Get Updates
Get notified of breaking news, exclusive insights, and must-see stories!

পূর্ব লাদাখের প্রায় অর্ধেক পেট্রোলিং পয়েন্টে অস্তিত্বই নেই ভারতের! রিপোর্ট ঘিরে উদ্বেগ

ফের খবরের শিরোনামে পূর্ব লাদাখ। খবরে প্রকাশ পূর্ব লাদাখের প্রায় অর্ধেক পেট্রোলিং পয়েন্টে ভারতের নিরাপত্তা বাহিনীর অস্তিত্ব নেই। তবে একটি সরকারি সূত্রের দাবি, যা হচ্ছে সবই কূটনৈতিক কারণে।

গত নভেম্বর সেনাপ্রধান জানিয়েছিলেন, পূর্ব লাদাখের পরিস্থিতি স্থিতিশীল হলেও কিছুই বলা যায় না। তবে সেখানকার পরিস্থিতিটা ঠিক কী, তা জানেন সেনা আধিকারিক থেকে পুলিশের পদস্থ কর্তারাই। সর্বভারতীয় এক সংবাদ মাধ্যমে প্রকাশিত খবর অনুযায়ী, পূর্ব লাদাখে প্রায় অর্ধেক পেট্রোলিং পয়েন্টে ভারতের কোনও অস্তিত্বই নেই। যা নিয়ে নতুন করে উদ্বেগ তৈরি হয়েছে। যদিও সরকারি তরফে বিষয়টি নিয়ে এখনও কোনও মন্তব্য করা হয়নি।

 ২৬ টি পয়েন্টে উপস্থিতি নেই ভারতের নিরাপত্তা বাহিনীর

২৬ টি পয়েন্টে উপস্থিতি নেই ভারতের নিরাপত্তা বাহিনীর

সর্বভারতীয় এক সংবাদ মাধ্যমে প্রকাশিত প্রতিবেদন অনুযায়ী, লাদাখের প্রধান শহর লে-র পুলিশ সুপার জানিয়েছে ৬৫ টি টহলদারি পয়েন্টের মধ্যে ২৬ টিতে অ্যাক্সেস নেই। তিনি বলেছেন, বর্তমানে কারাকোরাম পাস থেকে চুমুর পর্যন্ত ৬৫ টি পেট্রোলিং পয়েন্ট রয়েছে। ভারতের নিরাপত্তা বাহিনী সেখানে টহল দিয়ে থাকে। কিন্তু এই ৬৫টির মধ্যে ২৬ টি টহলদারি পয়েন্টে উপস্থিতি নেই। এর মধ্যে রয়েছে ৫-১৭, ২৪-৩২ এবং ৩৭ নম্বর টহলদারি পয়েন্ট।

মোদী-অমিত শাহের সামনেই প্রতিবেদন পেশ

মোদী-অমিত শাহের সামনেই প্রতিবেদন পেশ

সূত্রের খবর অনুযায়ী, এব্যাপারে সরকারি যে সরকারি রিপোর্ট তৈরি করা হয়েছে তা দেশের শীর্ষ পুলিশ কর্তাদের বার্ষিক সম্মেলনে পেশ করা হয়েছে। সেই সম্মেলনে উপস্থিত ছিলেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী, কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ এবং জাতীয় নিরপাত্ত উপদেষ্টা অজিত দোভাল।

 ভারতের জমি চলে যাচ্ছে চিনের দখলে

ভারতের জমি চলে যাচ্ছে চিনের দখলে

ভারত ও চিনের মধ্যে প্রায় ৩৫০০ কিমি সীমান্ত রয়েছে। পুরো সীমান্তই প্রকৃত নিয়ন্ত্রণ রেখা নির্ভর। সীমান্তে টহলদারি পয়েন্ট থাকা মানেই সেই জায়গা ভারতের। কিন্তু এই পরিস্থিতিতে চিন ভারতকে মেনে নিতে বাধ্য করছে দীর্ঘদিন ধরেই এইসব এলাকায় ভারতের নিরাপত্তা বাহিনী কিংবা সাধারণ মানুষের উপস্থিতি নেই। কারণ এই এলাকা চিনের দখলে ছিল। এর ফলে সীমান্ত এলাকা ক্রমেই ভারতের দিকে ঢুকে আসছে। কোনও কোনও সময় এই ধরনের বাফার জোনের ওপরে চিন নিয়ন্ত্রণ কায়েম করছে। ফলে ভারত কিছু অঞ্চলের ওপরে নিয়ন্ত্রণ হারাচ্ছে। একথাও নাকি উল্লেখ করা হয়েছে সরকারি সেই রিপোর্টে।

সুবিধা নিয়ে চিনের সেনা

সুবিধা নিয়ে চিনের সেনা

সেনা প্রত্যাহার নিয়ে আলোচনার সময় থেকেই পিপলস লিবারেশন আর্মি এইসব বাফার এলাকার সুবিধা নিয়েছে। এবং এইসব জায়গার চূড়ায় ক্যামেরা স্থাপন করে ভারতীয় সেনার গতিবিধি পর্যবেক্ষণ করছে। যে কারণে এই ধরনের কোনও বাফার জোনে ভারতের সেনার অবস্থানে আপত্তি জানাচ্ছে। এরপরেই তারা বাফার জোন তৈরির জন্য চাপ দিচ্ছে। অন্যদিকে চিনের সঙ্গে আলোচনার সময় শান্তির লক্ষ্যে যদি ভারত ৪০০ মিটার পিছিয়ে আসে, তার সুবিধাও পরবর্তী সময়ে নিচ্ছে পিপলস লিবারেশন আর্মি। সীমান্ত পরিবর্তনের চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছে তারা।
সূত্রের খবর অনুযায়ী, সরকারি রিপোর্টে উল্লেখ করা হয়েছে চিন ২০২০-তে গালওয়ানেও এই অবস্থান নিয়েছিল। সেখানে হওয়া সংঘর্ষে কমপক্ষে ২০ জন ভারতীয় সেনা এবং চারজন চিনা সেনার মৃত্যু হয়েছিল।

 পিছিয়ে নেই ভারত

পিছিয়ে নেই ভারত

তবে একটি সরকারি সূত্রে দাবি করা হয়েছে, সীমান্তে ভারতও পিছিয়ে নেই। চিনের মতোই নজরদারি জন্য ভারতের কাছেও ক্যামেরা কিংবা প্রযুক্তি রয়েছে। তবে কিছু জায়গায় বিরোধের কূটনৈতিক সমাধানের জন্য উভয় পক্ষেরই টহলদারি থাকছে না। এক্ষেত্রে ভারতের কোনও জমি চিনের দখলে চলে যাওয়ার খবর ভুল বলেও দাবি করা হয়েছে।

More From
Prev
Next
Notifications
Settings
Clear Notifications
Notifications
Use the toggle to switch on notifications
  • Block for 8 hours
  • Block for 12 hours
  • Block for 24 hours
  • Don't block
Gender
Select your Gender
  • Male
  • Female
  • Others
Age
Select your Age Range
  • Under 18
  • 18 to 25
  • 26 to 35
  • 36 to 45
  • 45 to 55
  • 55+