রাজ্যসভায় মেয়াদ শেষের পরেই বহু সাংসদের দলবদলের সম্ভাবনা! উঠে আসছে যাঁদের নাম
রাজ্যসভায় মেয়াদ শেষের পরেই বহু সাংসদের দলবদলের সম্ভাবনা! উঠে আসছে যাঁদের নাম
রাজ্যসভায় (rajyasabha) বহু সাংসদের (mp) মেয়াদ শেষের পথে। এঁদের মধ্যে কংগ্রেস সাংসদের সংখ্যাই বেশি। রয়েছেন নাম করা নেতা তথা প্রাক্তন মন্ত্রীরা। কিন্তু রাজ্যগুলিতে কংগ্রেসের (congress) হাল খারাপ। ফলে অনেক সাংসদেরই রাজ্যসভায় আর যাওয়ার সম্ভাবনা নেই। সূত্রের খবর অনুযায়ী, অনেকেই সাংসদ জীবনে এমনটাই অভ্যস্থ হয়ে গিয়েছেন, যে তাঁরা ফের সাংসদ পদ পেতে দলবদলে দ্বিধা করবেন না। ফলে উপকৃত হতে পারে বিজেপি (BJP) ও তৃণমূল কংগ্রেস (Trinamool Congress)।

সাংসদদের বিদায়ী বক্তৃতা
রাজ্যসভার সাংসদদের বিদায়ী বক্তৃতা। সামনের বৃহস্পতিবার ৪৪ জন সাংসদকে সম্মান জানাতে এই ব্যবস্থা করা হয়েছে অন্যসব কর্মসূচি স্থগিত রেখে। সেই তালিকায় রয়েছে কংগ্রেসের একের পর এক বাঘা সাংসদদের নাম। এঁদের মধ্যে কাউকে কংগ্রেস ফেরাতে পারে, আবার কাউকে ফেরাবে না। বিশেষ করে জি-২৩ ভুক্ত হয়ে গান্ধী পরিবারের সমালোচনা করায়। শুধু তাই নয় রাজ্যে রাজ্যে বিধানসভায় কংগ্রেসের আসন সংখ্যা কমার কারণেও পরিস্থিতি ভিন্ন।

রাজ্যসভা থেকে বিদায় নিতে চলেছেন যাঁরা
রাজ্যসভা থেকে যেসব সাংসদ বিদায় নিতে চলেছে, অর্থাৎ যাঁদের ছয়বছরের মেয়াদ শেষ হতে চলেছে, তাঁদের মধ্যে রয়েছেন, রূপা গাঙ্গুলি, স্বপন দাশগুপ্ত। যাঁরা রাষ্ট্রপতি মনোনীত হয়ে নির্বাচনে লবিজেপির হয়ে প্রচার করেছিলেন। স্বপন দাশগুপ্ত আবার সাংসদ পদে ইস্তফা দিতে তারকেশ্বর থেকে বিধানসভায় প্রার্থীও হয়েছিলেন। যদিও পরাস্ত হন। এছাড়াও অন্য যাঁদের সময় শেষ হতে চলেছে, তাঁদের মধ্যে রয়েছেন কপিল সিবাল, জয়রাম রমেশ, পি চিদাম্বরম, একে অ্যান্টনি, আনন্দ শর্মা, অম্বিকা সোনি, প্রদীপ ভট্টাচার্যের মতো কংগ্রেসের নেতানেত্রী এবং প্রাক্তন মন্ত্রীরা। তালিকায় রয়েছেন মোদী সরকারের দুই গুরুত্বপূর্ণ মন্ত্রী নির্মলা সীতারমন এবং পীযুষ গোয়েলও। মেয়াদ শেষ হতে চলেছে মুখতার আব্বাস নাকভিরও।

কংগ্রেস যাঁদের ফেরাতে পারে
সূত্রের খবর অনুযায়ী, কংগ্রেস যাঁদেরকে রাজ্যসভায় ফেরাতে পারে তাঁদের মধ্যে রয়েছেন পি চিদাম্বরম। এর আগে চিদাম্বরম মহারাষ্ট্র থেকে রাজ্যসভায় এসেছিলেন। এবার তাঁকে তামিলনাড়ু থেকে রাজ্যসভায় আনা হতে পারে। ডিএমকেও নাকি বিষয়টি নিয়ে রাজি। পাশাপাশি জয়রাম রমেশকেও ফেরাতে পারে কংগ্রেস। তবে অম্বিকা সোনি, কপিল সিবাল আনন্দ শর্মার মতো নেতানেত্রীদের কংগ্রেস আর ফেরাবে না সেটা নিশ্চিত। এছাড়া একে অ্যান্টনি ইতিমধ্যেই ঘোষণা করেছেন অবসরের কথা।

তৃণমূলের পথ চেয়ে যাঁরা
পশ্চিমবঙ্গ থেকে রাজ্যসভায় পাঁচ আসনের চারটি এবার পাবে তৃণমূল কংগ্রেস। আর প্রদীপ ভট্টাচার্যের আসনটি এবার বিজেপি পাবে। সূত্রের খবর অনুযায়ী, আনন্দ শর্মা, কপিল সিবালের মতো নেতারা এব্যাপারে তৃণমূলের শীর্ষ নেতৃত্বের সঙ্গে যোগাযোগ করেছিলেন। তৃণমূল আনন্দ শর্মাকে নিয়ে আগ্রহী নয়। আনন্দ শর্মাকে নিয়ে আগ্রহী নয় আপও। তবে কপিল সিবাল সুপ্রিম কোর্টে তৃণমূল তথা রাজ্য সরকারের হয়ে মামলা লড়ে থাকেন। ফলে তাঁর সঙ্গে তৃণমূলের সর্বোচ্চ নেতৃত্বের একটা অন্য সম্পর্ক রয়েছে। এছাড়াও কপিল সিবাল সাম্প্রতিক সময়ে গান্ধী পরিবারের দিকে নিশানা করে নানা কথা বলেছেন। ফলে এখনও না হলেও কপিল সিবাল যে তৃণমূলের তালিকায় থাকবেন না, তা এখনই বলা যাচ্ছে না।

বিজেপি ফেরাতে পারে যাঁদের
বিজেপি যাঁদেরকে ফেরাতে পারে বলে মনে করা হচ্ছে, তাঁদের মধ্যে অবশ্যই সবার আগে রয়েছেন নির্মলা সীতারমন এবং পীযুষ গোয়েল। এছাড়াো মুখতার আব্বাস নাকভিকে এবার উত্তরপ্রদেশ থেকে রাজ্যসভায় আনা হতে পারে। অন্যদিকে পশ্চিমবঙ্গের একটি মাত্র আসন থেকে ফেরানো হতে পারে স্বপন দাশগুপ্তকে।












Click it and Unblock the Notifications