আরুষি হত্যাকাণ্ডে উঠছে কম্পাউন্ডার কৃষ্ণার নাম,'প্রমাণ'-এ কি হস্তক্ষেপ সিবিআই-এর, সন্দেহ
আরুষি হত্যাকাণ্ডে ,তাঁর বাবা মা রাজেশ ও নুপূর তলওয়ারকে বেকসুর খালাস করে দেওয়া হলেও , হত্যাকাণ্ডের নেপথ্যের চরিত্রটি আজও অধরা।
আরুষি হত্যাকাণ্ডে ,তাঁর বাবা মা রাজেশ ও নুপূর তলওয়ারকে বেকসুর খালাস করে দেওয়া হলেও , হত্যাকাণ্ডের নেপথ্যের চরিত্রটি আজও অধরা। নানা দিক থেকে নানা ধরনের সন্দেহ উঠে আসছে এই হত্যাকাণ্ড নিয়ে। এরই মধ্যে প্রশ্ন উঠছে ঘটনায় তদন্তকারী সিবিআইয়ের বিভিন্ন কার্যকলাপ নিয়ে। খোদ এলাহাবাদ হাইকোর্ট মামলার রায় শোনানোর সময়ে সিবিআই এই ঘটনায় প্রমাণের ওপর অবৈধ হস্তক্ষেপ করেছে কি না তা নিয়ে প্রশ্ন তুলেছে।

আদালতের তরফে আরুষি ও হেমরাজের যৌন সম্পর্ক নিয়ে সিবিআই-এর দেওয়া তথ্যকে কটাক্ষ করা হয়। ঠিক তেমনভাবেই হত্যকাণ্ডের রাতে ওই ফ্ল্যাটে কম্পাউন্ডার কৃষ্ণার উপস্থিতি নিয়েও সিবিআই-য়ের জানানো তথ্য ঘিরে প্রশ্ন তোলে আদালত। আদালত জানিয়েছে, একজন বহিরাগত সেই রাতে ওই ফ্ল্যাটে ছিল, সেই ঘটনার গুরুত্বকে কিছুতেই সন্দেহের বাইরে রাখা যায় না।
এদিকে, চাঞ্চল্যকরভাবে উঠ আসছে আরেকটি তথ্য।কম্পাউডার কৃষ্ণার বালিশে হেমরাজের রক্তের প্রমাণ পাওয়া যায়। সেবিষয়ে রিপোর্ট দিয়েছিল হাদরাবাদের ফরেন্সিক ল্যাবও , তবে সিবিআই-এর তরফে সেই রিপোর্টকে 'টাইপিং এরর' বলে ব্যাখ্যা করা হয়।
এছাড়াও কৃষ্ণার চুলেও হেমরাজের রক্ত পাওয়া গিয়েছিল। সেই বিষয়টিকে কীভাবে এড়িয়ে গিয়েছে সিবিআই , তা নিয়েও উঠছে প্রশ্ন।
এছাড়াও আদালতের তরফে , সিবিআই-এর বিরুদ্ধে অভিযোগ তোলা হয় যে তাঁরা প্রত্যক্ষদর্শী তুলে এনে 'বসিয়েছেন'। বাড়ির কাজের লোক ভারতী , ঘটনার পরদিন বাইরে থেকে এসে দেখেছেন দরজা ভেতর থেকে বন্ধ। তা নিয়েই বেশ কিছু সন্দেহ প্রকাশ করেছে আদালত। প্রতিটি সূত্র থেকে বার বার আদালত জোর দিতে চেয়েছে যে বাইরের কোনও ব্যাক্তি সম্ভবত বাড়ির ভিতরে ঢুকে ছিলেন সেই রাতে। তারপর কী হয়েছিল , সেই সত্যের উন্মোচনের অপেক্ষায় গোটা দেশ।












Click it and Unblock the Notifications