উত্তর থেকে দক্ষিণ, মোদীর প্রশংসায় দুই বিরোধী নেতা! ঠেস রাহুল ও কংগ্রেসকে
চব্বিশ ঘন্টায় দুই বিরোধী নেতা প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীর প্রশংসায়। প্রশংসায় সামিল হয়েছেন এনসিপির সিনিয়র নেতা অজিত পাওয়ার। অন্যদিকে প্রধানমন্ত্রীর প্রশংসা করেছেন প্রাক্তন কংগ্রেস নেতা গুলাম নবি আজাদ। একদিকে জম্মু ও কাশ্মীরের প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী গুলাম নবি যখন কংগ্রেসকে আক্রমণ করেছেন, তখন অজিত পাওয়ারকে নিয়ে ভিন্ন মত জোট সঙ্গী শিবসেনা ইউবিটির।

কী বলেছেন অজিত পাওয়ার
জোটসঙ্গী শিবসেনা ইউবিটির সঞ্জয় রাউত বলেছেন, প্রধানমন্ত্রী মোদীর উচিত তাঁর শিক্ষাগত যোগ্যতা জানাতে সামনে এগিয়ে আসা। অরবিন্দ কেজরিওয়াল থেকে অপর জোটসঙ্গী কংগ্রেস সবাই মোদীর ডিগ্রি প্রকাশ্যে আনার দাবি তুলেছে। কিন্তু এনসিপি নেতা অজিত পাওয়ার বলেছেন ২০১৪ সালে মানুষ কি মোদীকে তাঁর ডিগ্রি দেখে ভোট দিয়েছিল? কাশ্মীর থেকে কন্যাকুমারী পর্যন্ত তিনি যে ক্যারিশমা তৈরি করেছিলেন, যা বিজেপির কারও মধ্যে ছিল না। এর কৃতিত্ব পুরোটাই নরেন্দ্র মোদীর বলেছেন তিনি।

গণতন্ত্রে সংখ্যাগরিষ্ঠতাই গুরুত্ব-পূর্ণ
অজিত পাওয়ার আরও বলেছেন, গণতন্ত্রে সংখ্যাগরিষ্ঠতাকেই গুরুত্ব দেওয়া হয়। ৫৪৩ আসনের লোকসভায় যার সংখ্যাগরিষ্ঠতা থাকবে, তিনিই প্রধানমন্ত্রী হন। এনসিপি নেতা বলেছেন মোদী গত নয় বছর ধরে দেশের প্রতিনিধিত্ব করছেন। কোনও ডিগ্রি নয়, দেশের সামনে মুদ্রাস্ফীতি আর বেকারত্বই মূল বিষয়।
তিনি বলেছেন, এলপিজি কিংবা নিত্য প্রয়োজনীয় জিনিসপত্রের মূল্যবৃদ্ধি নিয়ে কেউ আলোচনা করতে চায় না। তিনি মনে করেন মোদীর শিক্ষাগত যোগ্যতা সংক্রান্ত ইস্যুকে গুরুত্ব দেওয়া উচিত নয়।

মোদী অত্যন্ত উদার
অন্যদিকে এদিন প্রধানমন্ত্রী মোদীর প্রশংসা করেছেন প্রাক্তন কংগ্রেসী গুলাম নবি আজাদ। মোদীকে তিনি উদার বলেছেন। গুলাম নবি বলেছেন তিনি ৩৭০ ধারা, সিএএ কিংবা হিজাব সব ইস্যুতে মোদীকে নিশানা করেছিলেন। কিন্তু মোদী এব্যাপারে রাজনীতিকের মতো আচরণ করেছেন, কোনও প্রতিশোধ নেননি।
এব্যাপারে উল্লেখ করা প্রয়োজন, কংগ্রেস, তৃণমূল কংগ্রেস সহ অন্য বিরোধী দলগুলি মোদী সরকারের পাশাপাশি প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী এবং অমিত শাহের বিরুদ্ধে প্রতিহিংসা পরায়নতার অভিযোগ তুলেছে। সেখানেই ভিন্নমত প্রকাশ করলেন গুলাম নবি আজাদ।

জনগণের ওপরে প্রভাব নেই বর্তমান কংগ্রেসের
গুলাম নবি আজাদ বলেছেন নেহরু, ইন্দিরা গান্ধী, রাজীব গান্ধীর দৃঢ়তা ছিল, তাদের প্রতি জনসমর্থন ছিল, সম্মান ছিল। তিনি বর্তমান কংগ্রেস নেতৃত্বকে কটাক্ষ করে বলেছেন জনগণের ওপরে বর্তমাব নেতৃত্বের কোনও প্রভাব নেই। প্রসঙ্গত গত বছরের অগাস্টে কংগ্রেসের প্রাথমিক সদস্যপদ ত্যাগ করে তিনি পদত্যাগ পত্রে রাহুল গান্ধীকে তীব্র আক্রমণ করেছিলেন।












Click it and Unblock the Notifications