মোদী নিয়েছেন কোভ্যাক্সিন, কেন নয় কোভিশিল্ড প্রশ্ন তুলে শোরগোল ফেললেন ওয়েইসি
করোনার টিকাতেও রাজনীতি। দেশে করোনার অন্যতম টিকা কোভিশিল্ডের কার্যকারিতা নিয়ে প্রশ্ন তুললেন মিম প্রধান আসাদউদ্দিন ওয়েইসি (asaduddin owaisi) । এদেশে ডিজিসিআই এখনও পর্যন্ত যে দুটি টিকার অনুমোদন দিয়েছে তার মধ্যে অন্য
করোনার টিকাতেও ( corona vaccine) রাজনীতি। দেশে করোনার অন্যতম টিকা কোভিশিল্ডের (covishild)কার্যকারিতা নিয়ে প্রশ্ন তুললেন মিম প্রধান আসাদউদ্দিন ওয়েইসি (asaduddin owaisi) । এদেশে ডিজিসিআই এখনও পর্যন্ত যে দুটি টিকার অনুমোদন দিয়েছে তার মধ্যে অন্যতম হল কোভিশিল্ড। ওয়েইসি এদিন জার্মান সরকারের রিপোর্ট দেখিয়ে দাবি করেন, কোভিশিল্ড ১৮ থেকে ৬৪ বছরের মধ্যে কার্যকরী। কিন্তু তা ৬৪ বছরের ওপরে কাজ করে না।

এদিন সকালে প্রধানমন্ত্রী ভ্যাকসিন নেন
এদিন একেবারে সকালে করোনার প্রথম টিকা নিলেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী। এইমসে গিয়ে সকাল ৬.২৫ নাগাদ তিনি এই টিকা নেন। প্রধানমন্ত্রী মোদী ভারত বায়োটেকের তৈরি কোভ্যাকসিন নিয়েছেন। তাঁকে করোনার টিকা দেন পুদুচেরির নার্স পি নিভেদা। এরপর ৩৫ মিনিট প্রধানমন্ত্রীকে পর্যবেক্ষণে রাখা হয়। তারপর প্রধানমন্ত্রী সকাল সাতটা নাগাদ তাঁর বাসভবন সাত লোককল্যাণ মার্গের উদ্দেশ্যে রওনা দেন। টিকা নেওয়ার পরে প্রধানমন্ত্রী যারা টিকা নেওয়ার যোগ্য তাঁদেরকে টিকা নেওয়ার অনুরোধ করেন। পাশাপাশি দেশকে করোনা মুক্ত করার ডাক দেন তিনি।

টিকার তফাত নিয়ে ওয়েইসি
বিষয়টি নিয়ে মন্তব্য করতে গিয়ে ওয়েইসি বলেন, দেশে প্রত্যেকের করোনার ভ্যাকসিন নিতে হবে, তা কোভিশিল্ড হোক কিংবা কোভ্যাকসিন। কিন্তু তাঁর প্রশ্ন রয়েছে। অক্সফোর্ড-অ্যাস্ট্রাজেনিকার তৈরি ভ্যাকসিন কোভিশিল্ড দেশে তৈরি করেছে সিরাম ইনস্টিটিউট। জার্মান সরকার বলেছে, অ্যাস্ট্রাজেনিকার ওয়েবসাইটে বলা হয়েছে ওই ভ্যাকসিন ১৮ থেকে ৬৪ বছরের মধ্যে ভাল কার্যকরী। কিন্তু যাঁদের বয়স ৬৪-র বেশি, তাঁদের ক্ষেত্রে তা ফলদায়ক নয়।

বিভ্রান্তি দূর করার দাবি
এদিন ওয়েইসি বলেন কাকতালীয় ভাবে প্রধানমন্ত্রী মোদী কোভ্যাকসিনের ডোজ নিয়েছেন। ফলে তিনি সরকারের কাছে কোভিশিল্ড নিয়ে বিভ্রান্তি দূর করার দাবি করেছেন। হায়দরাবাদের সাংসদ একইসঙ্গে বলেছেন, তিনি আশাবাদী দেশের কোণায় কোণায় ভ্যাকসিন পৌঁছে যাবে।

সম্পূর্ণ দেশীয় প্রযুক্তিতে তৈরি হয়েছে কোভ্যাক্সিন
দেশে দ্বিতীয় ভ্যাকসিন হিসেবে জরুরি ভিত্তিতে কোভ্যাক্সিনকে অনুমোদন দিয়েছে ডিজিসিআই। এই কোভ্যাক্সিন সম্পূর্ণ দেশীয় প্রযুক্তিতে তৈরি করা হয়েছে। যা তৈরি করেছে হায়দরাবাদের ভাত বায়োটেক।












Click it and Unblock the Notifications