হাসিনার বিমান ঢুকতেই বাংলা থেকে উড়ে যায় রাফাল! ছুটে যান দোভাল, বিস্তারিত জানলে চমকে উঠবেন
Sheikh Hasina: জুন মাস থেকে উত্তপ্ত বাংলাদেশ! কোটা সংস্কারের দাবিতে আন্দোলনের সূত্রপাত। কিন্তু হঠাত করে বদলে যায় প্রতিবাদের ভাষা। প্রধানমন্ত্রী পদে শেখ হাসিনার পদত্যাগ চেয়ে নতুন করে উত্তাল হতে শুরু করে বাংলাদেশের অবস্থা। যা আরও ভয়ঙ্কর আকার নেয়।
প্রবল চাপে শেষমেশ প্রধানমন্ত্রী পদ থেকে ইস্তফা দিতে বাধ্য হন শেখ হাসিনা (Sheikh Hasina)। আর এরপরেই ভারতে চলে আসেন তিনি। কিন্তু কতটা সহজ ছিল গোটা প্রক্রিয়া?

জানা যায়, ইস্তফার আগে ভারতের কাছে শর্ট নোটিশে আসার কথা জানান হাসিনা (Sheikh Hasina)। এহেন আবেদনের পরেই নিরাপত্তা এজেন্সিগুলির মধ্যে উচ্চ পর্যায়ের বৈঠক হয়। এরপরেই সবুজ সঙ্কেত দেওয়া হয়। কিন্তু ভারতের তাঁর নিরাপত্তার বিষয়টি গুরুত্বপূর্ণ ছিল। বিশেষ করে বাংলাদেশে যেহেতু রাজনৈতিক অস্থিরতা চলছে, তাই ভারতকে প্রাক্তন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে হত। আর তাই সব রকম পরিস্থিতির জন্য প্রস্তুত ছিল ভারতের নিরাপত্তা সংস্থাগুলি। এমনকি এয়ার ফোর্সের বিমানেও যাতে নিয়ে আসা যায় তা নিয়েও প্রস্তুতি চলছিল।
আর তার মধ্যেই সোমবার বেলা তিনটে নাগাদ ভারতীয় বিমান বাহিনীর রযাডারে ধরা পড়ে একটি এয়ারক্র্যাফট। যেটি বাংলাদেশ থেকে ভারতের দিকে আসছিল। শুধু তাই নয়, ভারতীয় আকাশসীমায় ঢোকার অনুমতি চাওয়া হয় ওই বিমানের তরফে। জানানো হয়েছে বিমানে একজন হাইপ্রোফাইল প্যাসেঞ্জার আছে। সঙ্গে সঙ্গে অনুমতি দেওয়া হয়। শুধু তাই নয়, পশ্চিমবঙ্গের (West Bengal) হাসিমারা এয়ারবেস (Hashimara air base) থেকে সঙ্গে দুটি রাফালকে (Rafale fighter jet) পাঠানো হয় হাসিনার বিমানের নিরাপত্তার জন্য।
কার্যত একেবারে নিয়ম করে বাংলাদেশ বিমানবাহিনীর C-130J বিমানটিকে কর্ডন করে ফেলে এয়ারফোর্সের দুই যুদ্ধবিমান। একেবারে নির্দিষ্ট পথ ধরে গাজিয়াবাদের হিন্ডন এয়ারবেসে একেবারে নিরাপদে পৌঁছে দেওয়া হয়। আকাশপথে দীর্ঘ পথে সর্বক্ষন যোগাযোগ রাখা বিমানটির সঙ্গে। আর এই গোটা বিষয়টি একেবারে গুরুত্ব দিয়ে মনিটরিং করেন একাধিক ভারতীয় নিরাপত্তা সংস্থা, পাশাপাশি এয়ার চিফ মার্সাল ভিআর চোধুরী সহ বিমান এবং সেনাবাহিনীর একাধিক শীর্ষ আধিকারিক।
ঘড়ির কাটা ঠিক বিকেল ৫টে বেজে ৪৫ মিনিট। হিন্ডন বিমানবন্দরে নামে শেখ হাসিনার বিশেষ বিমান। এরপরেই সেখানে চলে যান জাতীয় নিরাপত্তা উপদেষ্টা অজিত দোভাল। বিমানঘাঁটিতেই দীর্ঘক্ষণ বৈঠক হয়। বাংলাদেশের পরিস্থিতি জানতে চান। অন্যদিকে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীর নেতৃত্বে দিল্লিতে শুরু হয় নিরাপত্তা সংক্রান্ত ক্যাবিনেট কমিটির বৈঠক। সেই বৈঠকে যাবতীয় তথ্য জানান দোভাল।












Click it and Unblock the Notifications