনা শক্তি সবচেয়ে বেশি। একিকে চিন যেমন পরমাণু যুদ্ধবিদ্যায় মাত দিতে চেষ্টা করে যাচ্ছে, তেমনই নৌসেনার আগ্রাসন বাড়াচ্ছে।

সাগরপাড়ে শক্তিশেল!
লং রেঞ্জ মিসাইল থেকে শুরু করে নিউক্লিয়ার সাবমেরিন সহ চিনে ক্রমাগত নৌসেনাকে সাজিয়ে তুলছে। পেন্টাগন সূত্রে দক্ষিণ চিন সাগরে চিনের তামাম সমরসজ্জা নিয়ে একাধিক তথ্য এসেছে। এর সঙ্গে রয়েছে বায়ুপথে শত্রুকে ঠেকানোর মতো প্রযুক্তি। সবমিলিয়ে সাগরে ক্রমাগত পরমাণু যুদ্ধের পিচ তৈরি করে রাখছে চিন।

সেনা ঘাঁটির জন্য চিনের নজরে কোন কোন দেশ?
চিন চাইছে সিঙ্গাপুর, পাকিস্তান, শ্রীলঙ্কা, ইউএই, ইন্দোনেশিয়া, থাইল্যান্ড, তানজানিয়া, কেনিয়া, মায়ানমার, শ্রীলঙ্কা, অ্যাঙ্গোলা, তাজিকিস্তান সহ একাধিক দেশে সেনা ঘাঁটি গাড়তে। এই সমস্তদেশে চিনের নৌসেনা থাকলে, স্ট্র্যাটেজিক সুবিধা পেতে শুরু করবে চিন। ফলে সাগর এলাকায় নিজের কর্তৃত্ব কায়েম করে রাখতে পারবে বেজিং। আর সেই চেষ্টাতেই মগ্ন বিস্তারবাদী চিন।

মার্কিন সেনার নৌবহরকে ছাপিয়েছে চিন
চিনের কাছে এই মুহূর্তে রয়েছে ৩৫০ টি যুদ্ধজাহাজ। ১৩০ টি সার্ফেস কমব্যটেন্টস। যা মার্কিন সেনার ২৯৩ টি যুদ্ধজাহাজের সংখ্যাকে ছাপিয়ে যাচ্ছে। যদিও প্রযুক্তির দিক থেকে মার্কিন নৌসেনা অনেক বেশি পোক্ত চিনের তুলনায়।

ভারতের দুশ্চিন্তার কারণ কী ?
উল্লখ্য, জলপথে নৌবহর যেভাবে বাড়িয়ে যাচ্ছে চিন, তাতে উদ্বিগ্ন দিল্লি। শুধু তাই নয়, বন্দর ঘাঁটি গাড়তে চিন যেভাবে পাকিস্তান ও শ্রীলঙ্কার মুখাপেক্ষী হয়ে রয়েছে সেদিরেও নজর রয়েছে ভারতের। পাশাপাশি, পাকিস্তানের সঙ্গে চিনের পাক অধিকৃত কাশ্মীরের পথে যোগ ও দক্ষিণে সাগর পথে সুসম্পর্ক ভারতকে চিন্তায় রাখছে।












Click it and Unblock the Notifications