পুলওয়ামার মতো জঙ্গি হামলায় ফের জবাব! আন্তর্জাতিক মহলে চাপের মুখে পাকিস্তান
২৬ ফেব্রুয়ারি বালাকোটে জইশ-ই-মহম্মদের ক্যাম্পে ভারতীয় বায়ু সেনার হামলা প্রমাণ করে দিয়েছে, পাকিস্তানের জঙ্গি গোষ্ঠীগুলির ওপর হামলার উদ্দেশ্য ও ক্ষমতা দুটোই রয়েছে ভারতের।
২৬ ফেব্রুয়ারি বালাকোটে জইশ-ই-মহম্মদের ক্যাম্পে ভারতীয় বায়ু সেনার হামলা প্রমাণ করে দিয়েছে, পাকিস্তানের জঙ্গি গোষ্ঠীগুলির ওপর হামলার উদ্দেশ্য ও ক্ষমতা দুটোই রয়েছে ভারতের। সূত্রের খূবর অনুযায়ী, যদি পুলওয়ামার মতো জঙ্গি হামলার ঘটনা ঘটে, তাহলে সব বিকল্প খুলে রাখছে ভারত।

ভারতের ফোকাস এখন চলে গিয়েছে, জঙ্গিদের বিরুদ্ধে লড়াইয়ের দিকে। পাকিস্তান যতই দাবি করুক, তাদের মাটিকে জঙ্গিদের জন্য ব্যবহার করতে দেওয়া হবে না, তা মানা হচ্ছে না। তবে বর্তমান সময়ে চাপে পড়ে হলেও জামাত-উদ-দওয়া এবং ফায়া-ই-ইনসানিয়ত ফাউন্ডেশনের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নিয়েছে।
২০০৪ সালে পাকিস্তানের তৎকালীন প্রেসিডেন্ট পারভেজ মোশারফ একই ধরনের বক্তব্য রেখেছিলেন। এটা যদি নয়া পাকিস্তান হয়, তাহলে আমরা নতুন অ্যাকশন দেখতে চাইব। সূত্রের দাবি অনুযায়ী, সেদেশের মাটি থেকে জঙ্গিদের উচ্ছেদ করতে চাপ বাড়ছে। বলা ভাল, গঠনমূলক পদক্ষেপ নেওয়ার জন্য চাপ বাড়ছে। বিশ্বব্যাপী সেই চাপেরই অন্যরূপ হল ভারতীয় বায়ুসেনার উইং কমান্ডার অভিনন্দন বর্তমানকে মুক্তি দেওয়া।
ভারত সরকারের অবস্থান হল, তারা জঙ্গিবাদের বিরুদ্ধে লড়াই করছেন। একইসঙ্গে পাকিস্তানের ওপর আন্তর্জাতিক চাপ বাড়ানোর জন্যও চেষ্টা করে যাচ্ছেন। ভারতের তরফ থেকে সম্প্রতি পাকিস্তানের দেওয়া দুটি পয়েন্টের উল্লেখ করা হচ্ছে। পাকিস্তানের বিদেশমন্ত্রী শাহ মহম্মদ কুরেশি বলেছিলেন, মাসুদ আজহার পাকিস্তানে আর সরকারের সঙ্গে জইশ-ই-মহম্মদের যোগাযোগ রয়েছে। সূত্রের খবর অনুযায়ী, ভারতের এইসব পদক্ষেপের ফলেই মাসুদ আজহারকে রাষ্ট্রসংঘের নিষেধাজ্ঞার তালিকায় স্থান পেতে চলেছে।
বক্তব্য জানাতে গিয়ে পাকিস্তানের বিদেশমন্ত্রী বলেছিলেন, মাসুদ আজহারের শারীরিক অবস্তা খারাপ। সূত্রের খবর অনুযায়ী, এই তথ্যও যেন ভারতের পক্ষে এক চিমটে নুনের মতো কাজ করেছে। ইতিহাস ঘাটলে দেখা যাবে মোল্লা ওমর এবং ওসামা বিন লাদেনের ক্ষেত্রেও যেন একইরকম ঘটনা ঘটেছিল।
সূত্রের খবর অনুযায়ী, ভারত-পাকিস্তানের ভবিষ্যত আলোচনা নির্ভর করছে, পাকিস্তান এই জঙ্গিবাদের বিরুদ্ধে কী ব্যবস্থা নেয় তার ওপর। এই সংক্রান্ত ব্যবস্থা পাকিস্তানকে ফিনান্সিয়াল অ্যাকশন টাস্ক ফোর্সের ৩৬ সদস্য দেশের সঙ্গে শেয়ার করতে হবে। ফলে আন্তর্জাতিক মহলে চাপেই রয়েছে পাকিস্তান।












Click it and Unblock the Notifications