স্ত্রীকে ভরণপোষণের খরচ দেওয়া থেকে রেহাই স্বামীর! খোরপোশ মামলায় বড় সিদ্ধান্ত আদালতের
স্বামীর-স্ত্রীর মধ্যে সম্পর্ক ভেঙে যাওয়া, ৪৯৮ ধারায় মামলা। সব শেষে ভরণপোষণের মামলা। কিন্তু সেই গার্হস্থ্য হিংসা আইনের অধীনে অন্তর্বর্তীকালীন রক্ষণাবেক্ষণের জন্য এক মহিলার আবেদন খারিজ করে দিয়েছে দিল্লির এক আদালত। রায়ের বলা হয়েছে, মহিলা সুশিক্ষিত এবং তিনি আয় খুঁজে পেতে পারেন।
এখানেই শেষ নয়, আদালত বলেছে ভরণপোষণের অনুমতি দেওয়া হলে অলসতা এবং স্বামীর ওপরে নির্ভরতাকে উৎসাহিত করবে। উল্লেখ্য যে প্রতি মাসে ৫০ হাজার টাকার অন্তর্বর্তী রক্ষণাবেক্ষণের আবেদনের শুনানি চলছিল মেট্রোপলিটান ম্যাজিস্ট্রেটের আদালতে।

বিচারক বলেছেন, অভিযোগকারী মহিলা সুশিক্ষিত। তিনি নিজের জন্য আয়ের উৎস খুঁজে বের করতে সক্ষম। এই পরিস্থিতিতে ভরণপোষণের অনুমতি দেওয়া হলে তা শুধু অলসতাকেই উৎসাহিত করবে না, তা স্বামীর ওপরে নির্ভরতাকে উৎসাহিত করবে। সেই কারণে তিনি ওই মহিলার উপার্জন ক্ষমতাতে বিবেচনা করে ভরণপোষণ দিতে আগ্রহী নন।
আদালত বলেছে, স্বামীর আয় এবং উন্নত জীবনধারণ প্রমাণ করার পরিবর্তে স্ত্রীকে দেখাতে হবে, তিনি নিজের খরচ মেটাতে, বেঁচে থাকতে এবং মৌলিক চাহিদা পূরণ করতে পারছেন না। এখানের আরও বলা হয়েছে অভিযোগকারীকে প্রমাণ করতে হবে, হয় তিনি উপর্দন করছেন না বা তাঁর আয় জীবনযাত্রার মান বজায় রাখার জন্য পর্যাপ্ত নয়, যা তাঁর শ্বশুর বাড়িতে পাওয়া যায়।

আদালতের পর্যবেক্ষণ এই ভরণপোষণের মামলায় স্ত্রী এমবিএ এবং স্বামীর সমান যোগ্য। মহিলা আদালতে জানিয়েছিলেন, স্বামী একজন চিকিৎসক এবং তিনি বেকার।
তবে ভরণপোষণ মামলা নিয়ে আদালতের অন্য রায়ও রয়েছে। দিন কয়েক আগে শুনানির সময় পঞ্জাব ও হরিয়ানা হাইকোর্ট বলেছিল, ভিক্ষা করে হলেও স্ত্রীর জন্য ভরণপোষণের ব্যবস্থা করতে হবে স্বামীকে। এটা স্বামীর নৈতিক এবং আইনগত দায়িত্ব বলেও মন্তব্য করেছিল আদালত।
এখানে বলে রাখা ভাল হাইকোর্ট চরখি দাদরি পারিবারিক আদালতের সিদ্ধান্তের শুনানি করছিল, যেখানে স্বামীকে প্রতিমাসে ৫ হাজার টাকা ভরণপোষণ গিসেবে স্ত্রীকে দিতে নির্দেশ দিয়েছিল। পরে বিষয়টি নিয়ে হাইকোর্টে মামলা হয়।












Click it and Unblock the Notifications