সুপ্রিম কোর্টের নির্দেশের পরেই নজরে মহারাষ্ট্রের স্পিকার! কী বলছেন বিশ্লেষক Nikhil Wagle
বিধায়ক পদ খারিজের আবেদনে সিদ্ধান্ত নিতে পারেন স্পিকার। মহারাষ্ট্রের মামলায় বৃহস্পতিবার সুপ্রিম কোর্ট এই নির্দেশ দেওয়ার পরই বর্তমানে সব নজর সে রাজ্যের স্পিকারের দিকে।
মহারাষ্ট্রের স্পিকার রাহুল নারওয়েকর। দক্ষিণ মুম্বইয়ের কোলাবার বাসিন্দা রাহুল যুবনেতা হিসেবে শিব সেনা যোগ দিয়েছিলেন। পরে শিব সেনা ছাড়ার পর যোগ দেন এনসিপি-তে। ২০১৯-এ লোকসভা নির্বাচনে নিজের কেন্দ্র মারওয়াল থেকে হেরে যাওয়ার পর বিজেপিতে যোগ দেন রাহুল। আইনজীবী হিসেবেও দীর্ঘদিন কাজ করেছেন তিনি।

মহারাষ্ট্রে একনাথ শিন্ডে সরকার তৈরি হওয়ার পর নারওয়েকর স্পিকার পদে আসীন হন। ২০২১ থেকে ফাঁকা ছিল সেই পদ। সুপ্রিম কোর্ট উল্লেখ করেছে শিন্ডে শিবিরের প্রার্থী ভারত গোগাওয়ালেকে দলের নতুন চিপ হইপ করার যে সিদ্ধান্ত নারওয়েকর নিয়েছিলেন তা অবৈধ। এই প্রসঙ্গে রাজনৈতিক দল এবং সংসদীয় দলের মধ্যে পার্থক্য বুঝিয়েছে সুপ্রিম কোর্ট।
শুধু তাই নয়, যে হইপকে নিয়োগ করা হয় তিনি রাজনৈতিক দলের সঙ্গে সংসদীয় দলের সংযোগ স্থাপন করে। অন্যদিকে সুনীল প্রভুকে চিফ হুইপ হিসাবে বেছে নিয়েছিল শিবসেনা। অন্যদিকে নির্বাচন কমিশনের নির্দেশে যখন শিবসেনার অধিকার যায় একনাথ শিন্ডের হাতে তারপর সেই গোষ্ঠীর চিপ হুইপ উদ্ধব ঠাকরের শিবিরের বিধায়কদের যে নির্দেশ দেওয়া হয়েছিল তা খারিজ করে দিয়েছে সুপ্রিম কোর্ট।
১৬ জন বিদ্রোহী বিধায়কের পদ খারিজ হল না সুপ্রিম কোর্টে। রাজনৈতিক বিশেষজ্ঞ নিখিল ওগালের মতে, সুপ্রিম কোর্ট চিপ হইপের নির্বাচনকে কার্যত অবৈধ বলেছে। তাঁর দাবি, সেক্ষেত্রে পুরো প্রক্রিয়াটিই অবৈধ এক্ষেত্রে স্পিকারের বলারই কোনও জায়গা নেই বলেই মনে করছেন ওই রাজনৈতিক বিশ্লেষক।

এই অবস্থায় স্পিকার কি সিদ্ধান্ত নেন সেদিকেই নজর সবার। অন্যদিকে ওই রাজনৈতিক বিশ্লেষক নিখিল ওগালের মনে করছেন স্পিকার রাহুল নারওয়েকর পুরো প্রক্রিটা অনেক দির্ঘায়িত করবেন। এবং উদ্ধব ঠাকরে শিবির আরও একবার সুপ্রিম কোর্টে যেতে পারে বলেও মনে করছেন ওই বিশ্লেষক।












Click it and Unblock the Notifications