মদ বিক্রির জেরে 'রাজস্বে লক্ষ্মীলাভ' হলেও ঘরের লক্ষ্মীদের কী অবস্থা! কোন ক্ষতির বার্তা রিপোর্টে
করোনা নিয়ে মানুষের মধ্যে সতেচনতা গড়ে তুলতে একদিকে চেষ্টা করে চেলেছে প্রশাসন। অন্যদিকে, সোশ্যাল ডিসটেন্সিংকে বুড়ো আঙুল দেখিয়ে দেদার ভিড় ঠাসাঠাসি লাইনে চলল মদ কেনার হিড়িক। এমন ছবি সোমবার দেশের বিভিন্ন প্রান্তে দেখা গিয়েছে। যা হাড় হিম করেছে দেশবাসীর। আর সাম্প্রতিক এক সর্বভারতীয় সংবাদমাধ্যমের রিপোর্ট বলছে, মদ বিক্রির জেরে দেশে রাজস্বে বিপুল আয় হলেও তা আসলে অনেক কিছুর অনেক বড় ক্ষতি করে দিচ্ছে।

সরকারি সিদ্ধন্ত ও গ্রিন-অরেঞ্জ জোন
সরকারি সিদ্ধান্ত বলেছে, গ্রিন ও অরেঞ্জ জোনে মদের দোকান খুলে দেওয়া হবে। এর সেই সিদ্ধান্তের পর করোনার আতঙ্কের মধ্যে প্রবল গরমেও মানুষ ভিড় জমিয়ে লাইনে ঘণ্টার পর ঘণ্টা দাঁড়িয়ে মদ কিনেছেন। যে ঘটনায় সোশ্যাল ডিসটেন্সিং ধুলোতে মিশেছে। আর এর থেকেই লকডাউনের তৃতীয় পর্যায়তেও থেকে যাচ্ছে করোনা সংক্রমণের আতঙ্ক।

কর্ণাটকে প্রথম দিনেই লক্ষ্মীলাভ
কর্ণাটক সরকার মদের দোকান খোলার পরই সোমবার অর্থাৎ শুধু একদিনে ৪৫ কোটি টাকা আয় করেছে। যা নিঃসন্দেহে অভাবনীয়। কর্ণাটকের আবগারী দফতর জানিয়েছে, লকডাউনে মদের দোকান প্রথম দিনেই এই পরিমাণ আয় হয়েছে সন্ধ্যে ৭ টা পর্যন্ত।

বিপর্যন্ত ঘরের লক্ষ্মী!
লকডাউনে মদের ওপর বাড়তি কর চাপিয়ে বিভিন্ন রাজ্য সরকার অর্থনৈতিক ঘাটতি মেটাতে ব্যস্ত। এদিকে, মদের যোগান নাগরিকদের হাতে আসতেই ঘরে মহিলাদের ওপর মদ্যপ অবস্থায় পুরুষের অত্যাচারের পরিমাণ বড়বে বলে আশঙ্কা। ইতিমধ্যেই লকডাউনে ঘরবন্দি থেকে মহিলাদের ওপর মারধর ও অত্যাচার বাড়ছে বলে জানিয়েছে জাতীয় মহিলা কমিশন। মদের যোগান তাতে আরও ইন্ধন যোগাবে বলে খবর।

পাঞ্জাবে আতঙ্ক
পাঞ্জাবে মদের জেরে মহিলাদের ওপর পুরুষের অত্যাচারের খবর ধীরে ধীরে বাড়ছে। পাঞ্জাব পুলিশের কাছে ইতিমধ্যেই মহিলাদের ওপর অত্যাচারের ৭০০ টি অভিযো এসেছে। এরপর মদ বিক্রি নিয়ে পাঞ্জাবের মহিলা কমিশন প্রশ্ন তুলেছে।












Click it and Unblock the Notifications