মন্দিরে রজঃশীলা মহিলাদের ঢুকতে দেওয়া নিয়ে থাইল্যান্ডের সঙ্গে শবরীমালার তুলনা নিয়ে বিতর্ক
শবরীমালা মন্দিরে ১0 থেকে ৫০ বছয় বয়সী মহিলাদের প্রবেশের কড়া বিরোধিতা করলেন ত্রিভাঙ্কোর ডেভাসম বোর্ডের প্রধান এবং কংগ্রেস নেতা প্রয়ার গোপালকৃষ্ণন।
শবরীমালা মন্দিরে ১০ থেকে ৫০ বছয় বয়সী মহিলাদের প্রবেশের কড়া বিরোধিতা করলেন ত্রিভাঙ্কোর ডেভাসম বোর্ডের প্রধান এবং কংগ্রেস নেতা প্রয়ার গোপালকৃষ্ণন। বোর্ড কোনও ভাবে শবরীমালাকে থাইল্যান্ড হতে দিতে চায় না বলেও মন্তব্য করেছেন তিনি।

মন্দিরে মহিলাদের প্রবেশের অনুমতি দিলে সেখানে অনৈতিক কাজ বাড়বে। এমনকি থাইল্যান্ডের মতো সেক্স টুরিজমের স্পট হয়ে উঠবে বলেও মন্তব্য করেছেন ত্রিভাঙ্কোর ডেভাসম বোর্ডের প্রধান। প্রসঙ্গত এই বোর্ডের আওতাতেই রয়েছে শবরীমালা মন্দির।
দীর্ঘদিন ধরেই কেরলের শবরীমালা মন্দিরে ১০ থেকে ৫০ বছরের মহিলাদের প্রবেশাধিকার নিয়ে বিতর্ক চলছে। সৌদি আরবের মক্কার পরেই শরবীমালার স্থান যেখানে বছরের একটি নির্দিষ্ট সময়ে ভক্তদের সমাবেশ হয়।
কেরলের শবরীমালা মন্দিরে কোনও রজঃশীলা মহিলা ঢুকতে পারেন না। বহুদিন ধরেই এই প্রথা চলে আসছে। এর বিরোধিতা করে একটি জনস্বার্থ মামলা দায়ের করেছিল আইনজীবীদের একটি সংগঠন। বহুদিন ধরে চলে আসা এই প্রথা আর চলতে পারে না বলে এর আগে মন্তব্য করেছিল সুপ্রিম কোর্ট। একমাত্র ধর্মীয় প্রভেদ ছাড়া কাউকে মন্দিরে ঢুকতে বাধা দেওয়া যায় না বলেও মন্তব্য করেছিল আদালত। সর্বোচ্চ আদালত বিষয়টি পাঠিয়েদিয়েছে সাংবিধানিক বেঞ্চের কাছে।

ত্রিভাঙ্কোর ডেভাসম বোর্ডের প্রধানের দাবি, মন্দিরে রজঃশীলা মহিলাদের ঢুকতে দিলে কোনও সম্মাননীয় মহিলা আর সেখানে যাবেন না। এর আগেও বিষয়টি নিয়ে বিতর্কিত মন্তব্য করেছিলেন বোর্ডের প্রধান।
যদিও রাজ্যের মন্দির বিষয়ক মন্ত্রী তথা সিপিএম নেতা কাদকামপল্লী সুরেন্দ্রন কংগ্রেস নেতা তথা বোর্ড প্রধানের মন্তব্যের বিরোধিতা করেছন। শবরীমালার সঙ্গে থাইল্যান্ড, কী ধরনের তুলনা তিনি করছেন বলেও প্রশ্ন করেছেন রাজ্যের মন্ত্রী। বোর্ডের চেয়ারম্যান হিসেবে তিনি মহিলাদের অসম্মানের পাশাপাশি মন্দির সম্পর্কেও ভুল বার্তা দিয়েছেন বলেও অভিযোগ করেছেন রাজ্যের মন্ত্রী।
রাজ্য সরকার এবং মন্দিরের পরিচালন বোর্ড আদালতের নির্দেশ মেনে চলবে বলেও জানিয়েছেন রাজ্যের মন্দির বিষয়ক মন্ত্রী।












Click it and Unblock the Notifications