গুজরাতের পর এবার কর্ণাটকেও ষষ্ঠ শ্রেণী থেকে পাঠসূচিতে গীতা
সম্প্রতি গুজরাত ষষ্ঠ থেকে দ্বাদশ শ্রেণীর স্কুলে পাঠ্যসূচিতে ভগবদ গীতা চালু করার কথা ঘোষণা করেছে। এই ঘোষণা সামনে আসার পরই কর্ণাটকও স্কুলের সিলেবাসে গীতা অন্তর্ভুক্ত করার কথা বলেছে৷ গুজরাতের মতোই কর্ণাটকেও ভারতীয় জনতা পার্টি (বিজেপি) সরকার রয়েছে। কর্ণাটকের শিক্ষামন্ত্রী বিসি নাগেশ শুক্রবার বলেছেন, বিশেষজ্ঞদের দ্বারা অনুমোদিত হলে, গীতা অবশ্যই শিক্ষার্থীদের জন্য সিলেবাসে অন্তর্ভুক্ত হবে৷ ভগবদ্গীতা শুধু হিন্দুদের জন্য নয়, সকলের জন্য। তবে এই বছরের জন্য নয়, আগামী বছর থেকে গীতা সিলেবাসে অন্তর্ভুক্ত করা হবে।'

নাগেশ সাংবাদিকদের সঙ্গে কথা বলার সময় মন্তব্য করেছেন, গীতা একটি নৈতিক বিজ্ঞানের বিষয় বহু বছর ধরে এটি পাঠ্যবই থেকে বাদ দেওয়া হয়েছে। আমরা স্কুলে নৈতিক বিজ্ঞান অধ্যয়ন করেছি। এখন, অভিভাবকরা মনে করেন এটি চালু করা উচিত। বর্তমানে, আমরা এটি নিয়ে ভাবিনি, তবে আমরা ভবিষ্যতে এটি চালু করতে চাই। নৈতিক বিজ্ঞানের বিষয়গুলি বিশেষজ্ঞরা নির্ধারণ করবেন।
কর্ণাটকের শিক্ষামন্ত্রী আরও বলেন, আমরা নৈতিক বিজ্ঞান চালু করব কিনা সে বিষয়ে আমরা মুখ্যমন্ত্রীর সঙ্গে কথা বলব। যা কিছু শিশুদের উপর ভালো প্রভাব ফেলবে তা প্রবর্তন করা হবে, তা ভাগবত গীতা, রামায়ণ বা মহাভারতই হোক যাই হোক না কেন। এরপর সম্প্রতি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে শিক্ষার্থীদের হিজাব সহ ধর্মীয় পোশাক পরতে নিষেধ নিয়ে কর্ণাটক সরকারের আদেশ নাগেশের মন্তব্য করেছেন, গত ১৫ মার্চ কর্ণাটক হাইকোর্ট সরকারি আদেশই বহাল রেখেছে।
বৃহস্পতিবার, দক্ষিণ রাজ্যের বিভিন্ন জেলায় মুসলিম সম্প্রদায়ের সদস্যরা এই রায়ের বিরুদ্ধে বনধ পালন করেছে। তারমধ্যেই পাঠ্যবইয়ে গীতা নিয়ে আসার বিষয়টি নতুন বিতর্কের জন্ম দেবে বলে অনেকেই মনে করছেন৷ প্রসঙ্গত গুজরাতে ভগবত গীতা পাঠ্যসূচিতে অন্তর্ভুক্ত করার ঘোষণাটি করেছেন রাজ্যের শিক্ষামন্ত্রী জিতু ভাঘানি। ২০২২-২৩ শিক্ষাবর্ষেই এই নীতি কার্যকর হবে বলে জানিয়ে গুজরাত সরকার। রাজ্যটির মাধ্যমিক এবং উচ্চ মাধ্যমিক শিক্ষা বোর্ড অনুমোদিত সমস্ত সরকারী এবং সাহায্যপ্রাপ্ত স্কুলগুলিতে পড়ানো হবে গীতা।












Click it and Unblock the Notifications