আধার কার্ড নেই, ঢুকতে না পেরে হাসপাতালের গেটেই প্রসব মহিলার
গুরুগ্রামের জেনারেল হাসপাতালে গর্ভবতী মহিলা চিকিৎসা করাতে ঢুকতে পারলেন না আধার কার্ড না থাকায়। চিকিৎসকেরা আল্ট্রাসাউন্ড করতে বলেছিলেন ভর্তির আগে। তবে আধার কার্ড না থাকায় সেটাও করাতে পারেননি তিনি।
গুরুগ্রামে ফের বিতর্ক। এর আগে পরপর ধর্ষণের ঘটনায় প্রশাসনের মুখ পুড়েছিল। এবার প্রশাসনের গাফিলতিতে লজ্জায় মুখ ঢাকা দায় হল মনোহরলাল খট্টরের সরকারের। গুরুগ্রামের জেনারেল হাসপাতালে গর্ভবতী মহিলা চিকিৎসা করাতে ঢুকতে পারলেন না আধার কার্ড না থাকায়। চিকিৎসকেরা আল্ট্রাসাউন্ড করতে বলেছিলেন ভর্তির আগে। তবে আধার কার্ড না থাকায় সেটাও করাতে পারেননি তিনি।

দুই ঘণ্টা চেষ্টার পরে ভর্তি হতে না পেরে হাসপাতালের গেটের সামনে সাইকেল স্ট্যান্ডে সন্তান প্রসব করেন তিনি। সেইসময়ে পরিবারের লোকেরা ও অন্য রোগীর আত্মীয়রা ছাড়া হাসপাতালের আর কোনও অ্যাটেন্ড্যান্ট পর্যন্ত সেখানে ছিল না।
এই ঘটনা জানাজানি হওয়ার পরে চিফ মেডিক্যাল অফিসার ও এক স্টাফ নার্সকে সাসপেন্ড করা হয়েছে। মহিলাকে ভর্তি না করে সামান্য টেস্ট যা সেই সময়ে নিষ্প্রয়োজন ছিল তা করতে বলায় তাদের সাসপেন্ড করা হয়। এদিকে মুন্নি নামে মহিলার প্রসব বেদনা ওঠায় স্বামী বাবলু তাকে সেদিন সকালেই ৯টায় হাসপাতালে নিয়ে আসে। তার দুই ঘণ্টার মধ্যে এতসব ঘটনা ঘটে।
মহিলার স্বামী বাবলু বলেছেন, আল্ট্রাসাউন্ড রুমে হাসপাতালের কর্মী আধার কার্ড চান। তাদের কার্ড থাকলেও সেই মুহূর্তে সঙ্গে ছিল না। যার ফলে তিনি ভোটার কার্ড দিতে চাইলেও তা নেওয়া হয়নি। উল্টে বলা হয়, নিয়ম মেনেই আধার কার্ড দিতে হবে।
এই ঘটনার পর চিকিৎসক ও নার্সকে সাসপেন্ড করা হলেও হাসপাতালের তরফে কোনও গুরুতর পদক্ষেপ করা হয়নি। কারণ মহিলা বা তার স্বামী কোনও অভিযোগ জানাননি।












Click it and Unblock the Notifications