দেশের একের পর এক এলাকায় নিষেধাজ্ঞা, বিশ্বের 'ইন্টারনেট শাটডাউন ক্যাপিটাল' ভারত
আপনি যদি এই খবরটা ডেস্কটপ কিংবা মোবাইলে দেখতে পান, তাহলে আপনি ভাগ্যবান বটে। কেননা আপননার ইন্টারনেট সংযোগ তাহলে স্বাভাবিক রয়েছে।
আপনি যদি এই খবরটা ডেস্কটপ কিংবা মোবাইলে দেখতে পান, তাহলে আপনি ভাগ্যবান বটে। কেননা আপনার ইন্টারনেট সংযোগ এখনও স্বাভাবিক রয়েছে। বর্তমানে দেশে নাগরিকত্ব সংশোধনী আইন নিয়ে যে প্রতিবাদ শুরু হয়েছে, তার ফলেই বিশ্বের ইন্টারনেট শাটডাউন ক্যাপিটালে পরিণত হয়েছে ভারত। যা নিয়ে কোনও তর্ক চলতে পারে না। তবে অনেকেই এই পরিস্থিতিকে চিনের সঙ্গে তুলনা করছেন। যদিও চিনে গণতন্ত্র নেই।

বাড়ছে নিষেধাজ্ঞা আরোপকারী দেশের সংখ্যা
প্রকাশিত খবর অনুযায়ী, ২০১৫-র মধ্যবর্তী সময় থেকে ২০১৬-র মধ্যবর্তী সময় পর্যন্ত সারা বিশ্বে ১৯ টি দেশ ইন্টারনেটের ওপর নিষেধাজ্ঞা জারি করেছিল। ২০১৭ সালে এই সংখ্যাটা বৃদ্ধি পেয়ে হয় ৩০।

যেসব দেশে ইন্টারনেটে নিষেধাজ্ঞা
আন্তর্জাতিক ক্ষেত্রে ইন্টারনেটে নিষেধাজ্ঞার অন্যতম দেশ হিসেবে গণ্য হয় মিশর। কেননা সেখানে পরপর ৪ দিনের জন্য নিষেধাজ্ঞা জারি করা হয়েছিল। অন্যদিকে চিনের জিনজিয়াং প্রদেশে ইন্টারনেট বন্ধ রাখা হয়েছিল ১০ মাসের ওপর।

ভারতে ইন্টারনেট শাটডাউন
ইন্টারনেট শাটডাউনস ডট ইন জানাচ্ছে ভারতে এখনও পর্যন্ত ৯১ টি শাটডাউন হয়েছে। ২০১২ সাল থেকে শুরু করে, ভারতে ৩৬৩টি শাটডাউনের ঘটনা ঘটেছে। ২০১৬ সালে পূর্বতন জম্মু ও কাশ্মীর রাজ্যে সব থেকে বেশি সময়ের জন্য ইন্টারনেট শাটডাউন করা হয়েছিল। সেই সময় জম্মু ও কাশ্মীরে টানা ১৩৩ দিন বন্ধ ছিল ইন্টারনেট। ৮ জুলাই থেকে ১৬ নভেম্বর পর্যন্ত বন্ধ ছিল ইন্টারনেট পরিষেবা। হিজবুল জঙ্গি বুরহান ওয়ানির মৃত্যুর পর এই ঘটনা ঘটে।
বর্তমান সময়ে কেন্দ্রশাসিত জম্মু ও কাশ্মীর এবং লাদাখে ইন্টারনেট শাটডাউন চলছে ৪ অগাস্ট থেকে। বর্তমানে সেখানে মোবাইল কিংবা ব্রডব্র্যান্ড পরিষেবা নেই।

বর্তমানে যেসব রাজ্যে নিষেধাজ্ঞা
বর্তমানে ভারতের যেসব রাজ্যে ইন্টারনেটে নিষেধাজ্ঞা রয়েছে, সেসব রাজ্যগুলি হল জম্মু ও কাশ্মীর, অসম, মেঘালয়, ত্রিপুরা, অরুণাচল প্রদেশ এবং পশ্চিমবঙ্গের কিছু অংশ। এছাড়াও পশ্চিম উত্তর প্রদেশের তিনটি শহরে এই নিষেধাজ্ঞা বলবত রয়েছে।












Click it and Unblock the Notifications