দ্বিতীয়বার ছাদনাতলায় ভগবন্ত মান, ইমরান খানের মডেল বলে কটাক্ষ অকালি দলের

পাঞ্জাবের মুখ্যমন্ত্রী ভগবন্ত মান আজ সাত পাকে বাঁধা পড়তে চলেছেন। মান পরিবারে মহা ধুমধামে চলছে বিয়ের অনুষ্ঠান। পাঞ্জাব মুখ্যমন্ত্রীর এই বিয়ে নিয়েই কটাক্ষ করেছেন আকালি দলের মুখপাত্র এবং প্রবীণ নেতা ডঃ দলজিৎ চিমা। তিনি বলেছেন যে বিয়েতে আকালি দলকে আমন্ত্রণ জানানো হয়নি। এ নিয়েই তিনি টুইটারে লিখেছেন, "নয়াদিল্লি মডেলের পরে, এখন পাঞ্জাব সরকার ইমরান খানের মডেল নিয়ে এসেছে।"

অকালি দলের টুইট

অকালি দলের টুইট

চিমা টুইট করে বলেছেন যে , "সৌভাগ্যে ভরে উঠুক নবদম্পতির জীবন এবং সমস্ত পাঞ্জাবিদের অভিনন্দন, তবে এটা দুঃখজনক যে আমাদের আমন্ত্রণই জানানো হয়নি।" মুখ্যমন্ত্রী মান-এর মা, বোন, আত্মীয়স্বজন এবং কয়েকজন অতিথি সহ শুধুমাত্র পরিবারের সদস্যরা বিয়েতে যোগ দেবেন এই বিয়েতে। এমনটাই জানা গিয়েছে সূত্র মারফত। দিল্লির মুখ্যমন্ত্রী এবং এএপি জাতীয় আহ্বায়ক অরবিন্দ কেজরিওয়াল উপস্থিত থাকবেন বলে আশা করা হচ্ছে। এএপি সিনিয়র নেতা এবং রাজ্যসভার সাংসদ রাঘব চাড্ডা আগেই অনুষ্ঠানের জন্য পাঞ্জাবে গিয়ে পৌঁছেছেন। আসলে পালিস্তানের প্রাক্তন প্রধানমন্ত্রী ইমরান খান বার তিনেক বিয়ে করেছেন। সংসার গড়েই হয়েছে ভাঙন। ভগবন্ত মানের এটা দ্বিতীয় বিবাহ। সেটা নিয়েই এভাবে কটাক্ষ করেছে অকাল দল।

 মানের দ্বিতীয় বিয়ে

মানের দ্বিতীয় বিয়ে

পাঞ্জাবের মুখ্যমন্ত্রী ভগবন্ত মান তাঁর প্রথম স্ত্রীয়ের সঙ্গে বিবাহ বিচ্ছেদের ছয় বছর পর আজ একটি ব্যক্তিগত অনুষ্ঠানে ডাঃ গুরপ্রীত কৌরকে বিয়ে করছেন। ভগবন্ত মান এবং তার স্ত্রী ডঃ গুরপ্রীত কৌরের পরিবার, বুধবার, পর্যন্ত তাদের আসন্ন বিয়ের খবর প্রকাশ করেননি। এমনকি তাদের সম্পর্ককে অত্যন্ত গোপন রাখা হয়েছিল।

 প্রথম বিয়ে

প্রথম বিয়ে

ছয় বছর আগে মানের প্রথম বিয়ে শেষ হয়। তার প্রথম স্ত্রী এবং দুই সন্তান মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রে থাকে। তার দুই সন্তানই মার্চে বাবার শপথ অনুষ্ঠানে এসেছিলেন। জানা গেছে, ভগবন্ত মান-এর মা ও বোন পাত্রীকে বেছে নিয়েছিলেন।

ভগবন্ত মান

ভগবন্ত মান

২০১১ সালের প্রথম দিকে, মান পিপলস পার্টি অফ পাঞ্জাব-এ যোগ দেন। ২০১২ সালে, তিনি লেহরা কেন্দ্রে বিধানসভা নির্বাচনে ব্যর্থ হয়েছিলেন। মার্চ ২০১৪ সালে, মান সাঙ্গরুর লোকসভা কেন্দ্রে নির্বাচনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করার জন্য আম আদমি পার্টিতে যোগ দেন। তিনি তার প্রথম লোকসভা নির্বাচনে প্রাক্তন কেন্দ্রীয় মন্ত্রী সুখদেব সিং ধীন্ডসার বিরুদ্ধে লড়েছিলেন এবং ২ লক্ষের বেশি ভোটে ভোটে জয়ী হন।

২০১৭ সালে, মানকে আপ পাঞ্জাবের আহ্বায়ক হিসাবে নিযুক্ত করা হয়েছিল। ২০১৮ সালে তিনি আহ্বায়ক পদ থেকে পদত্যাগ করেন যখন অরবিন্দ কেজরিওয়াল মাদক মাফিয়া মামলায় মজিথিয়ার জড়িত থাকার বিষয়ে কেজরিওয়ালের অভিযোগের জন্য বিক্রম সিং মাজিথিয়ার কাছে নিঃশর্ত ক্ষমা প্রার্থনা করেন। ২০১৭ সালে, তিনি সুখবীর সিং বাদল এবং রবনীত সিং বিট্টুর বিরুদ্ধে জালালাবাদে বিধানসভা নির্বাচনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করেছিলেন। তিনি বাদলের কাছে ১৮,৫০০ ভোটে হেরে যান। জানুয়ারী ২০১৯ সালে, মানকে দ্বিতীয়বারের জন্য আপ পাঞ্জাবের আহ্বায়ক হিসাবে নিযুক্ত করা হয়েছিল। ২০২২ এ তিনি পাঞ্জাবের মুখ্যমন্ত্রি হন নির্বাচনে জিতে।

Notifications
Settings
Clear Notifications
Notifications
Use the toggle to switch on notifications
  • Block for 8 hours
  • Block for 12 hours
  • Block for 24 hours
  • Don't block
Gender
Select your Gender
  • Male
  • Female
  • Others
Age
Select your Age Range
  • Under 18
  • 18 to 25
  • 26 to 35
  • 36 to 45
  • 45 to 55
  • 55+