Loksabha Vote 2024: ফের ইন্ডিয়া জোটে ধাক্কা, পাল্টি খাচ্ছে একের পর এক শরিক, শেষ পর্যন্ত থাকবে তো মহাজোট?
দিকে দিকে বিদ্রোহ ইন্ডিয়া ব্লকে। দিশা হীন কংগ্রেস। মোদীর বিরুদ্ধে মাথা তুলে দাঁড়াতে পারবে না গান্ধী পরিবার। আশঙ্কা করেই একের পর এক শরিদ দল হাতছাড়তে শুরু করেছে ইন্ডিয়া জোটের। এবার আরএলডি সুপ্রিমো ইন্ডিয়া জোট ছেড়ে বেড়িয়ে আসার সিদ্ধান্তের কথা জানিয়েছে।
আগে থেকেই জল্পনা চলছিল। অবশেষে সেই জল্পনায় সিলমোহর দিয়েছেন আরএলডি সুপ্রিমো জয়ন্ত চৌধুরী। মনে করা হচ্ছে মোদী সরকার তাঁর ঠাকুরদাদা চৌধুরী জয়ন্ত সিংকে ভারত রত্ন দেওয়ার কথা ঘোষণা করার পরেই এই সিদ্ধান্ত নিয়েছিলেন তিনি। রাজনৈতিক মহলের মতে পরিকল্পনা করেই প্রতিটি পদক্ষেপ ফেলছে মোদী সরকার। লোকসভা ভোটের ঠিক আগে ভারত রত্ন ঘোষণা করার মধ্যেও যথেষ্ট পরিকল্পনা রয়েছে মোদী সরকারের এমনই মনে করা হচ্ছে।

একের পর এক হেভিওয়েট দলগুলি ইন্ডিয়া জোট ছাড়তে শুরু করেছে। তৃণমূল কংগ্রেস আগেই একলা চলার কথা ঘোষণা করেছে। সেই সঙ্গে জানিয়েছে গোটা দেশে ৪০ টি আসনও পাবে না কংগ্রেস। আম আদমি পার্টিও পাঞ্জাবে একলা লড়াইয়ের বার্তা দিয়েছে। এদিকে নীতীশ কুমার মোক্ষম সময়ে বেরিয়ে এসেছে মহাজোটের হাত ছেড়ে। অন্যদিকে উত্তর প্রদেশে সমাজবাদী পার্টির সঙ্গে আসন নিয়ে দড়ি টানাটানি চলছে। তার মাঝেই আরএলডি সুপ্রিমোর এনডিএ শিবিরে যোগদেওয়া সিদ্ধান্তে সিলমোহর আরও একটা ধাক্কা খেয়েছে।
এদিকে এনসিপির অবস্থাও ভাল নেই। শরদ পাওয়ারের হাত থেকে চলে দিয়েছে দলের রাশ। ভাইপো অজিত পাওয়ারই এখন এনসিপি সুপ্রিমো। শরদ পাওয়ারকে অন্য প্রতিকে দল গড়তে হবে। মহারাষ্ট্র কংগ্রেসেও একের পর এক ধাক্কা আসতে শুরু করেছে। অশোক চবনও কংগ্রেস ছেড়ে বেড়িয়ে গিয়ে বিজেপিতে যোগ দিয়েছে। এই নিয়ে কংগ্রেসের অন্দরে বিদ্রোহ দানা বাঁধতে শুরু করেছে। রাজস্থানে কংগ্রেসের অবস্থা একেবারেই ভাল নেই। সব মিলিয়ে লোকসভা ভোটের আগেই না শেষ হয়ে যায় ইন্ডিয়া জোট।
তারপরে আবার আরএলডি সুপ্রিমো জয়ন্ত চৌধরীর এনডিএ জোটে সামিল হওয়ার বার্তায় চাপ বেড়েছে। তিিন বলেছেন দলের সব নেতাদের সঙ্গে কথা বলেই তিনি সিদ্ধান্ত িনয়েছেন। তিনি বলেছেন এর নেপথ্য অন্য কোনও পরিকল্পনা নেই। সাধারণের ভাল করতে চাই বলেই এনডিএ জোটে সামিল হওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছি আমরা।
প্রসঙ্গত উল্লেখ্য উত্তর প্রদেশে সমাজবাদী পার্টি আরএসডিতে ৭টি আসন দিয়েছিল। তবে জয়ন্ত চৌধুরী সেই প্রস্তাব ফিরিয়ে দেন। তারপরেই জয়ন্ত চৌধুরীর ঠাকুরদা বা দাদু চৌধুরী চরণ সিংকে ভারত রত্ন দেওয়ার কথা ঘোষণা করে মোদী সরকার। এর পর দুয়ে দুয়ে চার করতে সময় লাগেনি রাজনৈতিক মহলের। কেন হঠাৎ করে বিরোধী জোট থেকে বেরিয়ে আসার সিদ্ধান্তে সিলমোহর দিলেন জয়ন্ত চৌধুরী সেটা স্পষ্ট হয়ে গিয়েছে।












Click it and Unblock the Notifications