দলের ভাঙন রুখতে নির্বাচনের বিকল্প নেই, শীঘ্রই নয়া সভাপতি পাচ্ছে কংগ্রেস

সোমবার দিনভর দীর্ঘ নাটকের পর শেষ হয় কংগ্রেসের ওয়ার্কিং কমিটির বৈঠক। এবং বৈঠক শেষে সেই গান্ধী পরিবারের হাতেই থেকে যায় কংগ্রেসের চাবিকাঠি। অন্তরবর্তিকালীন সভানেত্রী হিসাবে ঘোষণা হয় সনিয়া গান্ধীর নাম। তবে বর্তমান পরিস্থিতিতে ধামাচাপা দেওয়া সম্ভব হয়েছে। তবে এই অসন্তোষের আগুন এখনও জ্বলছে ধিকধিক করে।

নির্বাচন হতে পারে জানুয়ারিতে

নির্বাচন হতে পারে জানুয়ারিতে

অন্তর্বর্তী সভানেত্রীর পদে থাকতে চান না বলে আগেই জানিয়েছিলেন। সূত্রের খবর, সোমবারের বৈঠকের শুরুতেই তাঁর পরিবর্ত খুঁজতে ওয়ার্কিং কমিটির সদস্যদের বলেন সনিয়া গান্ধী। কিন্তু, তাঁরই এই পদে থাকা উচিত বলে পরামর্শ দেন মনমোহন সিং। পদ না ছাড়ার জন্য আবেদন করেন এ কে অ্যান্টনিও। তবে শেষ পর্যন্ত পদে বহাল থাকেন সনিয়া। যদিও রাহুল দাবি জানান, এআইসিসি-র বৈঠক ডাকা হোক ছয় মাসের মধ্যেই। এবং সূত্রের খবর জানুয়ারিতেই সেই সভা বসবে এবং নির্বাচিত হবেন নয়া সভাপতি।

২৩ জন কংগ্রেস নেতার একটি চিঠি

২৩ জন কংগ্রেস নেতার একটি চিঠি

এই পরিস্থিতির নেপথ্যে ছিল ২৩ জন কংগ্রেস নেতার একটি চিঠি। সনিয়া গান্ধী দায়িত্ব নেওয়ার এক বছর কাটতে না কাটতেই আবারও দলের অভ্যন্তরীণ পরিবর্তনের দাবি জানায় শীর্ষ নেতৃত্ব। ২৩ জন শীর্ষনেতা এই মর্মে সনিয়া গান্ধীকে চিঠিও লিখেছিলেন। পাশাপাশি তাঁরা ওয়ার্কিং কমিটির বৈঠকের জন্যও আবেদন জানিয়েছিলেন। তাঁদের চিঠির উত্তরে সনিয়া গান্ধী জানিয়েছিলেন, বৈঠক হবে। সকলে মিলে নতুন সভাপতির খোঁজ করা হবে।

ক্ষমতা ভোগ করেন রাহুল গান্ধী

ক্ষমতা ভোগ করেন রাহুল গান্ধী

এদিকে সভাপতির পদ থেকে এক বছর আগে সরে দাঁড়ালেও কংগ্রেস চালাচ্ছেন সেই রাহুল গান্ধী। রাজস্থানের পরিস্থিতি সামাল দেওয়ার ক্ষেত্রে তা পুরোপুরি স্পষ্ট। কংগ্রেসের সংগঠনে রদবদল করতে কোনও অসুবিধা হয়নি রাহুল গান্ধীর। কারণ কংগ্রেস মানে এখনও সেই গান্ধী পরিবার। অন্তরবর্তিকালীন সভানেত্রী রাহুলের মা হওয়ায় আদতে ক্ষমতা থেকে গিয়েছে গান্ধীদের হাতেই। আর এর জেরেই অসন্তোষ জন্মাতে শুরু করে দলের অন্দরে।

চাপে সনিয়া গান্ধী

চাপে সনিয়া গান্ধী

যে চিঠিটি পাঠানো হয়েছে তাতে স্বাক্ষর রয়েছে কপিল সিব্বল, শশী থারুর, গুলাম নবি আজাদ, পৃথ্বীরাজ চৌহান, বিবেক তানখা এবং আনন্দ শর্মার মতো প্রবীণ নেতাদের। দাবি করা হয়েছে, রাহুল গান্ধী যদি দলের সভাপতি পদ গ্রহণে ইচ্ছুক না হন তবে দলের মধ্যে নির্বাচনের মাধ্যমে উপযুক্ত নেতা বেছে নেওয়া হোক ৷ সংগঠনের শীর্ষনেতৃত্ব থেকে তৃণমূলস্তর,সব জায়গাতেই আমূল সংস্কারেরও দাবি তুলেছেন কংগ্রেসের ওই পোড়খাওয়া প্রবীণ নেতারাই৷ তবে চিঠিতে স্বাক্ষর না থাকলেও আদতে এই চিঠির সমর্থনে রয়েছে শতাধিক কংগ্রেস নেতা।

গোপন বৈঠকে আরও জোরালো জল্পনা

গোপন বৈঠকে আরও জোরালো জল্পনা

জানা গিয়েছে চিঠিতে স্বাক্ষর করা নেতাদের মধ্যে ৯ জন ওয়ার্কিং কমিটির বৈঠকের পর আজাদের বাড়িতে বৈঠকে বসেন। যেই ২৩ জন নেতা চিঠি লিখেছিলেন, তাঁদের বক্তব্য, তাঁরা শুধু চান দল যেভাবে ক্রমাগত নানা দিকে চ্যালেঞ্জের মুখে পড়ছে, তার সমাধানে যেন ব্যবস্থা নেওয়া হয় এবং দলে সংস্কারের জন্য যেন উদ্যোগ নেওয়া হয়। এবং 'বিক্ষুব্ধ' নেদাতের এহেন পদক্ষেপেই নয়া সভাপতির প্রয়োজন আরও অবিসম্ভাবী হয়ে পড়ছে কংগ্রেসে।

Notifications
Settings
Clear Notifications
Notifications
Use the toggle to switch on notifications
  • Block for 8 hours
  • Block for 12 hours
  • Block for 24 hours
  • Don't block
Gender
Select your Gender
  • Male
  • Female
  • Others
Age
Select your Age Range
  • Under 18
  • 18 to 25
  • 26 to 35
  • 36 to 45
  • 45 to 55
  • 55+