২০০২ সালে গুজরাতের নরোগা গাম দাঙ্গা মামলায় বড় সিদ্ধান্ত আদালতের! প্রাক্তন মন্ত্রী-সহ সব অভিযুক্ত খালাস
গুজরাতের নরোদা গাম দাঙ্গা মামলায় আহমেদাবাদের বিশেষ আদালতের রায়। এদিন বিশেষ জজ এসকে বক্সির আদালত এই মামলায় অভিযুক্ত ৬৮ জনের সবাইকেই খালাস করে দিয়েছে। প্রসঙ্গত ২০০২ সালের সেই দাঙ্গায় ১১ জনের মৃত্যু হয়েছিল।

সেই সময় করা তদন্তের ভিত্তিতে গুজরাত পুলিশ প্রাক্তন মন্ত্রী তথা বিজেপি নেত্রী মায়া কোডনানি এবং বজরং দলের নেতা বাবু বজরঙ্গি-সহ ৮৬ জনকে অভিযুক্ত করেছিল। এই ৮৬ জনের মধ্যে ইতিমধ্যেই ১৮ জন মৃত্যু হয়েছে। প্রসঙ্গত ২১ বছর পরে আদালত এদিন এই মামলায় রায় দিল।
২০০২ সালের গোধরায় চলন্ত ট্রেনে আগুন দেওয়ার ঘটনায় ৫৮ জনের মৃত্যু হয়। সেই ঘটনার প্রতিবাদে পরের দিন বনধ ডাকা হয়। সেই সময় আহমেদাবাদের নরোদা গামে সাম্প্রদায়িক হিংসা ছড়িয়ে পড়ে। সেই ঘটনায় ১১ জনের মৃত্যু হয়। এর পর সেই দাঙ্গা ছড়ায় গোটা গুজরাতে। সিটের তদন্তে অভিযুক্ত হন মায়া কোদনানি-সহ বাকিরা।
এর আগে বিশেষ আদালত নরোদা পটিয়া দাঙ্গা মামলায় কোডনানিকে ২৮ বছরের সাজা দেয়। প্রসঙ্গত নরোদা পটিয়া দাঙ্গা ৯৭ জনের মৃত্যু হয়েছিল। যদিও এই মামলায় পরবর্তী সময়ে হাইকোর্ট কোডনানিকে মুক্তি দেয়।
নরোদা গামে গণহত্যার সেই মামলায় অভিযুক্তদের বিরুদ্ধে ভারতীয় দণ্ডবিধির ৩০২ ধারায় খুন, ৩০৭ ধারায় খুনের চেষ্টা, ১৪৩, ১৪৭, ১৪৮ ধারায় দাঙ্গা এবং ১২৯ ও ১৫৩ ধারায় মামলা দায়ের করা হয়।

২০০৯ সালে এই মামলার শুনানি শুরু হয়। মামলায় ১৮৯ জনকে জিজ্ঞাসাবাদ করা হয়। ৫৭ জন প্রত্যক্ষদর্শীর বয়ানও রেকর্ড করা হয়। ১৩ বছর ধরে এই মামলার শুনানি চলে। ২০১৭ সালে মায়া কোডনানিকে আত্মপক্ষ সমর্থনের সাক্ষী হিসেবে অমিত শাহ আদালতে হাজির হয়েছিলেন। এই দাঙ্গার সময় মুখ্যমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীর মন্ত্রিসভায় মন্ত্রী ছিলেন মায়া কোডনানি।
তবে আদালতের এই রায় ঝড় তুলতে পারে বলে মনে করছে বিশেষজ্ঞরা। কেননা বিলকিস বানো গণধর্ষণ মামলায় দোষী সাব্যস্ত হওয়া ১১ জনকে গত বছরের নভেম্বরে বিধানসভা নির্বাচনের আগে মুক্তি দেওয়া হয়েছিল।












Click it and Unblock the Notifications