দিল্লি সহ বিস্তীর্ণ অঞ্চলজুড়ে তীব্র কম্পন অনুভূত, আতঙ্কে রাস্তায় সাধারণ মানুষ
ফের একবার তীব্র ভূমিকম্পে কেঁপে উঠল দিল্লি সহ গোটা এনসিআর। কম্পন অনুভূত হয়েছে উত্তর ভারত জুড়েও।
ফের একবার ভূমিকম্পে কেঁপে উঠল দিল্লি সহ গোটা এনসিআর। এমনকি দেশের একাধিক প্রান্তেও কম্পন অনুভূত হয়েছে বলে জানা যাচ্ছে। হঠাত তীব্র কম্পনে রীতিমত আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ে। অনেকেই বিপদ বুঝে বাড়ির বাইরে চলে আসে বলে জানা যাচ্ছে। শুধু দিল্লি, এনসিআর নয়, উত্তর ভারতেও কম্পন অনুভূত হয়েছে বলে জানা যাচ্ছে। যদিও এখনও পর্যন্ত হতাহতের কোনও খবর পাওয়া যায়নি।
এমনকি ক্ষয়ক্ষতির খবরও পাওয়া যায়নি।

কম্পনের তীব্রতা 5.8 ছিল
ন্যাশনাল সেন্টার ফর সিসমোলজি (এনসিএস) জানাচ্ছে, কম্পনের উৎসস্থল নেপাল। এর গভীরতা মাটির নিচে ১০ কিলোমিটার বলেও জানা যাচ্ছে। শুধু তাই নয়, রিখটার স্কেলে কম্পনের তীব্রতা 5.8 ছিল বলেও জানা যাচ্ছে। আর যার ফলে একেবারে বিস্তীর্ণ অঞ্চলজুড়ে কম্পন অনুভূত হয়েছে বলে জানা যাচ্ছে। মাত্র কয়েক সেকেন্ডের জন্যে কম্পন অনুভূত হয়েছে বলে জানা যাচ্ছে। দিল্লির মানুষজন কম্পন ভালোই টের পেয়েছেন বলে জানিয়েছেন। আতঙ্কে অনেকেই রাস্তায় নেমে আসেন বলেও খবর।

একাধিক রাজ্যেও কম্পন অনুভূত
অন্যদিকে সংবাদমাধ্যমের প্রকাশিত খবর অনুযায়ী, উত্তরাখন্ডের জোশীমঠ এবং রামনগর এলাকাতেও ভূমিকম্প অনুভূত হয়েছে। এছাড়াও উত্তরপ্রদেশের লখনউয়ের মানুষও কম্পন টের পেয়েছেন বলে প্রকাশিত খবরে দাবি করা হয়েছে। পাশাপাশি আরও বেশ কয়েকটি রাজ্যেও কম্পন অনুভূত হয়েছে বলেও জানা যাচ্ছে। ঘটনাকে কেন্দ্র করে ব্যাপক চাঞ্চল্য তৈরি হয়েছে।

গত এক মাসে একাধিক কম্পন
বলে রাখা প্রয়োজন, গত একমাসেরও কম সময়ে একাধিকবার ভুম্নিকম্পে কেঁপে উঠছে দিল্লি সহ গোটা এনসিআর। গত ৩১ ডিসেম্বর গোটা দেশ যখন নতুন বছরকে স্বাগত জানাতে প্রস্তুতি নিচ্ছিল সেই সময় তীব্র কম্পন অনুভূত হয়। এরপর জানুয়ারি পাঁচ তারিখ একই ভাবে দিল্লি সহ গোটা অঞ্চল তীব্র ভূমিকম্পে কেঁপে ওঠে। সংবাদমাধ্যমের খবর অনুযায়ী, সে সময়ে আফগানিস্তানের হিন্দুকুশ পাহাড় ভূমিকম্পের কেন্দ্রস্থল ছিল বলে জানানো হয়। শুধু তাই নয়, রিখটার স্কেলে কম্পনের তীব্রতা 5.9 ছিল বলেও জানা যায়। যা নিয়ে রীতিমত আতঙ্কিত হয়ে পড়েন রাজধানীর মানুষ। আর সেই ঘটনার রেশ কাটতে না কাটতেই ফের একবার কম্পন অনুভূত।

নজর রাখছে এনসিএস
বারবার এভাবে দিল্লি সহ বিস্তীর্ন অঞ্চলজুড়ে কম্পন কী কোনও বিপদ ডেকে আনছে? যেভাবে কয়েকদিনের ব্যবধানে দেশে রাজধানী কেঁপে উঠছে তাতে এমনই আশঙ্কা দেখছেন বিশেষজ্ঞরা। যদিও NCS- কেন্দ্রীয় সরকারের একটি সংস্থা যারা দেশে কম্পনের মাত্রা বৃদ্ধির বিষয়টি যথেষ্ট গুরুত্ব দিয়েই দেখছে বলে এক সংবাদমাধ্যমে প্রকাশিত খবরে দাবি করা হয়েছে।












Click it and Unblock the Notifications