Cyclone Mocha: সাইক্লোন মোখার কারণে বাতিল সমস্ত ছুটি! নদী-সমুদ্রবাঁধে ব্যাপক ক্ষতির আশঙ্কা
Cyclone Mocha: ঘূর্ণিঝড় মোখা কোথায় আছড়ে পড়বে তা এখনও স্পষ্ট নয়! যদিও ইতিমধ্যে রাজ্য প্রশাসনের তরফে একাধিক ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে। এমনকি খোদ মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় আজ সোমবার নবান্নে জরুরি বৈঠক করেছেন। পরে সাংবাদিকদের তিনি জানিয়েছেন যে সাইক্লোন মোখা সামলাতে বাংলা সবরকম ভাবে প্রস্তুত।
শুধু তাই নয়, বাংলার উপকূল অর্থাৎ সুন্দরবন, দিঘা অঞ্চলে বাড়তি সতর্কতা নেওয়ার কথা বলা হয়েছে। পাশাপাশি সমস্ত জেলায় কন্ট্রোল রুম খোলারও নির্দেশও দিয়েছেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। আর সেই মতো সম্ভাব্য ঘূ্র্ণিঝড় মোখা নিয়ে আগাম প্রস্তুতি শুরু করে দিল দক্ষিণ ২৪ পরগনা জেলা প্রশাসন।

মঙ্গলবার থেকে জেলার পাঁচটি মহকুমা শাসকের দপ্তর সহ সুন্দরবন উপকূল এলাকার ব্লক অফিসগুলোতে খোলা হবে ২৪ ঘন্টা কন্ট্রোরলরুম। সিভিল ডিফেন্সের কর্মীরা সারাক্ষণ থাকবেন কন্ট্রোলরুমে। এছাড়া সেচ ও বিদ্যুৎ দপ্তরের কর্মীদের আগামী এক সপ্তাহ ছুটি বাতিল করা হয়েছে। সেচ ও বিদ্যুৎ দপ্তরের প্রয়োজনীয় সামগ্রী মজুত করতে বলা হয়েছে।
কোনরকম বিপর্যয় ঘটলে দ্রুত ব্যবস্থা নিতে হবে বলে জানা গিয়েছে। এছাড়া জেলার সবকটি ঘূর্ণিঝড় আশ্রয় কেন্দ্রের পরিকাঠামোগত প্রস্তুতি খতিয়ে দেখেন পুলিশ ও প্রশাসনের আধিকরিকরা। আশ্রয়কেন্দ্রগুলোতে পানীয়জল, বিদ্যুৎ পরিষেবা ঠিকমতো কাজ করছে কি না তা নিশ্চিত করা হচ্ছে।

এছাড়া বেশকিছু স্কুল চিহ্নিত করা হয়েছে। প্রয়োজনে সেখানেও মানুষকে দ্রুত সরিয়ে আনা হবে। প্রতিটি ব্লকে ত্রাণ সামগ্রী সহ পানীয় জল মজুতের কাজ শুরু হয়েছে। সুন্দরবন উপকূলের ভাঙন কবলিত সাগর, নামখানা, কাকদ্বীপ, পাথরপ্রতিমা, কুলতলি ও গোসাবা এলাকাকে সবথেকে বেশি গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে। এছাড়া সুন্দরবনের বিছিন্ন দ্বীপ ঘোড়ামারা ও মৌসুনি দ্বীপের বাসিন্দাদের প্রয়োজনে সরানোর কথা ভাবা হবে।
ঘূর্ণিঝড়ের প্রভাব পড়লে বেহাল নদী ও সমুদ্রবাঁধের ব্যাপক ক্ষতির আশঙ্কা করা হচ্ছে। তবে সেই সময় কোটাল না থাকায় কিছুটা হলেও স্বস্তিতে রয়েছেন সুন্দরবনের বাসিন্দারা। দুর্যোগ মোকাবিলায় ইতিমধ্যে রাজ্য সরকারের পক্ষ থেকে সুন্দরবনের সমস্ত নদী ও সমুদ্রবাঁধের বর্তমান পরিস্থিতি খতিয়ে দেখে দ্রুত ব্যবস্থা নেওয়ার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।

নবান্ন থেকে সেই নির্দেশ আসার পর সেচ দপ্তর তড়িঘড়ি ব্যবস্থা নিতে শুরু করেছে। সুন্দরবন উন্নয়ন মন্ত্রী বঙ্কিম হাজরা সেচ দপ্তরের আধিকারিকদের নিয়ে সাগরের ধবলাট, বঙ্কিমনগর, সুমতি নগর ও মৌসুনী দ্বীপের বিভিন্ন এলাকা ঘুরে দেখেন। এখানকার নদী ও সমুদ্র বাঁধ মেরামতের কাজ চলছে।
সেই কাজের অগ্রগতি খতিয়ে দেখেন। সেচ দপ্তরের আধিকারিকদের থেকে বিস্তারিত খোঁজখবর নেন মন্ত্রী। অন্যদিকে প্রশাসনের পক্ষ থেকে এনডিআরএফ, এসডিআরএফ, সিভিল ডিফেন্স ও ডিজাস্টার ম্যানেজমেন্টের কর্মীদের ইতিমধ্যে প্রস্তুত থাকতে বলা হয়েছে।












Click it and Unblock the Notifications