মহিলা সহকর্মীকে ধর্ষণের অভিযোগে গ্রেফতার বায়ু সেনা লেফটেন্যান্ট অফিসার
ধর্ষণ করার অভিযোগে ধৃত বায়ু সেনা অফিসার
সহকর্মীকে ধর্ষণ করার অভিযোগ উঠল এক ভারতীয় বায়ু সেনা অফিসারের বিরুদ্ধে। রবিবার তাকে কোয়েম্বাটোর থেকে গ্রেফতার করে পুলিশ। আক্রান্ত মহিলার অভিযোগ খতিয়ে দেখা হচ্ছে। জানা গিয়েছে, ওই মহিলা বা্যু সেনা শিবিরে প্রশিক্ষণের জন্য এসেছিলেন।

দশদিন আগে ঘটেছে ধর্ষণের ঘটনা
পুলিশ সূত্রে জানা গিয়েছে, যৌন নির্যাতনের এই ঘটনাটি দশদিন আগে ঘটেছিল। পুলিশের শীর্ষ আধিকারিক এই ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে বলেছেন, 'হ্যাঁ, অভিযুক্ত বায়ু সেনা অফিসারকে রবিবারই গ্রেফতার করা হয়েছে এবং তাকে ২ দিনের বিচার বিভাগীয় হেফাজতে রাখা হয়েছে।' যদিও অভিযুক্তের আইনজীবী জানিয়েছেন যে পুলিশ কোনওভাবেই বায়ু সেনা অফিসারের বিরুদ্ধে ওঠা অভিযোগের তদন্ত করতে পারে না।

৩৭৬ ধারায় মামলা দায়ের
তদন্তকারীরা জানিয়েছেন যে অভিযুক্ত ২৯ বছরের ফ্লাইট লেফটেন্যান্ট, তিনিও ছত্তিশগড় থেকে কোয়েম্বাটোর রেস কোর্সের কাছে বায়ুসেনা শিবিরে প্রশিক্ষণের জন্য এসেছিল। অভিযুক্তের বিরুদ্ধে ৩৭৬ ধারা ধর্ষণের মামলা রুজু করা হয়েছে। তদন্তে উঠে এসেছে যে মহিলা বায়ু সেনা অফিসারকে কোয়েম্বাটোর বায়ু সেনা প্রশাসনিক কলেজে যৌন নির্যাতন করা হয়। এই ঘটনাটি ২ সপ্তাহ আগে ঘটেছে এবং মহিলা অফিসার বায়ু সেনা কর্তৃপক্ষের কাছে এ বিষয়ে অভিযোগ জানিয়েও কোনও ফল পাননি। এরপরই ওই মহিলা কোয়েম্বাটোর পুলিশের কাছে অভিযোগ দায়ের করেন এবং সেই অভিযোগে উল্লেখ রয়েছে যে বায়ু সেনার তদন্তে সন্তুষ্ট নন তিনি।

মহিলা তাঁর অভিযোগে কি জানিয়েছেন
জানা গিয়েছে, ওই মহিলা কলেজের হস্টেলেই থাকতেন এবং গত ১০ সেপ্টেম্বর খেলতে গিয়ে তিনি চোট পান। এরপর তিনি নিজের প্রাথমিক চিকিৎসা করিয়ে নিজের ঘরে গিয়ে ঘুমিয়ে পড়েন, এরপর তিনি যখন রাতে ওঠেন তখনই তাঁর ওপর যৌন নির্যাতন হয়। প্রসঙ্গত, গত মাস থেকে ৩০ জন অফিসারের প্রশিক্ষণ শুরু হয়েছে এখানে। ওই মহিলা কোযেম্বাটোর পুলিশ কমিশনারের অফিসে অভিযোগ জানান, যেখান থেকে এই অভিযোগ পাঠিয়ে দেওয়া হয় মহিলা পুলিশ স্টেশনে। তারাই ঘটনার তদন্ত করছে। তদন্তের সময়ই অভিযুক্ত ফ্লাইট লেফটেন্যান্ট অমরিন্দর, যে ছত্তিশগড়ের বাসিন্দা, তাকে বিচারকের বাড়িতে নিয়ে যাওয়া হয়, যেখানে সে আত্মসমর্পণ করে।

বায়ু সেনার অফিসারের শুনানি ডিফেন্স আদালতে
অভিযুক্ত অমরিন্দরের আইনজীবী আদালতকে জানিয়েছে যে কোয়েম্বাটোর পুলিশের কোনও এক্তিয়ার নেই একজন বা্যু সেনা আধিকারিকের বিরুদ্ধে তদন্ত করার। আইনজীবী আরও জানান যে ডিফেন্স আদালতে এই মামলার শুনানি হওয়া উচিত। অন্যদিকে পাল্টা হলফনামা দাখিলের জন্য পুলিশ সময় চেয়েছে।












Click it and Unblock the Notifications