মণিপুরে নতুন করে জাতিগত হিংসা, কমপক্ষে তিনজনের মৃত্যু, মৃতের সংখ্যা আরও বৃদ্ধির আশঙ্কা
মণিপুরে নতুন করে জাতিগত হিংসা শুরু হয়েছে। জিরিবাম জেলায় এখনও পর্যন্ত তিনজনের মৃত্যুর খবর পাওয়া গিয়েছে। জঙ্গিরা বিষ্ণুপুরের দুই-একটি জায়গায় রকেট ছোড়ার একদিন পরে এই ঘটনায় একজন বয়স্ক ব্যক্তির মৃত্যু হয়েছে এবং পাঁচজন এই ঘটনায় আহত হয়েছেন।
মণিপুরে নিরাপত্তা বাহিনীর এক আধিকারিক জানিয়েছেন, মৃতের সংখ্যা বাড়তে পারে। এদিন সকালে জঙ্গিরা একটি গ্রামে ঢুকে একজনকে হত্যা করার পরে বন্দুকযুদ্ধ শুরু হয়। এই হত্যাকাণ্ড জাতিগত সংঘর্ষের অংশ। নিরাপত্তা বাহিনীর কাছে থাকা রিপোর্ট অনুযায়ী মৃতদের মধ্যে কুকি ও মেইতেই উভয় সম্প্রদায়ের মানুষই রয়েছেন।

গত প্রায় দেড় বছর ধরে উত্তপ্ত মণিপুর। মধ্যে পরিস্থিতি কিছুটা স্থিতিশীল থাকলেও, গত পাঁচদিনে পরিস্থিতি চরম উত্তেজনা পূর্ণ। শুক্রবার রাতে বিষ্ণুপুরে এক বৃদ্ধকে হত্যার কয়েক ঘণ্টা পরে উত্তেজিত জনতা ইম্ফলে মণিপুর রাইফেলসের দুই ও সাত নম্বর সদর দফতর থেকে অস্ত্র লুটের চেষ্টা করে। যদিও নিরাপত্তা বাহিনী সেই চেষ্টা ব্যর্থ করে দেয়।
প্রায় সতেরো মাস আগে শুরু হওয়া জাতিগত হিংসার পরে শুক্রবার প্রথম রকেট হামলা চালানো হয়। দিন ছয়েক আগে সেখানে হিংসায় ড্রোন ব্যবহার করা হয়েছিল। মণিপুর পুলিশের তরফে এক বিবৃতিতে বলা হয়েছে কুকি জঙ্গিরা দূরপাল্লার রকেট ব্যবহার করেছিল।
এই হিংসার জেরে মণিপুর প্রশাসন শনিবার রাজ্য জুড়ে সব শিক্ষা প্রতিষ্ঠান বন্ধের নির্দেশ দেয়।
প্রসঙ্গত, ২০২৩-এর তিন মে থেকে কুকি ও মেইতেইদের মধ্যে জাতিগত সংঘর্ষ শুরু হয়। এরই মধ্যে জঙ্গিরা ড্রোন ও রকেট ব্যবহারের মতো প্রযুক্তির দিকে ঝুঁকছে। তবে সঙ্গে রাইফেল থেকে গুলি ও গ্রেনেড বিস্ফোরণ ঘটানো হচ্ছে।












Click it and Unblock the Notifications