অকংগ্রেসি-অবিজেপি জোটই লক্ষ্য! এগিয়ে রয়েছেন যেসব নেতানেত্রী
২০১৯-এর সাধারণ নির্বাচনের আগে তিন বড় রাজ্যে বিজেপির পরাজয় তথা কংগ্রেসের জয়ে বিরোধীদের মধ্যে উৎসাহ জুগিয়েছে।
২০১৯-এর সাধারণ নির্বাচনের আগে তিন বড় রাজ্যে বিজেপির পরাজয় তথা কংগ্রেসের জয়ে বিরোধীদের মধ্যে উৎসাহ জুগিয়েছে। মোদীর বিরুদ্ধে মহাজোট গড়তে উৎসাহ
পেয়েছেন বিরোধীরা। এই মহাজোট গড়ার ব্যাপারে সব থেকে বেশি এগিয়ে রয়েছেন তৃণমূল কংগ্রেস নেত্রী তথা পশ্চিমবঙ্গের মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। রাজনৈতিক মহলের
একাংশের মত অনুযায়ী, কংগ্রেসের বিরুদ্ধেই তিনি আঞ্চলিক দলগুলিকে নিয়ে ফ্রন্ট গড়তে চান এবং আলোচনা চালাতে চান।

কর্ণাটকে জোট
কর্ণাটকে কংগ্রেস নিজেদের ইচ্ছায় জোটের পিছনের সিটে বসেছে। তিন রাজ্যে জয়ের পর ২০১৯-এর সাধারণ নির্বাচনে কংগ্রেস যে তা চাইবে না সেটাই স্বাভাবিক। এটাই মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়-সহ আঞ্চলিক দলের নেতানেত্রীদের কাছে প্রশ্নের হয়ে দাঁড়াচ্ছে। তারা অন্তর থেকে বিষয়টিকে স্বাগত জানাতে পারছেন না বলেই মনে করছে রাজনৈতিক মহলের একাংশ।

জোট নিয়ে আলোচনা
সূত্রের খবর অনুযায়ী, মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়-সহ অন্য আঞ্চলিক দলের নেতানেত্রীরা বিষয়টি নিয়ে প্রাথমিক আলোচনা করেছেন। কংগ্রেসের সঙ্গে জোট না করে আলাদা জোট গড়ে তুলতে পারলে আঞ্চলিক দলগুলি বেশি সুবিধা পেতে পারে বলে মনে করছেন অনেকেই। এক্ষেত্রে প্রধানমন্ত্রীর পদ নিয়েও দরাদরি করা যাবে বলে মনে করছেন একাধিক আঞ্চলিক নেতানেত্রী।

শপথে অনুপস্থিত মমতা
মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় ইতিমধ্যেই সোমবার কোনও রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রীর শপথগ্রহণ অনুষ্ঠানে যাচ্ছেন না বলে জানিয়েছেন। আঞ্চলিক দলগুলির মধ্যে উল্লেখযোগ্য অনুপস্থিতিদের তালিকায় রয়েছেন বিএসপি নেত্রী মায়াবতী এবং এসপি নেতা অখিলেশ যাদব।
গত কয়েকমাস ধরেই মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় নিজেকে অকংগ্রেসি এবং অবিজেপি নেত্রী হিসেবে সামনে আনার চেষ্টা করছেন। চন্দ্রশেখর রাও, চন্দ্রবাবু নাইডু এবং কেজরিওয়ালের সঙ্গে আলাদা করে বৈঠকও করেছেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়।

এখনও কংগ্রেস প্রধান বিরোধী
সূত্রের খবর অনুযায়ী, অকংগ্রেসি এবং অবিজেপি জোটে যোগ দেওয়ার ব্যাপারে তৈরি, তেলেঙ্গানার শাসক টিআরএস, অন্ধ্রপ্রদেশের শাসক টিডিপি, ওড়িশার শাসক বিজেডি এবং উত্তর প্রদেশের মায়াবতী এবং অখিলেশ যাদব। এঁদের অনেকেই গত মে মাসে কর্ণাটকের মুখ্যমন্ত্রী শপথ গ্রহণ অনুষ্ঠানে দেখা গিয়েছিল।
কে চন্দ্রশেখর রাও, নবীন পট্টনায়ক এবং কেজরিওয়ালদের সুবিধা এই জোটে যোগ দেওয়া। কারণ তাদের রাজ্যে রাহুল গান্ধীর নেতৃত্বাধীন কংগ্রেস বিরোধী আসনে রয়েছে।
যদিও জোট নিয়ে এখনও বলার সময় আসেনি। কেননা এখন অনেকদিন বাকি রয়েছে ২০১৯-এর সাধারণ নির্বাচনের।












Click it and Unblock the Notifications