কোভিডের তৃতীয় ওয়েভের আতঙ্কের মাঝেই 'আর ভ্যালু'র বাড়বাড়ন্ত ঘিরে চরম উদ্বেগ, একনজরে পরিসংখ্যান
গত ৭ মের পর এই প্রথম দেশে করোনার আর ভ্যালু বেড়ে ১ -এ পৌঁছেছে। যা করোনা পরিস্থিতিতে রীতিমতো ভয়ঙ্কর রূপ নিচ্ছে। করোনার আর ভ্যালু বেড়ে যাওয়া মেটেও যে ভালো ইঙ্গিত দিচ্ছে না, তা বলাই বাহুল্য। মূলত, আর ভ্যালু বা আরজিরো বলতে বোঝায় যে, দেশে কত শতাংশ এমন গড় কোভিড রোগী রয়েছেন যাঁদের থেকে করোনা ছড়িয়ে পড়বে। এই সংখ্যারই বাড়বাড়ন্ত দেখা যেতে চলেছে ভারতের বুকে।

চেন্নাইয়ের 'কম্পিউটেশনাল বায়োলজি অ্যান্ড থিওরেটিক্যাল ফিজিক্স' এর অধ্যাপক শীতাভ্র সিনহার নয়া গবেষণা এবিষয়ে তাক লাগাচ্ছে। ম্যাথামেটিক্যাল সায়েন্সের এই অধ্যাপক তাঁর গবেষণা এথেক যে পরিসংখ্যান পেয়েছেন তাতে দেখা গিয়েছে যে শেষবার জুলাই মাসের ২৭ তারিখে করোনার আর ভ্যালু ১ পার করে যায়। এর আগে ৭ মে এমন ঘটনা দেখা গিয়েছে। প্রসঙ্গত, ৭ মে করোনার দ্বিতীয় স্রোত ভারতে আছড়ে পড়ে। সেই সময় কার্যত গোটা দেশে নিদারুণ পরিস্থিতি তৈরি হয়। ততদিনে দেশের একটা বড় অংশে করোনা চোরাস্রোতের মতো করে মারণ দংশন দিতে শুরু করেছে। একদিকে ডেল্টা ভাইরাসের বাড়বাড়ন্ত, অন্যদিকে করোনার তৃতীয় স্রোত আছড়ে পড়া নিয়ে উৎকণ্ঠার মধ্যেই অধ্যাপক সিনহার নয়া গবেষণা তাক লাগাচ্ছে।
এদিকে, দেশের স্বাস্থ্য মন্ত্রকের সূত্রের খবর ধীরে ধীরে দেশের আর ভ্যালু ১ এর আশপাশে যাচ্ছে। যা নিঃসন্দেহে আতঙ্কের বিষয়। অতিমারীর মাঝে করোনার আর ভ্যালু ১ এর নিচে রাখার টার্গেট নিয়ে এগিয়ে যেতে শুরু করে প্রশাসন। তবে তাতে বাধ সাধে করোনার দ্বিতীয় স্রোত। এদিকে, এরই মাঝে টিকাকরণ শুরু হয়েছে ২০২১ সালের গত ১৬ জানুয়ারি থেকে। অল্প সময়ে বহু রাজ্যই টিকার সদ্ব্যবহার করে তা বেশি সংখ্যক মানুষকে দেওয়ার রেকর্ড গড়েছে। তবে তার মাঝেও রয়ে যাচ্ছে করোনার তৃতীয় স্রোতের আতঙ্ক।
এক সাম্প্রতিক গবেষণা দাবি করছে যে , করোনার জেরে তৃতীয় স্রোত অগাস্ট মাসেই আসতে পারে। আর তা শেষ হতে পারে অক্টোবর মাসে। এদিকে, অক্টোবর নাগাদ দেশে করোনার প্রকোপ যদি বাড়ে সেই সময় উৎসবের মেজাজ ঘিরে রীতিমতো উদ্বেগে প্রশাসন। এরই মাঝে আর ভ্যালু বাড়তে থাকায় করোনার তৃতীয় স্রোত এসে গেল কি না? তার প্রশ্নে উদ্বেগ বাড়ছে। এদিকে এইমস প্রধান রণীপ গুলেরিয়া জানিয়েছেন যে করোনার আর ভ্যালুর কাউন্ট কমাতে একমাত্র রাস্তা হল ভ্যাকসিনেশন।












Click it and Unblock the Notifications