ভারতে এমপক্স ছড়িয়ে পড়ার আশঙ্কা, বিমানবন্দর ও হাসপাতালগুলিকে সতর্কবার্তা কেন্দ্রের
বিশ্বস্বাস্থ্য সংস্থা মাঙ্কি পক্স (এমপক্স)কে বিশ্বব্যাপী জনস্বাস্থ্যে জরুরি হিসেবে ঘোষণা করেছে। এরই প্রেক্ষিতে কেন্দ্রীয় সরকার সব ধরনের জরুরি অবস্থার প্রস্তুতি নিয়েছে। বিমানবন্দরগুলিতেও সতর্কতামূলক পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে।
সূত্রের খবর, কেন্দ্রীয় সরকার ফুসকুড়িযুক্ত রোগীদের সনাক্ত করতে এবং আইসোলেশন ওয়ার্ড তৈরি করতে হাসপাতালগুলিকে নির্দেশ দিয়েছে। দিল্লির তিন নোডাল হাসপাতাল সফদরজং, লেডি হার্ডিঞ্জ মেডিক্যাল কলেজ ও রাম মনোহর লোহিয়া হাসপাতালকে এর জন্য চিহ্নিত করা হয়েছে। সন্দেহভাজন রোগীদের আরটিপিসিআর ও নাকের সোয়ব সংগ্রহ করা হবে।

- বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার জরুরি অবস্থা
বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা সম্প্রতি দুই বছরের মধ্যে দ্বিতীয়বারের মতো এমপক্সকে বিশ্বব্যাপী জনস্বাস্থ্যে জরুরি অবস্থা ঘোষণা করেছে। ভাইরাসের একটি নতুন স্ট্রেন শক্তি বাড়িয়েছে। এর ফলে যৌন সংযোগ-সহ ঘনিষ্ঠ সংযোগের মাধ্যমে এই রোগ সহজে ছড়িয়ে পড়ার আশঙ্কা তৈরি হয়েছে।
- আপাতত ভারতে কোনও রেকর্ড নেই
ভারতে এখনও পর্যন্ত এমপক্সের নতুন স্ট্রেনের কোনও ঘটনা রেকর্ড করা হয়নি। তবে সাম্প্রতিক সময়ে প্রতিবেশী পাকিস্তানে গত ১৬ অগাস্ট তিনজন এমপক্সের রোগী সনাক্ত করা হয়। এঁরা সংযুক্ত আরব আমিরশাহি থেকে এসেছিলেন। এর আগে আফ্রিকার বইরে সুইডেন এমপক্সের প্রথম কেস নিশ্চিত করেছিল।
- গত দুই বছরে ভারতে সংক্রমণ
স্বাস্থ্যমন্ত্রক সূত্রে খবর, ২০২২-এর জুন থেকে ২০২৩-এর মে পর্যন্ত দেশে ৩০ জন এমপক্স আক্রান্তকে সনাক্ত করা হয়েছিল। তবে এঁদের অধিকাংশই বিদেশি। তবে স্বাস্থ্য মন্ত্রক সূত্রে খবর, শেষ যে স্ট্রেন ছিল তার তুলনায় নতুনটিতে মৃত্যুর সম্ভাবনা অনেকটাই বেশি। তবে স্বাস্থ্য মন্ত্রকের এক আধিকারিকের কথা অনুযায়ী, যাঁদের গুটি বসন্তের টিকা নেওয়া রয়েছে তাঁদের সংক্রমিত হওয়ার ভয় নেই।












Click it and Unblock the Notifications