কন্নড় অভিনেত্রী গ্রেফতারের পর সজাগ তদন্তকারীরা, এবার সোনাপাচার চক্রের তদন্ত করবে সিবিআই
ভারতের বিভিন্ন বিমানবন্দর দিয়ে সোনা চোরাচালান চক্রের বিরুদ্ধে বড়সড় তদন্তে নেমেছে কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থা সিবিআই। বেঙ্গালুরুর কেম্পেগৌড়া আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে কন্নড় অভিনেত্রী রান্যা রাওকে আটক করেছে রাজস্ব গোয়েন্দা অধিদপ্তর বা ডিআরআই।
যা জানা যাচ্ছে, অভিনেত্রীর কাছ থেকে ১৪.২ কেজি সোনা উদ্ধার করা হয়েছে, যার বাজারমূল্য ১২.৫৬ কোটি টাকা। তার বাসভবন থেকে আরও ২.০৬ কোটি টাকার সোনার গয়না ও ২.৬৭ কোটি টাকার নগদ উদ্ধার হয়েছে। মোট বাজেয়াপ্ত করা সম্পদের মূল্য ১৭.২৯ কোটি টাকা।

ছবি সৌজন্য- ANI/X
সিবিআই তদন্তে নেমেছে ইতিমধ্যেই। তাঁদের প্রাথমিক অনুমান, সরকারি কর্মকর্তারা হইত এই কাজে যুক্ত রয়েছে। ডিআরআই-এর দেওয়া তথ্য অনুযায়ী, এই চোরাচালান চক্রে সরকারি কর্মকর্তাদেরও হাত থাকতে পারে। সিবিআই জাতীয় পর্যায়ের চোরাকারবারি নেটওয়ার্কের যোগসূত্র খতিয়ে দেখছে। একই সাথে বেঙ্গালুরু ও মুম্বাই বিমানবন্দরে দুটি বিশেষ দল পাঠানো হয়েছে। সিবিআই রান্যা রাওকে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য হেফাজতে নিতে পারে বলেই মনে করা হচ্ছে।
কীভাবে ধরা পড়লেন অভিনেত্রী?
বিমানবন্দর সূত্রে জানা গেছে, দুবাই থেকে ফেরার সময় রান্যা রাও-এর ব্যাগ তল্লাশি করা হলে ১৭টি সোনার বার পাওয়া যায়। তিনি এই সোনা রাখার কথা স্বীকার করেন। বর্তমানে তিনি ১০ মার্চ পর্যন্ত ডিআরআই হেফাজতে রয়েছেন।
ডিআরআই সতর্কবার্তা দিয়েছে যে রান্যা রাও-এর মামলার মতো আরও নেটওয়ার্ক ভারতে সক্রিয় থাকতে পারে। সরকারি কর্মকর্তাদের সাহায্য নিয়েই বিমানবন্দর দিয়ে অবৈধভাবে সোনা আনা হচ্ছে। এই ভাবেই সক্রিয় রয়েছে সোনা চোরাচালানকারী। এই মামলায় বাজেয়াপ্ত হওয়া বিপুল পরিমাণ সম্পদ সোনা চোরাচালান চক্রের জন্য বড় ধাক্কা বলেই মনে করছে গোয়েন্দা সংস্থা।
আপাতত, সিবিআই কাস্টমস ও পুলিশ কর্তাদের ভূমিকা খতিয়ে দেখছে। রান্যা রাও-এর যোগাযোগ ও চোরাচালান চক্রের মূল হোতাদের খুঁজে বের করার চেষ্টা চলছে। চোরাচালান চক্রের সঙ্গে জড়িত অন্যান্য ব্যক্তিদের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়া হতে পারে। এই কাণ্ডে আরও চাঞ্চল্যকর তথ্য সামনে আসতে পারে, কারণ তদন্ত এখনও চলছে। ফলে রান্যা রাও-এর মত আরও কোনও বড় মাথা এই কাণ্ডের সাথে জড়িয়ে থাকতে পারে বলে অনুমান করছে গোয়েন্দা সংস্থা।












Click it and Unblock the Notifications