শরদ পাওয়ারের প্রস্থানে এনসিপির শীর্ষপদে কি যৌথ নেতৃত্ব! অজিত-সুপ্রিয়াকে নিয়ে জল্পনা
শরদ পাওয়ার দলের সর্বোচ্চ পদ ছাড়ার পর থেকেই জল্পনা শুরু হয়েছে, কে হবেন তাঁর স্থলাভিষিক্ত। তা নিয়ে চর্চার মাঝেই নয়া জল্পনা শুরু হয়েছে শরদ-কন্যা সুপ্রিয়া সুলে ও ভাইপো অজিত পাওয়ার উভয়কেই শীর্ষ ভূমিকা দেওয়া হতে পারে। তবে এখনো কোনো সিদ্ধান্ত হয়নি।
শরদ পাওয়ার জাতীয়তাবাদী কংগ্রেস পার্টির সভাপতির পদ ছাড়ার কথা ঘোষণার পর তা আর পুনর্বিবেচনা করতে সম্মত নন। তিনি পদের শীর্ষ পদ ছাড়ার কথা জানাতেই জল্পনা, এবার তিনি মেয়ে সুপ্রিয়া সুলেকে দলের শী্র্ষ পদে বসাতে চান। আর ভাইপো অজিত পাওয়ারকে দিতে চান রাজ্যের প্রধানের পদ। তিনিই হবেন মহারাষ্ট্রে দলের মুখ্যমন্ত্রী পদপ্রার্থী।

যদিও এনসিপির নেতা ও কর্মীরা এখনও চাইছেন শরদ পাওয়ারে মন পরিবর্তন করতে। তাঁকেই দলের নেতৃত্বে ছাইছেন তাঁরা। শরদ পাওয়ারের দলে অনেক বড় নাম রয়েছে শীর্ষপদে বসার জন্য। শুধু কন্যা সুপ্রিয়া সুলে বা ভাইপো অজিত পাওয়ার নন। দলের শীর্ষ পদে বসার যোগ্য ব্যক্তিদের মধ্যে রয়েছেন প্রফুল্ল প্যাটেলও।
শরদ পাওয়ারের পদত্যাগের পর দলের সাধারণ সম্পাদক পদ থেকে জিতেন্দ্র আওহাদও পদত্যাগের বার্তা দিয়েছেন। আবার প্রফুল্ল প্যাটেল জানিয়েছেন, তিনি দলের সভাপতি হতে আগ্রহী নন। এরই মধ্যে সুপ্রিয়া সুলে আবার দলে দুটি বড় পরিবর্তনের ইঙ্গিত দিয়েছিলেন।

তিনি বলেছিলেন, একটি পরিবর্তন হবে মুম্বইয়ে এবং একটি দিল্লিতে। শরদ পাওয়ারের পদত্যাগ এই বিস্ফোরণের মধ্যে একটি বলে মনে করা হচ্ছে। এখন একেবারেই স্পষ্ট যে সুপ্রিয়া সুলে, শরদ পাওয়ারের এই সিদ্ধান্ত সম্পর্কে ভালোভাবে সচেতন ছিলেন। দীর্ঘদিনের সাংসদ হিসাবে সুপ্রিয়ার ঝোঁক জাতীয় রাজনীতিতে। তাই তাঁকে দলের সভাপতি হিসাবে বেছে নেওয়া হতে পারে।
আবার অজিত পাওয়ার মহারাষ্ট্রের মুখ্যমন্ত্রী পদ পাওয়ার ব্যাপারে উচ্চাকাঙ্ক্ষী। তিনি মহারাষ্ট্রে দলকে নেতৃত্ব দিতে বেশি প্রত্যাশী। তাই তাঁকে মহারাষ্ট্রে নেতৃত্ব দিয়ে সুপ্রিয়া সুলেকে বসানো হতে পারে শীর্ষ পদে। তাহলে দুদিকই রক্ষা হবে। শরদ পাওয়ার মঙ্গলবার শীর্ষ পদ থেকে ইস্তফার ঘোষণার পর দলের সঙ্গে থাকবেন বলে জানিয়েছিলেন।

বুধবার যথারীতি তিনি সকাল ১০টা থেকে দুপুর ১টা পর্যন্ত যশবন্তরাও চ্যবন প্রতিষ্ঠানে লোকজনের সঙ্গে দেখা করেন। এনসিপি নেতারা যশবন্তরাও চ্যাবন কেন্দ্রে দলের ভবিষ্যত কর্মপন্থা নিয়ে আলোচনা করেন। অবশ্য শরদ পাওয়ার এই বৈঠকে যোগ দেননি। এনসিপির নেতৃ্ত্ব নিয়ে কোনো সমস্যা হবে না বলে জানান দলের বর্ষীয়ান নেতারা।












Click it and Unblock the Notifications