কীভাবে সোশ্যাল মিডিয়াকে অস্ত্র করে সাফল্যের মুখ দেখছে অল ইন্ডিয়া রেডিও দারভাঙা! জানুন
কেন্দ্রের তরফে ডিজিটাল ইন্ডিয়া গঠনে কিছুদিন আগেই একটি বড় উদ্যোগ নেওয়া হয়। দূরদর্শন ও অল ইন্ডিয়া রেডিওর ২৬০ স্টেশনের জন্য টুইটার অ্যাকাউন্ট চালু করা হয়।
কেন্দ্রের তরফে ডিজিটাল ইন্ডিয়া গঠনে কিছুদিন আগেই একটি বড় উদ্যোগ নেওয়া হয়। দূরদর্শন ও অল ইন্ডিয়া রেডিওর ২৬০ স্টেশনের জন্য টুইটার অ্যাকাউন্ট চালু করা হয়। রেডিও স্টেশনগুলির মধ্যে অন্যতম বিহারের দারভাঙার অল ইন্ডিয়া রেডিও। যে রেডিও স্টেশন সোশ্যাল মিডিয়ার হাত ধরে ক্রমেই সাফল্যের পথে এগিয়ে চলেছে।

৩৪ বছরের মিস্টার রণধীর ঠাকুর এআইআর দারভাঙার প্রোগ্রাম কোঅর্ডিনেটর। ১৫ বছর ধরে তিনি ভারতীয় নৌসেনায় ছিলেন। আর এই প্রাক্তন নৌসেনাকর্মীই বর্তমানে নতুন দিশা দেখাচ্ছে অল ইন্ডিয়া রেডিও দারভাঙাকে। তাঁর সঙ্গে কথোপোকথনে উঠে এল বিভিন্ন দিক।

রেডিওর জনপ্রিয়তা নিয়ে আপনার কী মতামত?
রণধীর ঠাকুর: রেডিওর জনপ্রিয়তা কমছে ঠিকই, তবে ব্রডকাস্টিং ডিভাইস হিসাবে এটি একেবারে শেষ হয়ে যায়নি। গ্রামের দিকে, এখনও রেডিও শোনা হয়। এমনকি প্রধানমন্ত্রীর 'মন কি বাত' অনুষ্ঠান এখনও শোনা হয় গ্রামের দিকে। পাশাপাশি শহরের মানুষও আগ্রহী হচ্ছেন এই অনুষ্ঠান শোনবার জন্য। আমাদের প্রধানমন্ত্রীই উৎসাহ যোগান ডিজিটাল ইন্ডার পক্ষে , আর সেজন্যই আরও বেশি শ্রোতার কাছে পৌঁছতে আমরা সোশ্যাল মিডিয়ার হাত ধরে এগোচ্ছি।
কীভাবে শ্রোতার সংখ্যা বাড়াচ্ছেন?
রণধীর ঠাকুর: শুধুমাত্র সোশ্যাল মিডিয়ার মাধ্যমেই আমরা এগিয়ে যাচ্ছি, তা ঠিক নয়। আমরা বিভিন্ন ডিজিটাল পদ্ধতি ব্যবহার করছি। সাউন্ড ক্লাউড, ইউটিউব চ্যানেল ইত্যাদির মাধ্যমে এগিয়ে চলেছি আমরা। পাশাপশি আমরা ছোট ছোট ভিডিও-এ তৈরি করছি।
স্মার্টফোনের বাজারে রেডিও কীভাবে টিকে রয়েছে?
রণধীর ঠাকুর: আমরা সর্বতভাবে চেষ্টা করছি শ্রোতাদের পর্যন্ত পৌঁছতে। চিনের পর ভারতেই সবচেয়ে বেশি স্মার্টফোন ব্যবহারকারী রয়েছে। বিহারেও মোবাইল ব্যবহারকারীর সংখ্য়া কম নয়। আর এই ভাবনাকে সঙ্গে নিয়েও আমরা মোবাইল ব্যবহারকারীদের কাছেও পৌঁছে যাই। যাঁদের কাছে রেডিও নেই, তাঁদের কাছেও মোবাইলের মাধ্যমে পৌঁছে যায় রেডিওর প্রোগ্রাম।

সোশ্যাল মিডিয়া স্ট্র্যাটেজি কী আপনাদের?
রণধীর ঠাকুর: আমাদের অনুষ্ঠানকে আমরা সবচেয়ে বেশি গুরুত্ব দিয়ে থাকি। সোশ্যাল মিডিয়ায় কিছু প্রমোশনের জন্য আমরা খুব ভালো প্ল্যান করে থাকি। আমাদের সেভাবে কোনও বিশেষ সোশ্য়াল মিডিয়া টিম নেই। দু'জন কর্মীর সঙ্গে মিলে আমি নিজেই এআইআর দারভাঙার জন্য উদ্য়োগ নিয়েছি।
শ্রোতারা কী বলছেন ?
রণধীর ঠাকুর: আমরা অনুষ্ঠানের বিষয়বস্তু নিয়ে কোনও অভিযোগ পাইনি। আমরা ফেসবুকে অনেকদিন ধরে রয়েছি। এআইআর দারভাঙার ফেসবুকে তিন মাসে এসেছে ২৫০০ 'লাইক'। এখন লাইক-এর সংখ্যা লাখ ছাড়িয়েছে সব মিলিয়ে। টুইটারেও আমরা বেশ এগিয়ে।
Coming soon!!
— All India Radio Darbhanga (@airdarbhanga) September 8, 2018
All our popular programmes on @YouTube @prasarbharati @shashidigital @mediasurya @fsheheryar #prasarbharati #allindiaradio pic.twitter.com/kGwwanBE6A
রেডিও অনুষ্ঠানগুলির প্রভাব
শুধুমাত্র যুব সমাজকে সামনে রেখেই আমরা এগোচ্ছি তা নয়। সমস্ত বয়সের মানুষের জন্যই রয়েছে আমাদের অনুষ্ঠান। এআইআর দারভাঙা গোটা উত্তর বিহারের ৯ টি জেলায় বেশ জনপ্রিয়। এই মিথিলাঞ্চল এলাকায়
সোশ্যআল মিডিয়া এই জনপ্রিয়তাকে বাড়িয়ে তুলতে বেশ সাহায্য করেছে। আমাদের টুইটার হ্যান্ডেলে মুম্বই, পশ্চিমবঙ্গ থেকেও টুইট আসে। আপাতত আঞ্চলিক ইস্যুকে জাতীয় ও আন্তর্জাতিক স্তরে নিয়ে যাওয়ার লক্ষ্য নিয়েই আমরা এগিয়ে চলেছি।












Click it and Unblock the Notifications