ভোটের আগে জোট শরিকের হুঁশিয়ারি! মোদী-শাহদের উপর চাপ বাড়াচ্ছে নিশাদ পার্টি
ভোটের আগে জোট শরিকের হুঁশিয়ারি
বিধানসভা নির্বাচনের আগে বিজেপির উপর চাপ বাড়াল জোট শরিক নিশাদ পার্টি। যোগী আদিত্যনাথকে চিঠি লিখে রীতিমত হুঁশিয়ারি দিয়েছেন নিশাদ পার্টির প্রধান। চিঠিতে তিনি লিখেছেন ভোটের আগেই সংরক্ষণের সমস্যা মিটিয়ে ফেলুন যোগী। সংরক্ষণ না হলে একটি ভোটও নিশাদ পার্টির পক্ষ থেকে বিজেপি পাবে না বলে দাবি করেছেন তিনি। লখনউয়ে অমিত শাহের রোড শো-কে অংশ নেওয়ার পরের দিনই নিশাদ পার্টির প্রধানের এই চিঠি চাপ বাড়িয়েছে বিজেপির উপরে।

যোগীকে চিঠি নিশাদ পার্টির প্রধানের
উত্তর প্রদেশে বিধানসভা ভোটে বিজেপির অন্যতম জোট শরিক নিশাদ পার্টি। মূলত জেলেদের রাজনৈতিক দল এটি। সমাজের পিছিয়ে পড়া শ্রেণিকে তুলে আনার কথা বলে বিজেপি পাশে পেয়েছে নিশাদ পার্টিকে। ইতিমধ্যেই তাঁদের সংরক্ষণ ইস্যুতে চাপ বাড়িয়েছে নিশাদ পার্টি। যোগী আদিত্যনাথকে কড়া চিঠি লিখেছেন নিশাদ পার্টির প্রধান সঞ্জয় নিশাদ। চিঠিতে িতনি যোগী সরকারকে ভোেটর আগেই সংরক্ষণ জট কাটিয়ে ফেলার কথা বলেছেন। শুধু জটকাটিয়ে ফেলার কথাই বলেনি তিনি চিঠিতে। রীতিমত হুঁশিয়ারির সুরে তিনি বলেছেন ভোটের আগে সংরক্ষণ ইস্যুটি মিটিয়ে না ফেললে ভোটে বিজেিপ একটি ভোট পাবে না এই পার্টির।

অমিত শাহের সঙ্গে মিছিলে নিশাদ পার্টি
অমিত শাহের সঙ্গে লখনউয়ে রোড শো-তে দেখা গিয়েছিল নিশাদ পার্টির প্রধানকে। সেই মিছিলে নিশাদ পার্টির প্রশংসায় অমিত শাহ বলেছিলেন, এরা আসলে রামভক্ত। তাঁর পরেই জোট শরিক হওয়ার সম্ভাবনা প্রবল দেখা দিয়েছে। কিন্তু সেই সম্ভাবনা কতটা থাকবে তা নিয়েই এখন প্রশ্ন উঠতে শুরু করেছে। মোদী সরকার এই নিশাদ সম্প্রদায়ের সংরক্ষণের কথা বলেছে। নিশাদ পার্টির প্রধান মনে করেছিলেন লখনউয়ের রোড শোয়ে সংরক্ষণ নিয়ে কোনও কথা বলেননি। ততেই আশাহত নিশাদ পার্টির প্রধান। কাজেই পাকাপাকি জোট গড়ার আগেই হুঁশিয়ারি দিেয় রেখেছেন তিনি।

চাপে বিজেপি
নিশাদ পার্টির এই হুঁশিয়ারির পর রীতিমত চাপ বেড়েছে বিজেপি শিবিরে। এই সুযোগের সদ ব্যবহার করতে পারে বিরোধী রাজনৈতিক দলগুলি। এই নিয়ে চাপ বাড়তে পারে যোগী সরকারের। এদিকে গত কয়েকদিন ধরেই ফোন ট্যাপিং নিয়ে যোগী সরকারের বিরুদ্ধে সরব হয়েছে বিরোধীরা। অখিলেশ যাদব অভিযোগ করেছেন তাঁদের ফোন ট্যাপ করছে যোগী সরকার। একই ভাবে প্রিয়াঙ্কা গান্ধী অভিযোগ করেছেন তাঁর ছেলেদের ইনস্টাগ্রাম অ্যাকাউন্ড হ্যাক করা হয়েছে। সমাজবাদী পার্টি এবং কংগ্রেস নেত্রী এক সুরে কথা বলায় নতুন জল্পনা তৈরি হয়েছে।

কোন দিকে হাঁটবে বিজেপি
একক লড়াইয়ে যাওয়ার দাবি করেছে বিজেপি। যোগী আদিত্যনাথ আগেই দাবি করেছিলেন বিজেপি উত্তর প্রদেশে এবার ৩৫০ আসন পাবে। সেই টার্গেট রেখেই এগোচ্ছে মোদী সরকার। পশ্চিম উত্তর প্রদেশের দিকে বিশেষ নজর দিয়েছে মোদী সরকার। এই নিয়ে একের পর এক প্রকল্পের উদ্বোধন করে চলেছেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী। বিমানবন্দর থেকে শুরু করে এক্সপ্রেস ওয়ে একের পর এক উদ্বোধন করে চলেছেন তিনি।












Click it and Unblock the Notifications